চট্টগ্রামে যাত্রা শুরু করেছে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট অত্যাধুনিক এরিস্টোকেয়ার হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের।
সম্প্রতি দেশে ডেঙ্গু ও হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় সকল ধরনের রোগীদের সেবা নিশ্চিতে এরিস্টোকেয়ার হসপিটালের কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।
এতে রয়েছে ১০০ বেডের পাশাপাশি নবজাতকদের জন্য এনআইসিইউ, শিশুদের জন্য স্পেশাল পিআইসিইউ, হাম আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা ২০ বেডের হাম আইসোলেশন সেন্টার, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা বেড, আধুনিক সুবিধা সম্বলিত কেবিন। হসপিটালের কার্যক্রম চালু হওয়ার পর থেকে জটিল এবং সাধারণ রোগীরা এখান থেকে চিকিৎসা সেবা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন।
৮৩৭, মেহেদীবাগ রোডের পাশে ১০ তলার পূর্ণাঙ্গ এই হসপিটালে ২৪ ঘণ্টা ধরে রোগী ভর্তিসহ অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও নার্সরা চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন।
এ ব্যাপারে হাসপাতালের এমডি ডা. ফজল করিম বাবুল বলেন, ‘‘বর্তমানে ডেঙ্গু ও হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগীদের ভিড়। অনেক রোগী একটা বেডের জন্য হাসপাতালে ধর্না দিচ্ছেন। কিন্তু হাসপাতালে বেডের চেয়ে রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ার দরুণ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চাইলেও রোগী ভর্তি নিতে পারছেন না। তাছাড়া হাম আক্রান্তদের জন্য জরুরি হাইফ্লো অক্সিজেন প্রয়োজন পড়ছে। সবকিছু বিবেচনা করে আমরা চলতি বছরের ৩১ জুলাই ১০০ বেডের এই বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু করেছি।
আমাদের হাসপাতালে রয়েছে নবজাতকদের জন্য অত্যাধুনিক এনআইসিইউ, শিশুদের জন্য স্পেশাল পিআইসিইউ, হাম আক্রান্ত রোগীদের জন্য আলাদা ২০ বেডের হাম আইসোলেশন সেন্টার, ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা বেড ও সুপরিসর গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা।
এছাড়া আমাদের রয়েছে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও মেশিনে সমৃদ্ধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার। অসুস্থ রোগীদের নির্ভুল রোগ নির্ণয়ে আমাদের ডায়গনস্টিক সেন্টারের ডাক্তার এবং কর্মচারীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন।’’
তিনি আরো জানান, ‘‘আমরা চট্টগ্রামে সর্বপ্রথম উদ্বোধন করতে যাচ্ছি জিই কোম্পানির অত্যাধুনিক এক্সপার্টস সিরিজের আলট্রাসনোগ্রাফি মেশিন। এই মেশিনের মাধ্যমে শতভাগ ফিটাল এনোমিলি স্ক্যানিং করা সম্ভব। এছাড়া আমাদের রয়েছে চারটি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার। এই অপারেশন থিয়েটারে ল্যাপরোস্কপিক থেকে শুরু করে সব ধরনের অপারেশন চলমান রয়েছে। পাশাপাশি আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে এখানে চালু হবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের চেম্বার।’’
গরিব ও অসহায় রোগীদের ব্যাপারে তিনি জানান,‘‘ যদি কোন রোগীর আর্থিক অবস্থা খারাপ হয় সেক্ষেত্রে আমাদের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে রয়েছে স্পেশাল ডিসকাউন্ট। সব মিলিয়ে আমরা চেষ্টা করছি গতানুগতিক ধারার বাইরে এসে রোগীদের আধুনিক চিকিৎসা সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে।’’