ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুহিয়া উপজেলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ ও সার বিতরণ নবগঠিত রুহিয়া উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত মহানবী(সা.)এর আদর্শ অনুসরণ করে একটি ন্যায় ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব-প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় বঙ্গসেনা’র মিছিল থেকে বাংলাদেশ ভাগ করার ডাক কুবিতে ‘ক্রাউন অব আর্গুমেন্টে’ গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন গণিত বিভাগ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ ভারতে আবারো আন্দোলনের ডাক দিলো ককোরোচ জনতা পার্টি চান্দগাঁও এন এম সি উচ্চ বিদ্যালয়ে জি পি এ-৫ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায়–এম পি এরশাদ উল্লাহ কুবির নজরুল হলে দুই দফা মারামারি, বহিষ্কৃতদের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন শিশুর মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে মা-বাবার ভূমিকা বা প্যারেন্টিং এর গুরুত্ব

মানবিক সংকটে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে কক্সবাজার ইসলামী ছাত্রশিবির

নুরুল ইসলাম সুমন, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ১০৩ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় মানবিক সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে চলমান ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা দুর্গম এলাকায় অসহায় মানুষের করুণ জীবনযাত্রার চিত্র প্রত্যক্ষ করেছেন।

ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ডেইঙ্গাকাটা এলাকায় পৌঁছে দেখা যায়, চারদিকে শুধু পানি আর পানি। অধিকাংশ ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের বসবাসের মতো শুকনো কোনো স্থান নেই। অনেক পরিবার খাটের পায়ার নিচে ইট দিয়ে উঁচু করে কোনোভাবে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু পানির উচ্চতা খাটের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রান্না করা, খাবার সংরক্ষণ এবং রাতে ঘুমানোর মতো ন্যূনতম পরিবেশও এখন তাদের নেই। বন্যার পানি দ্রুত না নামলে সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি মীর মোহাম্মদ আবু তালহা জানিয়েছে, তাদের ত্রাণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিস্তৃত পরিসরে দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এদিকে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ও সামর্থ্যবান ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দুর্গত এলাকায় চিড়া, মুড়ি, চিনি, কলা, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য শুকনো খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মানবিক এই দুর্যোগে সম্মিলিত উদ্যোগই অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মানবিক সংকটে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে কক্সবাজার ইসলামী ছাত্রশিবির

আপডেট সময় : ০৮:৪১:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

টানা বর্ষণ ও বন্যার কারণে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় মানবিক সংকট দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে চলমান ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবীরা দুর্গম এলাকায় অসহায় মানুষের করুণ জীবনযাত্রার চিত্র প্রত্যক্ষ করেছেন।

ত্রাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের ডেইঙ্গাকাটা এলাকায় পৌঁছে দেখা যায়, চারদিকে শুধু পানি আর পানি। অধিকাংশ ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের বসবাসের মতো শুকনো কোনো স্থান নেই। অনেক পরিবার খাটের পায়ার নিচে ইট দিয়ে উঁচু করে কোনোভাবে আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু পানির উচ্চতা খাটের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রান্না করা, খাবার সংরক্ষণ এবং রাতে ঘুমানোর মতো ন্যূনতম পরিবেশও এখন তাদের নেই। বন্যার পানি দ্রুত না নামলে সংকট আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি মীর মোহাম্মদ আবু তালহা জানিয়েছে, তাদের ত্রাণ কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে আরও বিস্তৃত পরিসরে দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

এদিকে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ও সামর্থ্যবান ব্যক্তি এবং বিভিন্ন সামাজিক-স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতি বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে দুর্গত এলাকায় চিড়া, মুড়ি, চিনি, কলা, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য শুকনো খাদ্যসামগ্রীর চাহিদা সবচেয়ে বেশি বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মানবিক এই দুর্যোগে সম্মিলিত উদ্যোগই অসহায় মানুষের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।