কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রাথমিকভাবে সাতজন একক প্রার্থী মনোনীত করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংগঠনিক প্রস্তুতি ও তৎপরতা জোরদারের অংশ হিসেবে এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় পেকুয়া উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রাথমিকভাবে মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়।
মনোনীত প্রার্থীরা হলেন—বারবাকিয়া ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান এইচ এম বদিউল আলম জিহাদি, পেকুয়া সদর ইউনিয়নে উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন, রাজাখালী ইউনিয়নে অধ্যক্ষ মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, টইটং ইউনিয়নে মাওলানা হাসান শরিফ, মগনামা ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, উজানটিয়া ইউনিয়নে মাওলানা আবুল শরিফ এবং শিলখালী ইউনিয়নে মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াস।
সাতটি ইউনিয়নে প্রার্থী মনোনয়নের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির পাশাপাশি সাংগঠনিক শক্তি ও কার্যক্রম আরও জোরদার করার উদ্যোগ নিয়েছে দলটি। প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে অধিকাংশ ইউনিয়নে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে।
তবে রাজাখালী ইউনিয়নে প্রার্থী মনোনয়ন ঘিরে ভিন্ন চিত্র দেখা দিয়েছে। সেখানে জামায়াতের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণা দিয়েছেন গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলটির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির। তিনি স্বেচ্ছায় জামায়াতের সব পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে স্বতন্ত্রভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। তাঁর এ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজাখালী ইউনিয়নে জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইমতিয়াজ উদ্দিন বলেন, “কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইউনিয়ন পর্যায়ে নেতাকর্মীদের আরও সুসংগঠিত ও সক্রিয় করতে সাতজনকে চেয়ারম্যান পদে প্রাথমিকভাবে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রস্তুতির পাশাপাশি তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করাও এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।