চুপ্পুকে সেফ এক্সিট দিতে চায় বিএনপি: আখতার হোসেন
- আপডেট সময় : ০৭:৪০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বিএনপির সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বোঝাপড়া ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পরও শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে রাষ্ট্রপতির পদে বহাল রাখা হয়েছে এবং তাকে একটি ‘সেফ এক্সিট’ দিতে চাওয়া হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কমান্ড রেসপন্সিবিলিটির জায়গা থেকে গণহত্যা ঠেকানোর সুযোগ থাকলেও তিনি তা করেননি; বরং শেখ হাসিনার সহযোগী হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে জড়িয়েছেন। এমনকি লন্ডনে গিয়েও তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে দাবি করেন।
রোববার (২৬ জুলাই) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশক্তির আয়োজনে ‘রিমেম্বারিং জুলাই’ শীর্ষক ফটো এক্সিবিশনে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের সামনে চব্বিশের আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরা।
আখতার হোসেন বলেন, শাহাবুদ্দিন চুপ্পু শুধু ফ্যাসিবাদের প্রতীক নন, তিনি একজন লুটেরা। তিনি ইসলামী ব্যাংক দখল করে এস আলামের হাতে তুলে দিয়েছেন, বিদেশে সম্পদ ও স্থায়ী আবাস গড়েছেন। এছাড়া শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র নিয়ে তিনি ভিন্ন সময়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করেছেন। এমন একজন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির পদে থাকার যোগ্য নন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে রাষ্ট্রকাঠামোর সংস্কার প্রয়োজন। গণভোটে জনগণ সংস্কারের পক্ষে রায় দিলেও বিএনপি সরকার গঠনের পর সেই ম্যান্ডেট বাস্তবায়নে এগোয়নি। বরং সংসদে ও সংসদের বাইরে গণভোটের রায়ের বিরোধিতা করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারছেন, যা ইতিবাচক। তবে এখনো কিছু প্রভাবশালী শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। ছাত্রলীগের মতো আর কাউকে ক্যাম্পাস বা হল দখল করতে দেওয়া হবে না। জাতীয় ছাত্রশক্তি কখনো হল দখল করবে না; কেউ চেষ্টা করলে সবার আগে তারাই প্রতিবাদ করবে বলে জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসানের সভাপতিত্বে ও সদস্য-সচিব ইফতেহার উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার ও ডা. মাহমুদা মিতুসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।




















