ঢাকা ০৪:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুপালি মৎস্যের স্বনির্ভর দেশ’—চকরিয়ায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু মসজিদ রক্ষায় এক পায়ে লড়া, সেই সাহসী নেপালি যুবককে পুরস্কৃত করল সৌদি আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ইবি ছাত্রদলের কঠোর অবস্থান এখানকার সরকার আমি, কোন চাঁদাবাজি আমার আসনে চলবে না-আমির হামজা এমপি ৩ শর্তে ভারত সফরে যাবেন তারেক রহমান আমরা প্রধানমন্ত্রীর চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম: হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি যমুনায় জাল চুরি সন্দেহে ধাওয়া পিটিয়ে ১ জনকে হত্যা আহত ২ বাংলাদেশের জেন-জি: দক্ষিণ এশিয়ার নতুন রাজনৈতিক জাগরণ? প্যারিসে এফবিজেএর ‘জুলাই ডায়লগ স্মৃতি থেকে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের প্রত্যাশা। ফেনীর চার অপহরণ মামলার পলাতক আসামি টেকনাফে র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

আইনি লড়াইয়ে বিজয়ী হলেন থালাপতি : তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:১৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ ১০২ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ভারতের তামিলনাড়ুতে কোরবানি ঈদসহ যেকোনো দিনে গরু ও বাছুর জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত মাদ্রাজ হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

সোমবার (১৩ জুলাই) দেওয়া এই আদেশে সর্বোচ্চ আদালত মন্তব্য করেন, হাইকোর্টের রায়ে কিছু বিষয় পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মে মাদ্রাজ হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ু সরকার সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ লিভ পিটিশন (এসএলপি) দায়ের করে। সেই আবেদনের শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর হওয়া আপাতত স্থগিত রাখেন।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে বলা হয়, দেশের প্রচলিত আইন নির্দিষ্ট শর্ত ও নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট শ্রেণির গবাদি পশু জবাইয়ের অনুমতি দেয়। তাই বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বিচারিক নির্দেশ বহাল রাখা আইনগতভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।

উল্লেখ্য, মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি জি আর স্বামীনাথন ও বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণনের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ ১৯৭৬ সালের একটি সরকারি আদেশের ভিত্তিতে রাজ্যজুড়ে গো-হত্যা নিষিদ্ধের নির্দেশ দিয়েছিল। ওই সরকারি আদেশের উদ্দেশ্য ছিল দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী করা।

রায়ে বিচারপতি স্বামীনাথন সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলেন, গরু, বাছুর এবং অন্যান্য দুধ উৎপাদনকারী গবা দিপশু জবাই রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া রাজ্যগুলোর দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি সংবিধান সভার বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ভারতীয় ঐতিহ্যে গরুকে দীর্ঘদিন ধরেই বিশেষ মর্যাদার প্রাণী হিসেবে দেখা হয়ে আসছে।

অন্যদিকে, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে বলেন, কোরবানি ঈদের মতো বড় ধর্মীয় উৎসবে শুধু সরকারি অনুমোদিত কসাইখানায় পশু জবাইয়ের শর্ত বাস্তবসম্মত নয়। কারণ উৎসবের সময় বিপুলসংখ্যক পশু জবাইয়ের প্রয়োজন মেটানোর মতো সক্ষমতা অধিকাংশ লাইসেন্সপ্রাপ্ত কসাইখানার নেই।

তামিলনাড়ু সরকারও আদালতে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে জানায়, রাজ্যের ‘তামিলনাড়ু পশু সংরক্ষণ আইন’ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিধিমালায় পশু জবাইয়ের স্থান, পদ্ধতি ও শর্ত নির্ধারণ করা হলেও সেখানে সব ধরনের গরু জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়নি।

সূত্র: এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আইনি লড়াইয়ে বিজয়ী হলেন থালাপতি : তামিলনাড়ুতে গরু জবাই নিষেধাজ্ঞা স্থগিত

আপডেট সময় : ০১:১৭:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ভারতের তামিলনাড়ুতে কোরবানি ঈদসহ যেকোনো দিনে গরু ও বাছুর জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত মাদ্রাজ হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।

সোমবার (১৩ জুলাই) দেওয়া এই আদেশে সর্বোচ্চ আদালত মন্তব্য করেন, হাইকোর্টের রায়ে কিছু বিষয় পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন রয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মে মাদ্রাজ হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে থালাপতি বিজয়ের নেতৃত্বাধীন তামিলনাড়ু সরকার সুপ্রিম কোর্টে বিশেষ লিভ পিটিশন (এসএলপি) দায়ের করে। সেই আবেদনের শুনানি শেষে সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের নির্দেশ কার্যকর হওয়া আপাতত স্থগিত রাখেন।

রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে আদালতে বলা হয়, দেশের প্রচলিত আইন নির্দিষ্ট শর্ত ও নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট শ্রেণির গবাদি পশু জবাইয়ের অনুমতি দেয়। তাই বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বিচারিক নির্দেশ বহাল রাখা আইনগতভাবে সমর্থনযোগ্য নয়।

উল্লেখ্য, মাদ্রাজ হাইকোর্টের বিচারপতি জি আর স্বামীনাথন ও বিচারপতি ভি লক্ষ্মীনারায়ণনের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ ১৯৭৬ সালের একটি সরকারি আদেশের ভিত্তিতে রাজ্যজুড়ে গো-হত্যা নিষিদ্ধের নির্দেশ দিয়েছিল। ওই সরকারি আদেশের উদ্দেশ্য ছিল দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী করা।

রায়ে বিচারপতি স্বামীনাথন সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে বলেন, গরু, বাছুর এবং অন্যান্য দুধ উৎপাদনকারী গবা দিপশু জবাই রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া রাজ্যগুলোর দায়িত্ব। পাশাপাশি তিনি সংবিধান সভার বিতর্কের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ভারতীয় ঐতিহ্যে গরুকে দীর্ঘদিন ধরেই বিশেষ মর্যাদার প্রাণী হিসেবে দেখা হয়ে আসছে।

অন্যদিকে, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে বলেন, কোরবানি ঈদের মতো বড় ধর্মীয় উৎসবে শুধু সরকারি অনুমোদিত কসাইখানায় পশু জবাইয়ের শর্ত বাস্তবসম্মত নয়। কারণ উৎসবের সময় বিপুলসংখ্যক পশু জবাইয়ের প্রয়োজন মেটানোর মতো সক্ষমতা অধিকাংশ লাইসেন্সপ্রাপ্ত কসাইখানার নেই।

তামিলনাড়ু সরকারও আদালতে তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে জানায়, রাজ্যের ‘তামিলনাড়ু পশু সংরক্ষণ আইন’ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিধিমালায় পশু জবাইয়ের স্থান, পদ্ধতি ও শর্ত নির্ধারণ করা হলেও সেখানে সব ধরনের গরু জবাইয়ের ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার কথা বলা হয়নি।

সূত্র: এনডিটিভি