ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারে অনন্য ভুমিকা পালনে পুরস্কৃত ইন্সপেক্টর মো. মাসুদ মাদারগঞ্জে বজ্রপাতে প্রাণ গেল এক কৃষকের দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী প্রথম সফর, প্রথম বার্তা: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত বাবা দিবসে মঈনের গল্প: বাবার জন্য সন্তানের নিরন্তর লড়াই উত্তর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সীমানা প্রাচীর ও গেট নির্মাণের জোর দাবি কক্সবাজার বিমানবন্দরে ইয়াবাসহ নারী আটক, সদর থানায় হস্তান্তর জামালপুরে ডিবির অভিযানে ভারতীয় মদ উদ্ধার আটক-২ জামালপুরে দরিদ্র মানুষদের মাঝে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের মৌসুমী ফল বিতরণ কেন্দ্র ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করল ছাত্রশিবির ময়নামতি থানা শাখা

প্রথম সফর, প্রথম বার্তা: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত

হাসান মাহমুদ শুভ
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ৭০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রথম সফর, প্রথম বার্তা: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত

একটি দেশের নতুন সরকারের প্রথম বিদেশ সফর কেবল একটি কূটনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটি প্রায়ই ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনার প্রতীক হয়ে ওঠে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয় নয়, বরং আঞ্চলিক বাস্তবতা, অর্থনৈতিক কূটনীতি এবং বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি রাজনৈতিক বার্তা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি ছিল “সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়”। এই নীতি শেখ মুজিবুর রহমান প্রণয়ন করেছিলেন এবং বিভিন্ন সরকার ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় তা অনুসরণের চেষ্টা করেছে। বাস্তবতা হলো, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলে কিছু নেই; স্থায়ী থাকে জাতীয় স্বার্থ। তাই বাংলাদেশের জন্য চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মধ্যপ্রাচ্য কিংবা আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন কোনো আদর্শিক বিতর্কের বিষয় নয়, বরং রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন।

বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা ক্রমেই বহুমেরুকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা, অন্যদিকে চীন তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব বিস্তার করছে। দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এই প্রতিযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কোনো একটি শক্তির বলয়ে আবদ্ধ না হয়ে নিজের কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখা।

মালয়েশিয়াকে প্রথম সফরের গন্তব্য হিসেবে নির্বাচন সেই বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবেও দেখা যেতে পারে। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার, বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় অংশীদার এবং মুসলিম বিশ্বের একটি প্রভাবশালী অর্থনীতি। লক্ষাধিক বাংলাদেশি কর্মী সেখানে কর্মরত আছেন এবং তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ফলে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা সরাসরি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত।

একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার আলোচনাও স্বাভাবিক। অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অংশীদার। তবে সেই সম্পর্ক এমন হতে হবে যাতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সুযোগ গ্রহণ করতে পারে, কিন্তু কোনো কৌশলগত নির্ভরশীলতার ফাঁদে না পড়ে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারগুলোর একটি, আর ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী ও গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক অংশীদার। তাই একটি পরিণত পররাষ্ট্রনীতি কখনো “এক পক্ষ বনাম অন্য পক্ষ” নীতির ওপর দাঁড়াতে পারে না।

বাংলাদেশের ভূগোলও এ ক্ষেত্রে একটি বড় বাস্তবতা। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত দেশটি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক অর্থনীতি, আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধারণ করে। এই ভূ-কৌশলগত অবস্থান বাংলাদেশের জন্য যেমন সুযোগ সৃষ্টি করে, তেমনি বিভিন্ন শক্তির প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতেও পরিণত করতে পারে। তাই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হলো ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি, যেখানে জাতীয় স্বার্থই হবে একমাত্র মানদণ্ড।

বন্ধুত্ব তখনই সত্যিকারের বন্ধুত্ব, যখন তা পারস্পরিক সম্মান ও সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। কোনো রাষ্ট্র যদি অন্য একটি রাষ্ট্রকে বলে দেয় কার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যাবে আর কার সঙ্গে যাবে না, তবে তা অংশীদারত্বের চেয়ে আধিপত্যের ইঙ্গিত বহন করে। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এমন অবস্থান গ্রহণ করা কখনোই সমীচীন নয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে তাই কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক সফর হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি হতে পারে এমন এক পররাষ্ট্রনীতির সূচনা, যেখানে বাংলাদেশ বিশ্বের সকল গুরুত্বপূর্ণ শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখবে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেবে নিজের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কৌশলগত স্বাধীনতার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে কোনো একটি শক্তির ওপর নয়, বরং এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থানের ওপর, যা দেশের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির পরিবর্তনশীল বাস্তবতায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো সেতুবন্ধনকারী রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা। আর সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাসী নেতৃত্ব, বাস্তববাদী কূটনীতি এবং সর্বোপরি জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে অবিচল অবস্থান।

লেখক

নাকিবুর রহমান সরকার
শিক্ষার্থী
মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগ
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা, বাংলাদেশ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

প্রথম সফর, প্রথম বার্তা: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত

আপডেট সময় : ০৯:৫৫:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

প্রথম সফর, প্রথম বার্তা: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত

একটি দেশের নতুন সরকারের প্রথম বিদেশ সফর কেবল একটি কূটনৈতিক কর্মসূচি নয়; এটি প্রায়ই ভবিষ্যৎ পররাষ্ট্রনীতির দিকনির্দেশনার প্রতীক হয়ে ওঠে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গঠনের পর প্রথম বিদেশ সফরের জন্য মালয়েশিয়াকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এটি শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয় নয়, বরং আঞ্চলিক বাস্তবতা, অর্থনৈতিক কূটনীতি এবং বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি রাজনৈতিক বার্তা।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি ছিল “সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়”। এই নীতি শেখ মুজিবুর রহমান প্রণয়ন করেছিলেন এবং বিভিন্ন সরকার ভিন্ন ভিন্ন মাত্রায় তা অনুসরণের চেষ্টা করেছে। বাস্তবতা হলো, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে স্থায়ী বন্ধু বা শত্রু বলে কিছু নেই; স্থায়ী থাকে জাতীয় স্বার্থ। তাই বাংলাদেশের জন্য চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, মধ্যপ্রাচ্য কিংবা আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন কোনো আদর্শিক বিতর্কের বিষয় নয়, বরং রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন।

বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা ক্রমেই বহুমেরুকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা, অন্যদিকে চীন তার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত প্রভাব বিস্তার করছে। দক্ষিণ এশিয়া ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এই প্রতিযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কোনো একটি শক্তির বলয়ে আবদ্ধ না হয়ে নিজের কৌশলগত স্বাধীনতা বজায় রাখা।

মালয়েশিয়াকে প্রথম সফরের গন্তব্য হিসেবে নির্বাচন সেই বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবেও দেখা যেতে পারে। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার, বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় অংশীদার এবং মুসলিম বিশ্বের একটি প্রভাবশালী অর্থনীতি। লক্ষাধিক বাংলাদেশি কর্মী সেখানে কর্মরত আছেন এবং তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ফলে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করা সরাসরি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত।

একই সঙ্গে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করার আলোচনাও স্বাভাবিক। অবকাঠামো উন্নয়ন, বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে চীন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান অংশীদার। তবে সেই সম্পর্ক এমন হতে হবে যাতে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সুযোগ গ্রহণ করতে পারে, কিন্তু কোনো কৌশলগত নির্ভরশীলতার ফাঁদে না পড়ে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি বাজারগুলোর একটি, আর ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী ও গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক অংশীদার। তাই একটি পরিণত পররাষ্ট্রনীতি কখনো “এক পক্ষ বনাম অন্য পক্ষ” নীতির ওপর দাঁড়াতে পারে না।

বাংলাদেশের ভূগোলও এ ক্ষেত্রে একটি বড় বাস্তবতা। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত দেশটি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক অর্থনীতি, আঞ্চলিক বাণিজ্য ও সামুদ্রিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধারণ করে। এই ভূ-কৌশলগত অবস্থান বাংলাদেশের জন্য যেমন সুযোগ সৃষ্টি করে, তেমনি বিভিন্ন শক্তির প্রতিযোগিতার কেন্দ্রবিন্দুতেও পরিণত করতে পারে। তাই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ হলো ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি, যেখানে জাতীয় স্বার্থই হবে একমাত্র মানদণ্ড।

বন্ধুত্ব তখনই সত্যিকারের বন্ধুত্ব, যখন তা পারস্পরিক সম্মান ও সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। কোনো রাষ্ট্র যদি অন্য একটি রাষ্ট্রকে বলে দেয় কার সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যাবে আর কার সঙ্গে যাবে না, তবে তা অংশীদারত্বের চেয়ে আধিপত্যের ইঙ্গিত বহন করে। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এমন অবস্থান গ্রহণ করা কখনোই সমীচীন নয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে তাই কেবল একটি দ্বিপাক্ষিক সফর হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি হতে পারে এমন এক পররাষ্ট্রনীতির সূচনা, যেখানে বাংলাদেশ বিশ্বের সকল গুরুত্বপূর্ণ শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখবে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নেবে নিজের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং কৌশলগত স্বাধীনতার ভিত্তিতে। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে কোনো একটি শক্তির ওপর নয়, বরং এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থানের ওপর, যা দেশের মর্যাদা, নিরাপত্তা ও উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।

আন্তর্জাতিক রাজনীতির পরিবর্তনশীল বাস্তবতায় বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় সুযোগ হলো সেতুবন্ধনকারী রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা। আর সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন আত্মবিশ্বাসী নেতৃত্ব, বাস্তববাদী কূটনীতি এবং সর্বোপরি জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে অবিচল অবস্থান।

লেখক

নাকিবুর রহমান সরকার
শিক্ষার্থী
মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগ
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা, বাংলাদেশ