ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যথাযথ মর্যাদায় ‘জুলাই দিবস’ পালন করছে তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদ্রাসা জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে কুবি ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি রাষ্ট্রবিরোধী গোপন কর্মকাণ্ডে’র দায়ে ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি ইসলামপুরে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান,ইসলামপুরে জামায়াতের গণমিছিল ও সমাবেশ জুলাই বিপ্লবের চেতনায় দীপ্ত ইসলামপুর: রক্তে কেনা নতুন ভোরে স্মরণের বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস র‍্যাব-১৫-এর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে অপহরণের শিকার তিন রোহিঙ্গা উদ্ধার, আটক ১ মা ও শিশু স্বাস্থ্যসেবায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে ইসলামপুরে কল্যাণ কেন্দ্র উদ্বোধনে সুলতান মাহমুদ বাবু মধ্যরাতে গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউটের আবাসিক হলে শিবিরের কর্মীদের উপর ছাত্রদলের হামলা চকরিয়া জমজম হাসপাতালের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

জুলাইতে ‘ফাইনাল খেলার’ হুঁশিয়ারি, উগ্র ভূমিকায় ছিল শাপলা ফোরাম

ইবি প্রতিনিধি :
  • আপডেট সময় : ১০:০৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ৫০ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জুলাই আন্দোলনকে নস্যাৎ করতে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা প্রণয়ন করে তৎকালীন প্রশাসন, আওয়ামীপন্থি শিক্ষক সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও শাপলা ফোরাম। ‘শাপলা ফোরাম’-এর ব্যানারে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে “আর নয় হেলাফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা” স্লোগান দিয়ে মিছিল করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। ২০২৪ সালের আজকের দিনে সাবেক প্রক্টর মাহবুব ও আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিছিলটি বের করা হয়। যখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সারাদেশব্যাপী চলছিল ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও নৈরাজ্য। এসময় ইবির জুলাইয়ের শক্তিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় শাপলা ফোরাম ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকালে বিপুলসংখ্যক আওয়ামীপন্থি শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ক্যাম্পাসে এসেই সকাল সাড়ে ৯টায় ভিসির বাংলোতে মিটিংয়ে বসেন এবং ছাত্রদের আন্দোলনকে দমন করার বিষয়ে রক্তস্নাত বইয়ে দেওয়ার জন্য শপথ বাক্য পাঠ করেন। তারই অংশ হিসেবে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকের সংগঠন শাপলা ফোরামের ব্যানারে ছাত্র আন্দোলনকে নৈরাজ্য দাবি করে ভিসির বাংলোর সামনে থেকে সাবেক প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমানের নেতৃত্বে ‘আর নয় হেলা ফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা’ শিরোনামে একটি প্রতিবাদ মিছিল শুরু করেন। যার একটি প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে। ভিডিও বিশ্লেষণে, মিছিলটি সায়েন্স ফ্যাকাল্টির সামনে আসলে ড. মাহবুবুল আরেফিন, ড. শেলীনা নাসরিনসহ অন্যান্যরা ‘আর নয় হেলাফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা’সহ বিভিন্ন উগ্র স্লোগান দিতে থাকে। এক পর্যায়ে মিছিলটি অনুষদ ভবনের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। সেখানেও বক্তারা উগ্র ভাষায় ছাত্রদের আন্দোলন প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়।

পরে বৈষম্য বিরোধীদের একটি মিছিল প্রধান ফটক থেকে ডায়না চত্বরের দিকে অগ্রসর হয়। সূত্র জানায়, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিছিলে হামলার লক্ষ্যে উদ্যত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন খান, আব্দুল হান্নান, ইব্রাহিম হোসেন সোনা, আব্দুস সালাম সেলিমসহ কয়েকজন কর্মকর্তা। পরবর্তীতে ছাত্র জনতার মিছিলে ব্যাপক উপস্থিতি দেখে তারা বিভিন্ন অনুষদে অবস্থান নেন। জানা যায়, এসময় প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন ও প্রফেসর ড. তপন কুমার জোদ্দারকে উদ্ধার করে আইসিটি বিভাগের প্রফেসর ড. জাহিদুল ইসলাম।

এ নিয়ে এক ফেসবুক পোস্টে ইবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূর উদ্দীন বলেন, “আর নয় হেলাফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা”—৪ আগস্ট ইবি ক্যাম্পাসে উচ্চারিত সেই স্লোগান ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে। ইতিহাস শুধু স্লোগান মনে রাখে না, কে কোন অবস্থানে ছিল—সেটিও মনে রাখে। জুলাইয়ের রক্ত ক্ষমতার পালাবদলের জন্য ঝরেনি; ঝরেছিল ন্যায়বিচারের জন্য। তাই আজও প্রশ্ন—সেদিনের ঘটনাগুলোর জবাবদিহি কোথায়? তৎকালীন প্রক্টর আজাদ স্যার আন্দোলনকারীদের জঙ্গি বলেছিলো এবং সেদিনের মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্নগুলো দীর্ঘদিন ধরে উঠছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। আসকারী, মাহবুব গংদের ঘিরে প্রভাব বা আশ্রয়-প্রশ্রয়ের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা রয়েছে, আলতাফকে যেমন জামাতপন্থী শিক্ষক নাজিম সাহেবরা শেল্টার দিচ্ছে, তেমনি স্থানীয় নেতারা তার জন্য সুপারিশ করেছে। সে আবার বড়ত্ব দেখিয়ে বলে তার অমুক ভাই, তমুক চাচারা সরকার দলের লোক!

তিনি আরও বলেন, আমরা জানতে চাই আলতাফদের মতো লোককে যদি শেল্টার দেয়ার এতো লোক থাকে তাহলে সেই রাঘববোয়ালদের জন্য কারা শেল্টারের ব্যবস্থা করেছে? বিপ্লব কখনো বিচারহীনতার সঙ্গে আপস করে না। ব্যক্তি নয়, ন্যায়বিচার বড়। পদ নয়, সত্য বড়। কোনো প্রভাব, কোনো পরিচয়, কোনো ক্ষমতা যেন জবাবদিহির ঊর্ধ্বে না থাকে। রক্তের দাগ মুছে যায়, কিন্তু শহিদের রক্তের ঋণ মুছে যায় না। ইতিহাস অপেক্ষা করে—আর একদিন প্রত্যেককেই নিজের অবস্থানের হিসাব দিতে হয়।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সাবেক প্রধান সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, “ইবিতে জুলাই বিরোধী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের উল্লেখযোগ্য কোনো বিচার হয়নি। তারা বহাল তবিয়তে রয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে নিয়মিত ষড়যন্ত্রের নীলনকশা তৈরি করছে। অথচ এদের বিরুদ্ধে এখন অবধি তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। ইবিতে জুলাইয়ের সাথে স্পষ্ট বেইমানি করা হয়েছে, এখনও হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট দাবি জানাচ্ছি ফ্যাসিস্টের হোতা শাপলা ফোরামের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এছাড়া জানতে পেরেছি তাদেরকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি করে বলছি এ ধরনের কোন প্রচেষ্টা চালালে অচিরেই জুলাইয়ের শক্তিদের সাথে নিয়ে ফ্যাসিস্ট ও ফ্যাসিস্টের সহযোগীদের রুখে দেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুলাইতে ‘ফাইনাল খেলার’ হুঁশিয়ারি, উগ্র ভূমিকায় ছিল শাপলা ফোরাম

আপডেট সময় : ১০:০৬:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জুলাই আন্দোলনকে নস্যাৎ করতে ষড়যন্ত্রের নীল নকশা প্রণয়ন করে তৎকালীন প্রশাসন, আওয়ামীপন্থি শিক্ষক সংগঠন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও শাপলা ফোরাম। ‘শাপলা ফোরাম’-এর ব্যানারে জুলাইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে “আর নয় হেলাফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা” স্লোগান দিয়ে মিছিল করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। ২০২৪ সালের আজকের দিনে সাবেক প্রক্টর মাহবুব ও আওয়ামীপন্থি শিক্ষকদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মিছিলটি বের করা হয়। যখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সারাদেশব্যাপী চলছিল ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও নৈরাজ্য। এসময় ইবির জুলাইয়ের শক্তিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় শাপলা ফোরাম ও বঙ্গবন্ধু পরিষদ।

জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকালে বিপুলসংখ্যক আওয়ামীপন্থি শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ক্যাম্পাসে এসেই সকাল সাড়ে ৯টায় ভিসির বাংলোতে মিটিংয়ে বসেন এবং ছাত্রদের আন্দোলনকে দমন করার বিষয়ে রক্তস্নাত বইয়ে দেওয়ার জন্য শপথ বাক্য পাঠ করেন। তারই অংশ হিসেবে আওয়ামীপন্থি শিক্ষকের সংগঠন শাপলা ফোরামের ব্যানারে ছাত্র আন্দোলনকে নৈরাজ্য দাবি করে ভিসির বাংলোর সামনে থেকে সাবেক প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমানের নেতৃত্বে ‘আর নয় হেলা ফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা’ শিরোনামে একটি প্রতিবাদ মিছিল শুরু করেন। যার একটি প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে। ভিডিও বিশ্লেষণে, মিছিলটি সায়েন্স ফ্যাকাল্টির সামনে আসলে ড. মাহবুবুল আরেফিন, ড. শেলীনা নাসরিনসহ অন্যান্যরা ‘আর নয় হেলাফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা’সহ বিভিন্ন উগ্র স্লোগান দিতে থাকে। এক পর্যায়ে মিছিলটি অনুষদ ভবনের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়। সেখানেও বক্তারা উগ্র ভাষায় ছাত্রদের আন্দোলন প্রতিহত করার ঘোষণা দেয়।

পরে বৈষম্য বিরোধীদের একটি মিছিল প্রধান ফটক থেকে ডায়না চত্বরের দিকে অগ্রসর হয়। সূত্র জানায়, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিছিলে হামলার লক্ষ্যে উদ্যত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন খান, আব্দুল হান্নান, ইব্রাহিম হোসেন সোনা, আব্দুস সালাম সেলিমসহ কয়েকজন কর্মকর্তা। পরবর্তীতে ছাত্র জনতার মিছিলে ব্যাপক উপস্থিতি দেখে তারা বিভিন্ন অনুষদে অবস্থান নেন। জানা যায়, এসময় প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্মন ও প্রফেসর ড. তপন কুমার জোদ্দারকে উদ্ধার করে আইসিটি বিভাগের প্রফেসর ড. জাহিদুল ইসলাম।

এ নিয়ে এক ফেসবুক পোস্টে ইবি শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নূর উদ্দীন বলেন, “আর নয় হেলাফেলা, এবার হবে ফাইনাল খেলা”—৪ আগস্ট ইবি ক্যাম্পাসে উচ্চারিত সেই স্লোগান ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে। ইতিহাস শুধু স্লোগান মনে রাখে না, কে কোন অবস্থানে ছিল—সেটিও মনে রাখে। জুলাইয়ের রক্ত ক্ষমতার পালাবদলের জন্য ঝরেনি; ঝরেছিল ন্যায়বিচারের জন্য। তাই আজও প্রশ্ন—সেদিনের ঘটনাগুলোর জবাবদিহি কোথায়? তৎকালীন প্রক্টর আজাদ স্যার আন্দোলনকারীদের জঙ্গি বলেছিলো এবং সেদিনের মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষকদের ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্নগুলো দীর্ঘদিন ধরে উঠছে, সেগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। আসকারী, মাহবুব গংদের ঘিরে প্রভাব বা আশ্রয়-প্রশ্রয়ের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা রয়েছে, আলতাফকে যেমন জামাতপন্থী শিক্ষক নাজিম সাহেবরা শেল্টার দিচ্ছে, তেমনি স্থানীয় নেতারা তার জন্য সুপারিশ করেছে। সে আবার বড়ত্ব দেখিয়ে বলে তার অমুক ভাই, তমুক চাচারা সরকার দলের লোক!

তিনি আরও বলেন, আমরা জানতে চাই আলতাফদের মতো লোককে যদি শেল্টার দেয়ার এতো লোক থাকে তাহলে সেই রাঘববোয়ালদের জন্য কারা শেল্টারের ব্যবস্থা করেছে? বিপ্লব কখনো বিচারহীনতার সঙ্গে আপস করে না। ব্যক্তি নয়, ন্যায়বিচার বড়। পদ নয়, সত্য বড়। কোনো প্রভাব, কোনো পরিচয়, কোনো ক্ষমতা যেন জবাবদিহির ঊর্ধ্বে না থাকে। রক্তের দাগ মুছে যায়, কিন্তু শহিদের রক্তের ঋণ মুছে যায় না। ইতিহাস অপেক্ষা করে—আর একদিন প্রত্যেককেই নিজের অবস্থানের হিসাব দিতে হয়।

এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সাবেক প্রধান সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, “ইবিতে জুলাই বিরোধী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের উল্লেখযোগ্য কোনো বিচার হয়নি। তারা বহাল তবিয়তে রয়েছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে নিয়মিত ষড়যন্ত্রের নীলনকশা তৈরি করছে। অথচ এদের বিরুদ্ধে এখন অবধি তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি প্রশাসন। ইবিতে জুলাইয়ের সাথে স্পষ্ট বেইমানি করা হয়েছে, এখনও হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট দাবি জানাচ্ছি ফ্যাসিস্টের হোতা শাপলা ফোরামের বিরুদ্ধে শক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এছাড়া জানতে পেরেছি তাদেরকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি করে বলছি এ ধরনের কোন প্রচেষ্টা চালালে অচিরেই জুলাইয়ের শক্তিদের সাথে নিয়ে ফ্যাসিস্ট ও ফ্যাসিস্টের সহযোগীদের রুখে দেওয়া হবে।