ঢাকা ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুহিয়া উপজেলায় প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বীজ ও সার বিতরণ নবগঠিত রুহিয়া উপজেলার মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত মহানবী(সা.)এর আদর্শ অনুসরণ করে একটি ন্যায় ও কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব-প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় বঙ্গসেনা’র মিছিল থেকে বাংলাদেশ ভাগ করার ডাক কুবিতে ‘ক্রাউন অব আর্গুমেন্টে’ গ্র্যান্ড ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন গণিত বিভাগ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ ভারতে আবারো আন্দোলনের ডাক দিলো ককোরোচ জনতা পার্টি চান্দগাঁও এন এম সি উচ্চ বিদ্যালয়ে জি পি এ-৫ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায়–এম পি এরশাদ উল্লাহ কুবির নজরুল হলে দুই দফা মারামারি, বহিষ্কৃতদের নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন শিশুর মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশে মা-বাবার ভূমিকা বা প্যারেন্টিং এর গুরুত্ব

কলকাতায় রাতজুড়ে ধরপাকড়: ১৪ জন আটক, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কলকাতার ধর্মতলায় প্রতিবাদ মিছিল চলাকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এ পর্যন্ত ৭০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৬ জুলাই) পশ্চিমঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শোনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। 

তিনি বলেন, গত শুক্রবার ধর্মতলার ঘটনায় চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তাদের সঙ্গে বিদেশি শক্তি, জামায়াতি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে তার দাবি, এ ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কোনো সম্পর্ক নেই। তার ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ছাত্র নন।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগেও তিনি এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ থাকা পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন।

গত শুক্রবার বিকেলে কলকাতার ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং এলাকায় বাম ছাত্রসংগঠন ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উদ্যোগে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ডরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছালে সেখান থেকে একদল ব্যক্তি সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় ছয়জন সাংবাদিক আহত হন।

এ ঘটনায় কলকাতার বিভিন্ন থানায় সাতটি মামলা হয়েছে। আহত সাংবাদিকেরা অধিকাংশ মামলা করেছেন। একটি মামলা পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে করেছে।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুণাল ঘোষ বলেছেন, যারা হামলায় জড়িত, তারা তৃণমূলের কেউ নন। এ ঘটনার দায় দলের ওপর চাপানো ঠিক নয়।

এদিকে ধর্মতলার ওই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি বিকৃত ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৮টি মামলা করা হয়েছে। বিজেপির নেতা–কর্মীরা তার গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ একটি মামলা করার পর বলেন, ‘শ্রীলেখা মিত্রকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কলকাতায় রাতজুড়ে ধরপাকড়: ১৪ জন আটক, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর

আপডেট সময় : ০৫:৫০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কলকাতার ধর্মতলায় প্রতিবাদ মিছিল চলাকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এ পর্যন্ত ৭০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দুই দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (২৬ জুলাই) পশ্চিমঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামের সোনাচূড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শোনার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শুভেন্দু অধিকারী। 

তিনি বলেন, গত শুক্রবার ধর্মতলার ঘটনায় চিহ্নিত ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। তাদের সঙ্গে বিদেশি শক্তি, জামায়াতি ও মৌলবাদী গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। তবে তার দাবি, এ ঘটনায় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) কোনো সম্পর্ক নেই। তার ভাষ্য, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা ছাত্র নন।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গুন্ডা দমন আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগেও তিনি এ ঘটনায় জড়িত বলে অভিযোগ থাকা পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন।

গত শুক্রবার বিকেলে কলকাতার ধর্মতলার ডরিনা ক্রসিং এলাকায় বাম ছাত্রসংগঠন ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) উদ্যোগে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের হয়। মিছিলটি ডরিনা ক্রসিংয়ে পৌঁছালে সেখান থেকে একদল ব্যক্তি সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় ছয়জন সাংবাদিক আহত হন।

এ ঘটনায় কলকাতার বিভিন্ন থানায় সাতটি মামলা হয়েছে। আহত সাংবাদিকেরা অধিকাংশ মামলা করেছেন। একটি মামলা পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে করেছে।

অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা কুণাল ঘোষ বলেছেন, যারা হামলায় জড়িত, তারা তৃণমূলের কেউ নন। এ ঘটনার দায় দলের ওপর চাপানো ঠিক নয়।

এদিকে ধর্মতলার ওই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি বিকৃত ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৮টি মামলা করা হয়েছে। বিজেপির নেতা–কর্মীরা তার গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

বিজেপি নেত্রী কেয়া ঘোষ একটি মামলা করার পর বলেন, ‘শ্রীলেখা মিত্রকে গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’