মোঃ আবু সঈদ, স্টাফ রিপোর্টারঃ
সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জেও দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ১১ ঘটিকায়
‘বি’ ইউনিটের (ব্যবসায় শিক্ষা) পরীক্ষা জেলার শান্তিগঞ্জস্থ সুনামগঞ্জ টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও আব্দুল মজিদ কলেজ কেন্দ্রে ১ ঘন্টাব্যাপী এ ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের এই ভর্তি পরীক্ষায় ১০৬৫ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও ৬৮১ জন অংশগ্রহণ করেছেন। এ পরীক্ষা গ্রহণ করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যাপক প্রস্তুতি ছিলো।
পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থীরা। ভালো ফলাফলের প্রত্যাশা রয়েছে তাদের। শফিকুর রহমান সহ আগত কয়েকজন পরীক্ষার্থী বলেন, পরীক্ষার প্রশ্নের মান খুবই ভাল ছিলো। পরিবেশটাও সুন্দর ছিলো যা তাদের পরীক্ষায় খুবই সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে। ভর্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের প্রত্যাশা তাদের রয়েছে।
জগন্নাথপুর থেকে আগত একজন অভিভাবক বলেন, যা দেখলাম আমার কাছে ভাল লেগেছে। এটা শিক্ষার্থীদের জন্য একটা যুদ্ধক্ষেত্র। এই যুদ্ধক্ষেত্রে সবাই সফল হোক প্রত্যাশা করি। তিনি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল এ আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শেখ আবদুল লতিফ বলেন, স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় পরীক্ষাটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছি। অভিভাবকদের জন্য একটি বসার স্থানসহ সর্বশেষ সীমিত কিছু পানি ও খাবার বিতরণ করতে চেষ্টা করেছি। আশা করি এতে তারা খুশি হবেন। তিনি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ দিয়ে বলেন,শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মোঃ নিজাম উদ্দিন বলেন, আজকের পরীক্ষায় ১ হাজার ৬৫ জন পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও ৬ শত ৮১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।
পরীক্ষায় ৩৮৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। উপস্থিতি হার ছিল মোট পরীক্ষার্থীর ৬৩.৯৪ শতাংশ।
তিনি আরও বলেন,পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে একজন পরীক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে উপস্থিত চিকিৎসকদল দ্বারা দ্রুত চিকিৎসা প্রদান করে আবার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করানো সম্ভব হয়েছে। আগামী ১০ এপ্রিল পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে ‘সি’ (বিজ্ঞান) ইউনিটের পরীক্ষা। সি ইউনিটে ৩ হাজার ৬৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, এ বছর গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে ২ লাখ ৮৫ হাজার ভর্তিচ্ছু আবেদন করেছেন। এর মধ্যে
‘বি’ (মানবিক) ইউনিটে ৯৩ হাজার ১০২ জন
শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। এবার গুচ্ছের ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে সর্বমোট আসন প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার। দেশের ২১টি কেন্দ্রে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ পদ্ধতিতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৩০। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।