ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুপালি মৎস্যের স্বনির্ভর দেশ’—চকরিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু মসজিদ রক্ষায় এক পায়ে লড়া, সেই সাহসী নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইবি ছাত্রদলের কঠোর অবস্থান এখানকার সরকার আমি, কোন চাঁদাবাজি আমার আসনে চলবে না-আমির হামজা এমপি ৩ শর্তে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান আমরা প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম: হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি যমুনায় জাল চুরি সন্দেহে ধাওয়া পিটিয়ে ১ জনকে হত্যা আহত ২ বাংলাদেশের জেন-জি: দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক জাগরণ? প্যারিসে এফবিজেএর ‘জুলাই ডায়লগ স্মৃতি থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রত্যাশা। ফেনীর চার অপহরণ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

জুলাই আন্দোলন হয়েছিল ফ্যাসিবাদী সমাজব্যবস্থার মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে; ইবিসাস সভাপতি

ইবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম বলেছেন,

জুলাই আন্দোলন হয়েছিল বৈষম্যমূলক ও ফ্যাসিবাদী সমাজব্যবস্থার মূলোৎপাটন করে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

নিয়ামতুল্লাহ মুনিম বলেন, যেসব শিক্ষক এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতা করেছিল, তাদের বিষয়ে প্রশাসন কি ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে? জুলাইয়ের আগে, ফ্যাসিবাদী আমলে যেসব শিক্ষক, কর্মকর্তারা মেগা দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে, আজ পর্যন্ত এসে সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা হয়নি। কেন, কি কারণে হয়নি? তাদের বিষয়ে প্রশাসন কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যেসব শিক্ষক সম্মুখসারিতেও অবস্থান নিয়ে ভূমিকা পালন করেছিল, তাদেরকে আমরা আজকে অনেক সম্মানিত জায়গায় দেখি। এই সম্মান কোথা থেকে পেয়েছে এ প্রশ্ন তারা নিজেদের কাছে করেছে? তারা যদি স্মরণে রাখতো, ৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন্যই এসব সম্মানিত জায়গায় আসীন হয়েছে, তাহলে জুলাই স্পিরিট-বিরোধী কোনো ধরনের কর্মকাণ্ডে তাদের জড়িত হওয়ার কথা নয়। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যেসব শিক্ষকরা বিরোধিতা করেছিল, তাদের বিষয়ে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিসমূহ কতটুকু কি করেছে?

জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনিবলেন, জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকরা কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য, শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে রেস্ট হাউজে ভাড়া দিয়ে থাকার পরও প্রশাসন হুমকি স্বরূপ মনে করে আমাদের বের করে দেয়। পরবর্তীতে একটি মেস ভাড়া করে ওখানে থাকতে শুরু করলাম। ইবিসাসের সাবেক সভাপতি তাজমুল ইসলাম জায়িম, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মনজুরুল ইসলাম নাহিদ জীবন বাজি রেখে প্রশাসনের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো ধরনের চক্রান্ত এবং গুলি চালানো না হয়, এজন্য প্রশাসনের সাথে তারা সার্বিকভাবে যোগাযোগ করেছিল।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের যে উদ্দেশ্য ছিল, সে উদ্দেশ্য কি আমরা পূরণ করতে পেরেছি? আমরা কি ঐ সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি?আজকে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিসমূহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। তাহলে কি এটা জুলাই স্পিরিটের সাথে যায়? এসময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিসমূহকে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাই আন্দোলন হয়েছিল ফ্যাসিবাদী সমাজব্যবস্থার মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে; ইবিসাস সভাপতি

আপডেট সময় : ১১:৫৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম বলেছেন,

জুলাই আন্দোলন হয়েছিল বৈষম্যমূলক ও ফ্যাসিবাদী সমাজব্যবস্থার মূলোৎপাটন করে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

নিয়ামতুল্লাহ মুনিম বলেন, যেসব শিক্ষক এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতা করেছিল, তাদের বিষয়ে প্রশাসন কি ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে? জুলাইয়ের আগে, ফ্যাসিবাদী আমলে যেসব শিক্ষক, কর্মকর্তারা মেগা দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে, আজ পর্যন্ত এসে সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা হয়নি। কেন, কি কারণে হয়নি? তাদের বিষয়ে প্রশাসন কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যেসব শিক্ষক সম্মুখসারিতেও অবস্থান নিয়ে ভূমিকা পালন করেছিল, তাদেরকে আমরা আজকে অনেক সম্মানিত জায়গায় দেখি। এই সম্মান কোথা থেকে পেয়েছে এ প্রশ্ন তারা নিজেদের কাছে করেছে? তারা যদি স্মরণে রাখতো, ৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন্যই এসব সম্মানিত জায়গায় আসীন হয়েছে, তাহলে জুলাই স্পিরিট-বিরোধী কোনো ধরনের কর্মকাণ্ডে তাদের জড়িত হওয়ার কথা নয়। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যেসব শিক্ষকরা বিরোধিতা করেছিল, তাদের বিষয়ে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিসমূহ কতটুকু কি করেছে?

জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনিবলেন, জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকরা কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য, শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে রেস্ট হাউজে ভাড়া দিয়ে থাকার পরও প্রশাসন হুমকি স্বরূপ মনে করে আমাদের বের করে দেয়। পরবর্তীতে একটি মেস ভাড়া করে ওখানে থাকতে শুরু করলাম। ইবিসাসের সাবেক সভাপতি তাজমুল ইসলাম জায়িম, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মনজুরুল ইসলাম নাহিদ জীবন বাজি রেখে প্রশাসনের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো ধরনের চক্রান্ত এবং গুলি চালানো না হয়, এজন্য প্রশাসনের সাথে তারা সার্বিকভাবে যোগাযোগ করেছিল।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের যে উদ্দেশ্য ছিল, সে উদ্দেশ্য কি আমরা পূরণ করতে পেরেছি? আমরা কি ঐ সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি?আজকে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিসমূহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। তাহলে কি এটা জুলাই স্পিরিটের সাথে যায়? এসময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিসমূহকে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান জানান।