অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সকলকে নিয়ে আমরা একসঙ্গে চলতে চাই। সকলকে নিয়ে আমরা দেশের জন্য ভালো কিছু পরিবর্তন আনতে চাই।’
অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে বই উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রতিযোগিতায় যে সূরা তিলাওয়াত করে তাঁরা পুরস্কার অর্জন করেছেন, সেই সূরার আয়াত তাঁদের কণ্ঠে শোনেন তিনি।
সম্প্রতি সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশের ৩৩৪ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া চার প্রতিযোগীই নিজ নিজ বিভাগে পুরস্কার অর্জন করেন।
প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন। একই প্রতিযোগিতায় হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩০ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান লাভ করেন।
নারী বিভাগে হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান ১৫ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। আর হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩০ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় হন।
এর আগে গত ১৯ আগস্ট পবিত্র মসজিদুল হারামে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। প্রতিযোগিতাটি সৌদি আরবের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স, দাওয়াহ ও গাইডেন্স মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া পুরস্কার বিজয়ী হাফেজদের শিক্ষক কাইয়ুম মোল্ল্যা, মুঈনুদ্দীন মজুমদার, আবু বকর, সাজেদা খাতুন ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ থেকে অংশ নেওয়া চার প্রতিযোগীর চারজনই পুরস্কার অর্জন করায় আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় দেশের প্রতিনিধিদের সাফল্য আলোচনায় এসেছে।