ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুহিয়া উপজেলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ ও সার বিতরণ নবগঠিত রুহিয়া উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত মহানবী(সা.)এর আদর্শ অনুসরণ করে একটি ন্যায় ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব-প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় বঙ্গসেনা’র মিছিল থেকে বাংলাদেশ ভাগ করার ডাক কুবিতে ‘ক্রাউন অব আর্গুমেন্টে’ গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন গণিত বিভাগ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ ভারতে আবারো আন্দোলনের ডাক দিলো ককোরোচ জনতা পার্টি চান্দগাঁও এন এম সি উচ্চ বিদ্যালয়ে জি পি এ-৫ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায়–এম পি এরশাদ উল্লাহ কুবির নজরুল হলে দুই দফা মারামারি, বহিষ্কৃতদের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন শিশুর মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে মা-বাবার ভূমিকা বা প্যারেন্টিং এর গুরুত্ব

জুলাই আন্দোলন হয়েছিল ফ্যাসিবাদী সমাজব্যবস্থার মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে; ইবিসাস সভাপতি

ইবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৪৫ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম বলেছেন,

জুলাই আন্দোলন হয়েছিল বৈষম্যমূলক ও ফ্যাসিবাদী সমাজব্যবস্থার মূলোৎপাটন করে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

নিয়ামতুল্লাহ মুনিম বলেন, যেসব শিক্ষক এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতা করেছিল, তাদের বিষয়ে প্রশাসন কি ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে? জুলাইয়ের আগে, ফ্যাসিবাদী আমলে যেসব শিক্ষক, কর্মকর্তারা মেগা দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে, আজ পর্যন্ত এসে সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা হয়নি। কেন, কি কারণে হয়নি? তাদের বিষয়ে প্রশাসন কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যেসব শিক্ষক সম্মুখসারিতেও অবস্থান নিয়ে ভূমিকা পালন করেছিল, তাদেরকে আমরা আজকে অনেক সম্মানিত জায়গায় দেখি। এই সম্মান কোথা থেকে পেয়েছে এ প্রশ্ন তারা নিজেদের কাছে করেছে? তারা যদি স্মরণে রাখতো, ৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন্যই এসব সম্মানিত জায়গায় আসীন হয়েছে, তাহলে জুলাই স্পিরিট-বিরোধী কোনো ধরনের কর্মকাণ্ডে তাদের জড়িত হওয়ার কথা নয়। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যেসব শিক্ষকরা বিরোধিতা করেছিল, তাদের বিষয়ে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিসমূহ কতটুকু কি করেছে?

জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনিবলেন, জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকরা কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য, শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে রেস্ট হাউজে ভাড়া দিয়ে থাকার পরও প্রশাসন হুমকি স্বরূপ মনে করে আমাদের বের করে দেয়। পরবর্তীতে একটি মেস ভাড়া করে ওখানে থাকতে শুরু করলাম। ইবিসাসের সাবেক সভাপতি তাজমুল ইসলাম জায়িম, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মনজুরুল ইসলাম নাহিদ জীবন বাজি রেখে প্রশাসনের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো ধরনের চক্রান্ত এবং গুলি চালানো না হয়, এজন্য প্রশাসনের সাথে তারা সার্বিকভাবে যোগাযোগ করেছিল।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের যে উদ্দেশ্য ছিল, সে উদ্দেশ্য কি আমরা পূরণ করতে পেরেছি? আমরা কি ঐ সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি?আজকে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিসমূহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। তাহলে কি এটা জুলাই স্পিরিটের সাথে যায়? এসময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিসমূহকে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাই আন্দোলন হয়েছিল ফ্যাসিবাদী সমাজব্যবস্থার মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে; ইবিসাস সভাপতি

আপডেট সময় : ১১:৫৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ অগাস্ট ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম বলেছেন,

জুলাই আন্দোলন হয়েছিল বৈষম্যমূলক ও ফ্যাসিবাদী সমাজব্যবস্থার মূলোৎপাটন করে সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে। বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

নিয়ামতুল্লাহ মুনিম বলেন, যেসব শিক্ষক এই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরোধিতা করেছিল, তাদের বিষয়ে প্রশাসন কি ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে? জুলাইয়ের আগে, ফ্যাসিবাদী আমলে যেসব শিক্ষক, কর্মকর্তারা মেগা দুর্নীতির সাথে জড়িত ছিল তাদের বিরুদ্ধে একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে, আজ পর্যন্ত এসে সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা হয়নি। কেন, কি কারণে হয়নি? তাদের বিষয়ে প্রশাসন কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে?

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যেসব শিক্ষক সম্মুখসারিতেও অবস্থান নিয়ে ভূমিকা পালন করেছিল, তাদেরকে আমরা আজকে অনেক সম্মানিত জায়গায় দেখি। এই সম্মান কোথা থেকে পেয়েছে এ প্রশ্ন তারা নিজেদের কাছে করেছে? তারা যদি স্মরণে রাখতো, ৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জন্যই এসব সম্মানিত জায়গায় আসীন হয়েছে, তাহলে জুলাই স্পিরিট-বিরোধী কোনো ধরনের কর্মকাণ্ডে তাদের জড়িত হওয়ার কথা নয়। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যেসব শিক্ষকরা বিরোধিতা করেছিল, তাদের বিষয়ে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিসমূহ কতটুকু কি করেছে?

জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনিবলেন, জুলাই আন্দোলনে সাংবাদিকরা কোটা সংস্কারের আন্দোলনকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য, শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কারণে রেস্ট হাউজে ভাড়া দিয়ে থাকার পরও প্রশাসন হুমকি স্বরূপ মনে করে আমাদের বের করে দেয়। পরবর্তীতে একটি মেস ভাড়া করে ওখানে থাকতে শুরু করলাম। ইবিসাসের সাবেক সভাপতি তাজমুল ইসলাম জায়িম, প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি মনজুরুল ইসলাম নাহিদ জীবন বাজি রেখে প্রশাসনের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে যাতে কোনো ধরনের চক্রান্ত এবং গুলি চালানো না হয়, এজন্য প্রশাসনের সাথে তারা সার্বিকভাবে যোগাযোগ করেছিল।

তিনি আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের যে উদ্দেশ্য ছিল, সে উদ্দেশ্য কি আমরা পূরণ করতে পেরেছি? আমরা কি ঐ সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে পেরেছি?আজকে জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিসমূহ বিভিন্ন ক্যাম্পাসে মারামারি, হানাহানিতে লিপ্ত হয়ে পড়েছে। তাহলে কি এটা জুলাই স্পিরিটের সাথে যায়? এসময় তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষের শক্তিসমূহকে ঐক্যবদ্ধভাবে থাকার আহ্বান জানান।