ঢাকা ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাকসু ভবনে হামলা ঘিরে রাবিতে উত্তেজনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপ-উপাচার্য ড. এমতাজ হোসেন কলকাতায় রাতজুড়ে ধরপাকড়: ১৪ জন আটক, কড়া হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর ‎সরকারি ৬২ লাখ টাকার বিল দখল নিয়ে উত্তপ্ত ধর্মপাশা: সংবাদ সম্মেলনে বিস্ফোরক অভিযোগ–পাল্টা অভিযোগ “জাবিতে ‘Decoding Time’ শিক্ষার্থীদের চোখ দিয়ে অতীত অনুসন্ধানের অনন্য প্রদর্শনী” চুপ্পুকে সেফ এক্সিট দিতে চায় বিএনপি: আখতার হোসেন কুবির বিজয়-২৪ হলে ‘শহীদ আব্দুল কাইয়ুম স্মৃতি মেডিকেল বক্স’ স্থাপন কুবি ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং ডিবেটিং এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিতর্ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রামুতে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি’র সভায় বক্তারা:শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জোরদারের দাবী  জুলাই শহীদদের স্মরণে কুবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দোয়া ও ইসলাহী ইজতেমা

আজ থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় এ-চালান বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ১৬০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সরকারি রাজস্বসহ সব ধরনের প্রাপ্তি জমার ক্ষেত্রে আজ ১ জুলাই থেকে এ-চালান বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।

সরকারি অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা নিশ্চিত করা, সরকারি নগদ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা, আর্থিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সনাতনী চালানব্যবস্থা বন্ধ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল ৩০শে জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

সরকারি অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা নিশ্চিত করা, সরকারি নগদ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা, আর্থিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সনাতনী চালানব্যবস্থা বন্ধ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা কিংবা অধীনস্থ দপ্তর এ-চালানের বাইরে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব বা প্রাপ্তি সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবে না। বর্তমানে সরকারি অর্থ সংগ্রহে ব্যবহৃত পৃথক কোনো ব্যবস্থা থাকলে তা বন্ধ করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের এ সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে কার্যকর করছে, যখন এ-চালান প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার, লেনদেন ও আদায়ের পরিমাণে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

অর্থবছরভিত্তিক এ-চালান প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ৪ লাখ ৭ হাজার ২২৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৮ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে আদায় বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

একই সময়ে ৬ কোটি ৭৫ লাখ চালান প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মাত্র ১৭টি চালানের মাধ্যমে এ-চালান ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিল। সাত অর্থবছরে প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে ১৯ কোটি ৩ লাখের বেশি চালান প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে এবং সরকারি হিসাবে জমা হয়েছে ১০ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অনলাইন চালানের সংখ্যা ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ কোটি ৩৬ লাখে পৌঁছেছে।

অতীতে সরকারি ফি বা রাজস্ব জমার জন্য অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখায় যেতে হতো। এতে সেবাগ্রহীতাদের সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় হতো। পাশাপাশি সরকারি কোষাগারে অর্থ স্থানান্তরে বিলম্ব, হিসাব সমন্বয়ে জটিলতা এবং ভুয়া চালান তৈরির ঝুঁকিও ছিল। এ-চালান ব্যবস্থা এসব সীমাবদ্ধতা দূর করেছে বলে দাবি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সব তফসিলি ব্যাংকের শাখা কাউন্টার, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, ট্যাপসহ বিভিন্ন মোবাইল আর্থিক সেবা এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ও সেবা ফি জমা দেওয়া যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আজ থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় এ-চালান বাধ্যতামূলক

আপডেট সময় : ১২:০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সরকারি রাজস্বসহ সব ধরনের প্রাপ্তি জমার ক্ষেত্রে আজ ১ জুলাই থেকে এ-চালান বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।

সরকারি অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা নিশ্চিত করা, সরকারি নগদ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা, আর্থিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সনাতনী চালানব্যবস্থা বন্ধ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল ৩০শে জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

সরকারি অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা নিশ্চিত করা, সরকারি নগদ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা, আর্থিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সনাতনী চালানব্যবস্থা বন্ধ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা কিংবা অধীনস্থ দপ্তর এ-চালানের বাইরে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব বা প্রাপ্তি সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবে না। বর্তমানে সরকারি অর্থ সংগ্রহে ব্যবহৃত পৃথক কোনো ব্যবস্থা থাকলে তা বন্ধ করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের এ সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে কার্যকর করছে, যখন এ-চালান প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার, লেনদেন ও আদায়ের পরিমাণে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

অর্থবছরভিত্তিক এ-চালান প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ৪ লাখ ৭ হাজার ২২৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৮ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে আদায় বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

একই সময়ে ৬ কোটি ৭৫ লাখ চালান প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মাত্র ১৭টি চালানের মাধ্যমে এ-চালান ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিল। সাত অর্থবছরে প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে ১৯ কোটি ৩ লাখের বেশি চালান প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে এবং সরকারি হিসাবে জমা হয়েছে ১০ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অনলাইন চালানের সংখ্যা ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ কোটি ৩৬ লাখে পৌঁছেছে।

অতীতে সরকারি ফি বা রাজস্ব জমার জন্য অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখায় যেতে হতো। এতে সেবাগ্রহীতাদের সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় হতো। পাশাপাশি সরকারি কোষাগারে অর্থ স্থানান্তরে বিলম্ব, হিসাব সমন্বয়ে জটিলতা এবং ভুয়া চালান তৈরির ঝুঁকিও ছিল। এ-চালান ব্যবস্থা এসব সীমাবদ্ধতা দূর করেছে বলে দাবি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সব তফসিলি ব্যাংকের শাখা কাউন্টার, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, ট্যাপসহ বিভিন্ন মোবাইল আর্থিক সেবা এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ও সেবা ফি জমা দেওয়া যাচ্ছে।