রোকনুজ্জামান সবুজ জামালপুরঃ
জামালপুরের ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত জেড়ে বিরোধ। গ্রাম্য সালিশি রায় অমান্য করে উল্টো হুমকি।
উপজেলা নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে পশ্চিম নতুনপাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী আতা,খাজা ও মালেক উদ্দিন জানান, পৈত্রিকসূত্রে আবাদি জমি প্রায় ১একর ৮৬শতাংশ অযথাই সৎ ভাই বাদশা ও কুদরত গংরা গত কয়েক বছর ধরে আমাদের সঙ্গে বিরোধ করে আসছে। এবং জোরপূর্বক ভাবে দীর্ঘদিন ধরে জমি দখল করে রেখেছেন। আমাদের পৈত্রিক সূত্রের জমি পাওয়া এবং নিজেদের ক্রয় করা জমি বেদখল করা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার জন্য অন্তত ১০বার গ্রামের সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার (১৬এপ্রিল) সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির,ইউপি সদস্যসহ উপস্থিতিতে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। নোয়ারপাড়া মৌজা,আরওআর খতিয়ান নং-১৪১২ ও ১৫৫৯ এবং বিআরএস-৩০১৭,৩০১৮ ও ৩৩২১ নং খতিয়ানের ১৪দাগে পৈত্রিক সূত্রে মালিক খাজাগংরা। দুইপক্ষে কাগজপত্রের ভিত্তিতে খাজা,আতা ও মালেকদের জমির দলিলপত্র স্বচ্ছতা পাওয়া তাদের অংশ হিসাবে ১একর ৮৬শতাংশ জমি শালিশিতে রায় হয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,বাদশা ও কুদরত হোসেন সালিশি রায় মেনে নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগী ও সালিশিতে থাকা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মুঠোফোনে বিভিন্ন সময়ে হুমকি প্রদান করেন রফিকুল ইসলাম।
স্থানীয় এলাকাবাসী,তুরাপ আলী আকন্দ,ইব্রাহিম আকন্দ ও এশানুর রহমান বলেন,বিবাদীরা প্রভাবশালী এবং তাদের সন্তানরা ভালো চাকরি করার সুবাদে তারা অর্থের দাপট দেখিয়ে অসহায় আতা ও মালেকগং দের পরিবারের তাদের প্রাপ্য জমি থেকে ভয় ভিত্তি দেখায়ে বঞ্চিত করছেন।
এ ব্যাপারে বাদশা ও কুদরত সঙ্গে একাধিক বার মোটফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভুক্তভোগী পরিবারদের পক্ষে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে বিবাদীদের এমন অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এবং ভুক্তভোগী পরিবার তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে দ্রুত এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান হয়। এবং প্রকৃত মালিক তাদের জমি ফিরে পান।