ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মহেশখালীতে স্বমীর হাতে স্ত্রী খুন, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ চকরিয়া হারবাংয়ে বন্যার্তদের মাঝে জামায়াত নেতা ফারুকের কাপড় বিতরণ কুবিতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত রামুতে পুলিশের চেকপোস্টে ধরা পড়ল বিদেশি পিস্তলসহ অস্ত্রধারী ‎শান্তিগঞ্জে প্রশিক্ষণ আছে, কর্মসংস্থান নেই: বেকারত্বের বোঝা বইছেন শতাধিক তরুণ-তরুণী ‎ কুবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা; বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রতিক্রিয়া কুবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা চকরিয়ার বরইতলীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা চকরিয়ার বরইতলীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রেসিডেন্সিয়াল ন্যাশনাল সার্ভিস অনার অ্যাওয়ার্ড পেলেন নবযুগ সম্পাদক সাগর

কুবিতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

কুবি প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৩২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী সংগঠন ‘এনথ্রোপলজি সোসাইটি’-এর উদ্যোগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম। এছাড়াও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে নৃবিজ্ঞান বিভাগের সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অনুভুতি প্রকাশ করে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থী সাদিয়া জাফরিন বলেন, “নবীনদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির মধ্য দিয়ে আমাদের জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। লাল মাটির এই ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্পাসকে আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণের আঙিনা হিসেবে দেখি। নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা মানুষকে জানতে, সমাজকে বুঝতে এবং সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিদায়ী শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে বিদায় জানাতে গিয়ে আজ আনন্দের পাশাপাশি এক ধরনের নস্টালজিয়াও কাজ করছে। ২০১৯ সালে অচেনা পরিবেশে শুরু হওয়া এই পথচলা আজ অসংখ্য স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ। নৃবিজ্ঞানের শিক্ষা আমাদের শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, মানুষ, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যকে সম্মান করতে শিখিয়েছে। প্রিয় শিক্ষক, সহপাঠী ও বিভাগের সবার প্রতি আমরা আজীবন কৃতজ্ঞ। জুনিয়রদের প্রতি আহ্বান থাকবে—সততা, পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সঙ্গে বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে। ক্যাম্পাস ছেড়ে গেলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও নৃবিজ্ঞান বিভাগ আমাদের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবে।”

এনথ্রোপলজি সোসাইটির সহসভাপতি তানজিনা সারোয়ার সেতু বলেন, “আজকের এই দিন একই সঙ্গে আমাদের জন্য আনন্দের এবং হারানোর। নবীনরা উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে এসেছে। একই সঙ্গে আজ একটি প্রবীণ ব্যাচ আমাদের কাছ থেকে বিদায় নেবে। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, আপনারা আপনাদের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। নৃবিজ্ঞান বিভাগের সকল সিনিয়র ব্যাচ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনে নিজেদের মেধা ও সৃজনশীলতার পরিচয় রেখেছে। আমরা আশা করি, আপনারাও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “নৃবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নের মূল লক্ষ্য হলো সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে সম্মান করা, মানুষের বহুমাত্রিক পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়া এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সমাজকে উপলব্ধি করা। শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন ও পরিবেশ-সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে প্লাস্টিক ও পলিথিনমুক্ত রাখতে শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে সহশিক্ষা কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বিকাশে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিন বলেন, “বিদায় সবসময়ই কিছুটা কষ্টের। তবে এটি জীবনের একটি স্বাভাবিক অধ্যায়। বিদায়ী ব্যাচের সঙ্গে আমাদের শিক্ষক ও জুনিয়রদের অসংখ্য সুন্দর স্মৃতি জড়িয়ে আছে, যা সবসময় মনে থাকবে। আমি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। তারা যেন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। একই সঙ্গে আমি তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই বিভাগ সবসময় তাদের আপন ঠিকানা হয়ে থাকবে। যেকোনো প্রয়োজনে তারা বিভাগের শিক্ষক ও পরিবারের মতো সবার সহযোগিতা পাবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

কুবিতে নৃবিজ্ঞান বিভাগের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৭:৩২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী সংগঠন ‘এনথ্রোপলজি সোসাইটি’-এর উদ্যোগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম এবং সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম। এছাড়াও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয়। পরে নৃবিজ্ঞান বিভাগের সপ্তাহব্যাপী আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে অনুভুতি প্রকাশ করে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থী সাদিয়া জাফরিন বলেন, “নবীনদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির মধ্য দিয়ে আমাদের জীবনের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। লাল মাটির এই ঐতিহ্যবাহী ক্যাম্পাসকে আমরা আমাদের স্বপ্ন পূরণের আঙিনা হিসেবে দেখি। নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে আমরা মানুষকে জানতে, সমাজকে বুঝতে এবং সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে ধারণ করে মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ, যোগ্য ও মানবিক নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে তুলে দেশ ও জাতির সেবায় নিয়োজিত হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছি।”

নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিদায়ী শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকে বিদায় জানাতে গিয়ে আজ আনন্দের পাশাপাশি এক ধরনের নস্টালজিয়াও কাজ করছে। ২০১৯ সালে অচেনা পরিবেশে শুরু হওয়া এই পথচলা আজ অসংখ্য স্মৃতি, অভিজ্ঞতা ও শিক্ষায় সমৃদ্ধ। নৃবিজ্ঞানের শিক্ষা আমাদের শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, মানুষ, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যকে সম্মান করতে শিখিয়েছে। প্রিয় শিক্ষক, সহপাঠী ও বিভাগের সবার প্রতি আমরা আজীবন কৃতজ্ঞ। জুনিয়রদের প্রতি আহ্বান থাকবে—সততা, পরিশ্রম ও নিষ্ঠার সঙ্গে বিভাগের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখবে। ক্যাম্পাস ছেড়ে গেলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও নৃবিজ্ঞান বিভাগ আমাদের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবে।”

এনথ্রোপলজি সোসাইটির সহসভাপতি তানজিনা সারোয়ার সেতু বলেন, “আজকের এই দিন একই সঙ্গে আমাদের জন্য আনন্দের এবং হারানোর। নবীনরা উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আমাদের মাঝে এসেছে। একই সঙ্গে আজ একটি প্রবীণ ব্যাচ আমাদের কাছ থেকে বিদায় নেবে। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে, আপনারা আপনাদের ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ সাফল্য অর্জনের চেষ্টা করবেন। পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবেন। নৃবিজ্ঞান বিভাগের সকল সিনিয়র ব্যাচ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনে নিজেদের মেধা ও সৃজনশীলতার পরিচয় রেখেছে। আমরা আশা করি, আপনারাও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবেন।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “নৃবিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নের মূল লক্ষ্য হলো সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে সম্মান করা, মানুষের বহুমাত্রিক পরিচয়কে স্বীকৃতি দেওয়া এবং বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সমাজকে উপলব্ধি করা। শিক্ষার্থীদের শুধু একাডেমিক ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন ও পরিবেশ-সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে প্লাস্টিক ও পলিথিনমুক্ত রাখতে শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সঙ্গে সহশিক্ষা কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বিকাশে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেদের দক্ষ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সহযোগী অধ্যাপক শামীমা নাসরিন বলেন, “বিদায় সবসময়ই কিছুটা কষ্টের। তবে এটি জীবনের একটি স্বাভাবিক অধ্যায়। বিদায়ী ব্যাচের সঙ্গে আমাদের শিক্ষক ও জুনিয়রদের অসংখ্য সুন্দর স্মৃতি জড়িয়ে আছে, যা সবসময় মনে থাকবে। আমি বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। তারা যেন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। একই সঙ্গে আমি তাদের স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, এই বিভাগ সবসময় তাদের আপন ঠিকানা হয়ে থাকবে। যেকোনো প্রয়োজনে তারা বিভাগের শিক্ষক ও পরিবারের মতো সবার সহযোগিতা পাবে।”