কক্সবাজারের পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ ও স্লুইসগেট দ্রুত সংস্কার ও পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন তিনি। পরে সকাল ১০টার দিকে কুতুবদিয়া দ্বীপের বিভিন্ন এলাকার বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন।
দুপুর ১২টার দিকে পেকুয়ার মগনামা ইউনিয়নের শরৎঘোনা ও সোনালী বাজারের ৪১ নম্বর স্লুইসগেট পরিদর্শন করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি মগনামার বিভিন্ন বেড়িবাঁধ ও স্লুইসগেটের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর উপকূলীয় এলাকার বেড়িবাঁধ ও স্লুইসগেট সংস্কার ও পুনর্নির্মাণে উদ্যোগ নিয়েছে। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণে পেকুয়া-কুতুবদিয়ার উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে এবং বিভিন্ন সময়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তিনি বলেন, বেড়িবাঁধ ও স্লুইসগেট সংস্কার এবং পুনর্নির্মাণের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ নিয়মিত তাগাদা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কক্সবাজার ও টেকনাফের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এর ধারাবাহিকতায় পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার সমস্যাগুলো সরেজমিনে দেখতে তিনি নিজেও এসেছেন।
ফরহাদ হোসেন বলেন, যেখানে সংস্কার প্রয়োজন, সেখানে সংস্কার করা হবে। আর যেখানে পুনর্নির্মাণ প্রয়োজন, সেখানে পুনর্নির্মাণ করা হবে। আশা করছি, দ্রুত এসব কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ ও কার্যকর স্লুইসগেট গুরুত্বপূর্ণ। এসব অবকাঠামো ঠিক থাকলে উপকূলের মানুষ নির্বিঘ্নে লবণ ও মৎস্য চাষসহ বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গ্রামীণ মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উপকূলীয় মানুষের স্বার্থে বেড়িবাঁধ ও স্লুইসগেট নির্মাণ ও সংস্কারের কার্যক্রমকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহাফুজ্জুল্লাহ ফরিদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিএনপির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।