ঢাকা ০৪:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুপালি মৎস্যের স্বনির্ভর দেশ’—চকরিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু মসজিদ রক্ষায় এক পায়ে লড়া, সেই সাহসী নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইবি ছাত্রদলের কঠোর অবস্থান এখানকার সরকার আমি, কোন চাঁদাবাজি আমার আসনে চলবে না-আমির হামজা এমপি ৩ শর্তে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান আমরা প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম: হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি যমুনায় জাল চুরি সন্দেহে ধাওয়া পিটিয়ে ১ জনকে হত্যা আহত ২ বাংলাদেশের জেন-জি: দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক জাগরণ? প্যারিসে এফবিজেএর ‘জুলাই ডায়লগ স্মৃতি থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রত্যাশা। ফেনীর চার অপহরণ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগ একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে–প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬ ৯০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থপাচার না হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে দেশের সমতল এলাকায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রথম সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো।

ভাবে যদি অর্থপাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর) অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। তবে আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।’

সভায় প্রধানমন্ত্রী সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য থাকবে না।’

সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। কাউকে আলাদা মনে করেন না।

এ সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নেতারা তাদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের দাবি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আইনগতভাবে ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসতি থেকে উচ্ছেদ বন্ধের দাবি জানান।

প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর আমাদের সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই এর উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার। অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।’

২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর আরোপিত কর হ্রাসের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আওয়ামী লীগ একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে–প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৭:০৫:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থপাচার না হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে দেশের সমতল এলাকায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

সভায় এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রথম সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো।

ভাবে যদি অর্থপাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর) অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। তবে আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।’

সভায় প্রধানমন্ত্রী সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য থাকবে না।’

সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান। কাউকে আলাদা মনে করেন না।

এ সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নেতারা তাদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের দাবি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আইনগতভাবে ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসতি থেকে উচ্ছেদ বন্ধের দাবি জানান।

প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর আমাদের সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই এর উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার। অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।’

২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর আরোপিত কর হ্রাসের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন।