নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারে সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক সোলাইমান বাদশার নের্তৃত্বে তার ভাই শীর্ষ সন্ত্রাসী জিয়াবুল, সেলিম, রুবেল দেলু গ্যাং বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সংঘবদ্ধ এই চক্রটি সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মাধ্যমে খুরুশকুলে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে।
এই সংঘবদ্ধ চক্রের নের্তৃত্বে রয়েছে কক্সবাজার জেলা সেচ্ছাসেবক দলের সোলাইমান বাদশা।
সে তার ভাই শীর্ষ সন্ত্রাসী ১৭ মামলার আসামী জিয়াবুল, হত্যা মামলাসহ ৮ মামলার আসামী সেলিম, ভূমি দখল চক্রের মুল হুতা রুবেল, দেলুর মাধ্যমে খুরুশকুলে অপরাধের রাজত্ব কায়েম করেছে।
সোলাইমান বাদশা কক্সবাজার সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক কখনো সরাসরি কখনো পরোক্ষভাবে বিচারকের ভূমিকা পালন করে আসছে এবং তাদেরকে সহায়তা করে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। তারা এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাজি সহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের মাধ্যমে এলাকার মানুষ্কে জিম্মি করে রেখেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন আমরা কেউ কথা বলতে পারিনা। কথা বললে আমাদের উপর তার বাহিনী জিয়াবুল গ্যাং আমাদের উপর হামলা করে প্রানে মারার হুমকি দেই।
রুবেল কায়সার প্রকাশ জোর খতিয়ান এই সংঘবদ্ধ চক্রের অন্যতম মূলহুতা যিনি তাদের মানুষের জমির সমস্যার সন্ধান দেন। তিনি তাদেরকে জমির সমস্যার সন্ধান দিয়ে তাদের উপর চওড়া করে এবং ঐ জমি বিক্রি করতে বাধ্য করেন নইত মোটা অংকের টাকা দাবি করে এলাকার মানুষকে হয়রানি করে।
স্থানীয়রা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, এলাকায় এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে সোলাইমান বাদশা ও রুবেল গ্রুপ আমাদের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে। জায়গা বিক্রি করতে গেলে চাঁদাবাজি করে চাঁদা না দিলে ঐ চক্র বিভিন্নভাবে হয়রানি করে এমনকি পুরাতন বসভিটা পর্যন্ত কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে হয়রানির মাধ্যমে।
খুরুশকুলে এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সোলাইমান বাদশা ও রুবেল গ্রুপ বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর এলাকায় আগের চেয়ে বেশি সক্রিয় হয়ে উঠেছে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। সে দলের ক্ষমতা ব্যবহার করে চক্রটিকে আরও গতিশীল করে মানুষের জমি দখল ও চাঁদাবাজি করে আসছে। যা সাধারণ মানুষকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছউ ভুক্তভোগী জানান, আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি তাদের যন্ত্রণায়। এলাকায় তারা সংঘবদ্ধ হয়ে অনেক পরিবারকে এলাকাছাড়া করেছে জমি তাদেরকাছে বিক্রি করতে বাধ্য করে। খুরুশকুলে কোন জমি তাদের চাঁদা ছাড়া বিক্রি করতে পারেনা। হয়ত তাদের চাঁদা দিতে হবে না হয় তাদের অল্পমূল্যে জায়গা বিক্রি করে দিতে হবে। টার্গেট করেবেসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে অনেক হিন্দু মুসলিম পরিবারকে এলাকাছাড়া করেছে।
এলাকায় জোর খতিয়ান লহ্যাত রুবেল ও তার সহযোগী দেলু জমির মালিকের সাথে জায়গা পাওয়ার কথা বলে ঝামেলা তৈরি করে একটি দলিলে যত আন্দর দাগ রয়েছে তার প্রতিটি জমিতে। পরে বিচার গ্রুপের নের্তৃত্বে থাকা সোলাইমান বাদশা ও তার সদস্যরা তাতে শালিশের মাধ্যমে তাদের পক্ষে রায় প্রদান করে যা মানুষের জীবনকে অনিরাপদ করে তুলেছে।
যাহোক, এই চক্রের নামে মামলা থাকার পরেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোণ ব্যবস্থা গ্রহন না করাই এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়টি জানতে চাইলে কক্সবাজার মডেল থানার ওসি ছমিউদ্দীন অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়ার মত কথা বলেন। কিন্তু বাস্তবে তা ভিন্ন।
এ বিষয়ে কক্সবাজার পুলিশ সুপার সাজেদুর রহমান বলেন, জিয়াবুল বাহিনীর বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। আমরা এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিব
আব্দুল মান্নান জেলা প্রশাসক কক্সবাজার বলেন, আমরা পুলিশ সুপারকে অবগত করে ব্যবস্থা নিব।