ঢাকা ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের “হিট লিস্ট” আইনি লড়াইয়ে বিজয়ী হলেন থালাপতি : তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার কোনো চেষ্টা নেই : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী র‌্যাব-১৫-এর মানবিক উদ্যোগ: বন্যাদুর্গত ২৫০ পরিবারের পাশে সৌজন্য উপহার নিয়ে র‌্যাব নিহত নিরঞ্জন দাসের পরিবারের পাশে এমপি লুৎফুর রহমান কাজল। শিক্ষক: মানুষ গড়ার শ্রেষ্ঠ কারিগর উখিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে ১০ হাজার ইয়াবা ও মোটরসাইকেল জব্দ পেকুয়ায় বন্যার্তদের পাশে ১১ বিজিবি, ৫১০ পরিবারে ত্রাণ বিতরণ টানা বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত ১৯০ পরিবারের পাশে ১১ বিজিবি দিনে ব্যাংকের কর্মী, রাতে চায়ের দোকান—ক্লান্তিকে হার মানিয়ে এগিয়ে চলা এক মানুষের গল্প

আজ থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় এ-চালান বাধ্যতামূলক

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ১২:০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ১১৮ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সরকারি রাজস্বসহ সব ধরনের প্রাপ্তি জমার ক্ষেত্রে আজ ১ জুলাই থেকে এ-চালান বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।

সরকারি অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা নিশ্চিত করা, সরকারি নগদ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা, আর্থিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সনাতনী চালানব্যবস্থা বন্ধ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল ৩০শে জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

সরকারি অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা নিশ্চিত করা, সরকারি নগদ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা, আর্থিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সনাতনী চালানব্যবস্থা বন্ধ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা কিংবা অধীনস্থ দপ্তর এ-চালানের বাইরে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব বা প্রাপ্তি সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবে না। বর্তমানে সরকারি অর্থ সংগ্রহে ব্যবহৃত পৃথক কোনো ব্যবস্থা থাকলে তা বন্ধ করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের এ সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে কার্যকর করছে, যখন এ-চালান প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার, লেনদেন ও আদায়ের পরিমাণে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

অর্থবছরভিত্তিক এ-চালান প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ৪ লাখ ৭ হাজার ২২৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৮ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে আদায় বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

একই সময়ে ৬ কোটি ৭৫ লাখ চালান প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মাত্র ১৭টি চালানের মাধ্যমে এ-চালান ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিল। সাত অর্থবছরে প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে ১৯ কোটি ৩ লাখের বেশি চালান প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে এবং সরকারি হিসাবে জমা হয়েছে ১০ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অনলাইন চালানের সংখ্যা ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ কোটি ৩৬ লাখে পৌঁছেছে।

অতীতে সরকারি ফি বা রাজস্ব জমার জন্য অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখায় যেতে হতো। এতে সেবাগ্রহীতাদের সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় হতো। পাশাপাশি সরকারি কোষাগারে অর্থ স্থানান্তরে বিলম্ব, হিসাব সমন্বয়ে জটিলতা এবং ভুয়া চালান তৈরির ঝুঁকিও ছিল। এ-চালান ব্যবস্থা এসব সীমাবদ্ধতা দূর করেছে বলে দাবি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সব তফসিলি ব্যাংকের শাখা কাউন্টার, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, ট্যাপসহ বিভিন্ন মোবাইল আর্থিক সেবা এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ও সেবা ফি জমা দেওয়া যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আজ থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য প্রাপ্তি জমায় এ-চালান বাধ্যতামূলক

আপডেট সময় : ১২:০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

সরকারি রাজস্বসহ সব ধরনের প্রাপ্তি জমার ক্ষেত্রে আজ ১ জুলাই থেকে এ-চালান বাধ্যতামূলক করেছে সরকার।

সরকারি অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা নিশ্চিত করা, সরকারি নগদ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা, আর্থিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সনাতনী চালানব্যবস্থা বন্ধ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল ৩০শে জুন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

সরকারি অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা নিশ্চিত করা, সরকারি নগদ ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করা, আর্থিক স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং সনাতনী চালানব্যবস্থা বন্ধ করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আজ অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের শুরু থেকে কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা কিংবা অধীনস্থ দপ্তর এ-চালানের বাইরে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব বা প্রাপ্তি সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবে না। বর্তমানে সরকারি অর্থ সংগ্রহে ব্যবহৃত পৃথক কোনো ব্যবস্থা থাকলে তা বন্ধ করতে হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারের এ সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে কার্যকর করছে, যখন এ-চালান প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার, লেনদেন ও আদায়ের পরিমাণে রেকর্ড প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।

অর্থবছরভিত্তিক এ-চালান প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ ব্যবস্থার মাধ্যমে ৪ লাখ ৭ হাজার ২২৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। আগের অর্থবছরে এ পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৮ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে আদায় বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ।

একই সময়ে ৬ কোটি ৭৫ লাখ চালান প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে মাত্র ১৭টি চালানের মাধ্যমে এ-চালান ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছিল। সাত অর্থবছরে প্ল্যাটফর্মটির মাধ্যমে ১৯ কোটি ৩ লাখের বেশি চালান প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে এবং সরকারি হিসাবে জমা হয়েছে ১০ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকারও বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে অনলাইন চালানের সংখ্যা ৯২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৫ কোটি ৩৬ লাখে পৌঁছেছে।

অতীতে সরকারি ফি বা রাজস্ব জমার জন্য অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ব্যাংক শাখায় যেতে হতো। এতে সেবাগ্রহীতাদের সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় হতো। পাশাপাশি সরকারি কোষাগারে অর্থ স্থানান্তরে বিলম্ব, হিসাব সমন্বয়ে জটিলতা এবং ভুয়া চালান তৈরির ঝুঁকিও ছিল। এ-চালান ব্যবস্থা এসব সীমাবদ্ধতা দূর করেছে বলে দাবি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সব তফসিলি ব্যাংকের শাখা কাউন্টার, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, ট্যাপসহ বিভিন্ন মোবাইল আর্থিক সেবা এবং ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ও সেবা ফি জমা দেওয়া যাচ্ছে।