শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন হাফিজুর
মোঃ আবু সঈদ (স্টাফ রিপোর্টার)
প্রকাশ : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২:০১
শারিরীক প্রতিবন্ধী হাফিজুর রহমান
মোঃ আবু সঈদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের উজানীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৪০)। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁর জীবনে বাধা হয়ে দাঁড়ালেও থেমে যাননি তিনি। অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং দুই ছেলে সন্তানের লেখাপড়া সহ পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
হাফিজুর রহমান উজানীগাঁও নিবাসী মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে। প্রায় দুই বছর আগে তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁর ডান পায়ের আক্রান্ত অংশ কোমরের নিচ পর্যন্ত কেটে ফেলতে হয়। এতে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয়। এক পা দিয়ে চলা হাফিজুর এক সময় পরিবারের বোঝা হয়ে যান। একপর্যায়ে সংসারের খরচ, সন্তানদের ভরণপোষণ ও নিজের চিকিৎসা খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান হাফিজুর।
তবে প্রতিকূলতার কাছে হার মানেননি হাফিজুর। নিজের মনোবলে ভিক্ষাবৃত্তির পরিবর্তে নিজের কর্মসংস্থানের পথ বেছে নেন। একপর্যায়ে কিস্তিতে একটি অটোরিকশা কিনে শুরু করেন জীবিকার সংগ্রাম। বর্তমানে এই অটোরিকশাটিই তাঁর দৈনন্দিন জীবনে পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন। প্রতিদিন অটোরিকশা চালিয়ে যা আয় করেন, তা দিয়েই কোন রকমে সংসার চলে হাফিজুরের। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নিজের পরিশ্রমে বেঁচে থাকার এই প্রচেষ্টা অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উদাহরণ।
হাফিজুর রহমানের মতো সংগ্রামী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সমাজের সবার দায়িত্ব। তাঁর জীবনসংগ্রাম আরও সহজ হোক, পরিবারকে নিয়ে ভাল থাকুন এমন প্রত্যাশা ও শুভ কামনা রইল।
অডিও সংবাদ
শুনতে প্লে করুন
শারিরীক প্রতিবন্ধী হাফিজুর রহমান ছবি:
মোঃ আবু সঈদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের উজানীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৪০)। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁর জীবনে বাধা হয়ে দাঁড়ালেও থেমে যাননি তিনি। অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন এবং দুই ছেলে সন্তানের লেখাপড়া সহ পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
হাফিজুর রহমান উজানীগাঁও নিবাসী মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে। প্রায় দুই বছর আগে তিনি প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকের পরামর্শে তাঁর ডান পায়ের আক্রান্ত অংশ কোমরের নিচ পর্যন্ত কেটে ফেলতে হয়। এতে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত হয়। এক পা দিয়ে চলা হাফিজুর এক সময় পরিবারের বোঝা হয়ে যান। একপর্যায়ে সংসারের খরচ, সন্তানদের ভরণপোষণ ও নিজের চিকিৎসা খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে যান হাফিজুর।
তবে প্রতিকূলতার কাছে হার মানেননি হাফিজুর। নিজের মনোবলে ভিক্ষাবৃত্তির পরিবর্তে নিজের কর্মসংস্থানের পথ বেছে নেন। একপর্যায়ে কিস্তিতে একটি অটোরিকশা কিনে শুরু করেন জীবিকার সংগ্রাম। বর্তমানে এই অটোরিকশাটিই তাঁর দৈনন্দিন জীবনে পরিবারের আয়ের একমাত্র অবলম্বন। প্রতিদিন অটোরিকশা চালিয়ে যা আয় করেন, তা দিয়েই কোন রকমে সংসার চলে হাফিজুরের। শারীরিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নিজের পরিশ্রমে বেঁচে থাকার এই প্রচেষ্টা অন্যদের জন্যও অনুপ্রেরণার উদাহরণ।
হাফিজুর রহমানের মতো সংগ্রামী মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা সমাজের সবার দায়িত্ব। তাঁর জীবনসংগ্রাম আরও সহজ হোক, পরিবারকে নিয়ে ভাল থাকুন এমন প্রত্যাশা ও শুভ কামনা রইল।
মোঃ আবু সঈদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের উজানীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৪০)। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁর জীবনে...
মোঃ আবু সঈদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার জয়কলস ইউনিয়নের উজানীগাঁও গ্রামের বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৪০)। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁর জীবনে...
মানবসেবাই পরম ধর্ম। আমাদের চারপাশের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি সচেতন মানুষের নৈতিক দায়িত্ব।
আন্তর্জাতিক সেচ্ছাসেবী সংগঠন এপেক্স...
জামালপুরের ইসলামপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও প্রয়াত সাংবাদিক কোরবান আলীর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল...