নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজার সুগন্ধা বীচে গত ০৫ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশের উপর ভিত্তি করে সুগন্ধার সকল দোকান উচ্ছেদ করা হয়।দোকান উচ্ছেদের কয়েকদিন পর ঈদ মৌসুমে দোকানদারের পরিবারের তাগিদে নিজেদের অবস্থান থেকে দোকান খুলে কিছু টাকা উপার্জনের আশায়।নীলিমার পাশের কয়েকটা ঝুপড়ি দোকানে প্রতিদিন রাতে মদ খেয়ে চাঁদা দাবি করতে যায় জুলাই যোদ্ধা নামদারী সমন্বয়ক আলমগীর চৌধুরী।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকা স্বত্বেও প্রতিনিয়ত দোকানে চাদাঁ তুলতে যাওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ করে এবং বাধার সম্মুখীনে হয়ে চলে আসে।গত পরশুদিন কক্সবাজারের সাবেক সমন্বয়ক সুগন্ধা বীচে দোকান দখলে গিয়ে ব্যবসায়িদের বাধাঁর সম্মুখীন হয় সে।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে টেন্ডারবাজি ও জোরপূর্বক টেন্ডার নেয়ার কনট্রাক এবং পৌরসভায় লাইসেন্স বাণিজ্যের অভিযোগ আছে।সাবেক ডিসির নতুন কার্ড বানিজ্যের মাধ্যমে সুগন্ধা এলাকার কার্ড বানিজ্য করে লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে এমন অভিযোগও জনমনে প্রচলন রয়েছে।
গত ৫ আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানের আগেও যে আলমগীর সামান্য ৫ হাজার টাকার বেতনে পুলিশ সুপারের মোড়ে ফটোকপির দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো গত দেড় বছরে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে আজ বড় বড় নেতাকর্মীদের সাথে ফাইভ স্টার হোটেলে আড্ডা থেকে শুরু করে বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পুঁজি খাটিয়ে আজ অনেক বড় মাপের মানুষে পরিণত হয়েছে।
জুলাই যোদ্ধা প্রভাব খাটিয়ে কক্সবাজার কলাতলী বীচের ডিবাইন হোটেলের সামনে বিশ টা চেয়ার দখল করে এই সমন্বয়ক আলমগীর কক্সবাজারে সুগন্ধা বীচে দোকান দখলে নিতে মরিয়া সমন্বয়ক নামধারী আলমগীর।
কক্সবাজার সুগন্ধা বীচে গত ০৫ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশের উপর ভিত্তি করে সুগন্ধার সকল দোকান উচ্ছেদ করা হয়।দোকান উচ্ছেদের কয়েকদিন পর ঈদ মৌসুমে দোকানদারের পরিবারের তাগিদে নিজেদের অবস্থান থেকে দোকান খুলে কিছু টাকা উপার্জনের আশায়।নীলিমার পাশের কয়েকটা ঝুপড়ি দোকানে প্রতিদিন রাতে মদ খেয়ে চাঁদা দাবি করতে যায় জুলাই যোদ্ধা নামদারী সমন্বয়ক আলমগীর চৌধুরী।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকা স্বত্বেও প্রতিনিয়ত দোকানে চাদাঁ তুলতে যাওয়ার ফলে ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ করে এবং বাধার সম্মুখীনে হয়ে চলে আসে।গত পরশুদিন কক্সবাজারের সাবেক সমন্বয়ক সুগন্ধা বীচে দোকান দখলে গিয়ে ব্যবসায়িদের বাধাঁর সম্মুখীন হয়।যার একটি ভিডিও ইতিমধ্যে অনলাইনে পাবলিস্ট করা হয়েছে। তারই বিরোধিতা করতে সাবেক নামধারী সমন্বয়ক আলমগীর এখন মানহানির পন্থা অবলম্বন করেছে।
এছাড়াও তার বিরুদ্ধে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে টেন্ডারবাজি ও জোরপূর্বক টেন্ডার নেয়ার কনট্রাক এং পৌরসভায় লাইসেন্স বাণিজ্যের অভিযোগ আছে। সাবেক ডিসি সালাহউদ্দিনকে হাত করে সুগন্ধা এলাকার কার্ড বানিজ্য করে লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করেছে এমন অভিযোগও জনমনে প্রচলন রয়েছে।
গত ৫ আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানের আগেও যে আলমগীর সামান্য ৫ হাজার টাকার বেতনে পুলিশ সুপারের মোড়ে ফটোকপির দোকানে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো গত দেড় বছরে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে আজ বড় বড় নেতাকর্মীদের সাথে ফাইভ স্টার হোটেলে আড্ডা,প্রতি তিনমাস পর পর বিদেশ ভ্রমণ ও বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাদাবাজি করে এখন অনেক বড় মাপের ধনখুবেরে পরিণত হয়েছে। ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মানহানিকর বক্তব্যের জন্য আলমগীরকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান যুবদল নেতা শাহনেওয়াজ।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে, আলমগীর বিষয়টি সুরাহার হওয়ার কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
যুবদল নেতা শাহনেওয়াজ জানান, আমার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা,ভিত্তিহীন ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়েছি এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করছি।