ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রামুতে পিএফজি ও ওয়াইপিএজি’র সভায় বক্তারা:শান্তি, সম্প্রীতি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা জোরদারের দাবী  জুলাই শহীদদের স্মরণে কুবিতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের দোয়া ও ইসলাহী ইজতেমা ভারতের নতুন শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশি সরকার পতনের ডাক দিলেন রাহুল গান্ধী মাদারীপুরে স্ত্রীর পরকীয়ার জেরে কীটনাশক পানে যুবকের মৃত্যু বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্নপূরণে জাবিতে ‘হায়ার স্টাডি ৩৬০°’ শীর্ষক দিনব্যাপী সেমিনার আয়োজন নবীন বিতার্কিক তৈরির লক্ষ্যে কুবি ডিবেটিং সোসাইটির কর্মশালা মানবিক শওকত হোসেনের উদ্যোগে বাঁশখালীর বন্যাদুর্গত ১৫ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)-এর উদ্যোগে চকরিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ প্রজ্ঞাপনে পদ নেই সনদে সাল পরিবর্তন:ইসলামপুর মহলগিরী উচ্চ বিদ্যালয়ে তোলপাড়

ইসরায়েলের হাইফার পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬ ১২৫ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র আকার নিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি’ হামলার জবাবে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল ও রাসায়নিক কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। আল জাজিরা জানিয়েছে, এই হামলার পর অঞ্চলজুড়ে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। বাহিনীটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েল বেসামরিক স্থাপনা ও তেল শিল্পকে লক্ষ্যবস্তু করে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির সূচনা করেছে। ইরানের দাবি, সোমবার (৮ জুন) ইসরায়েল তাদের মাহশাহরের কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেঙ্ েহামলা চালানোর পর তারা পাল্টা জবাব দিয়েছে। এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক উৎপাদন করে। এর মধ্যে টলুইন ডাইআইসোসায়ানেটও রয়েছে, যা এই অঞ্চলে ইরানের অন্যতম বিশেষায়িত পণ্য। আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, বেসামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত থাকলে এর প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তাদের ভাষায়, “জায়নবাদী শত্রু একটি বিপজ্জনক খেলা শুরু করেছে। এর পরিধি পুরো অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে ঘিরে ফেলতে পারে এবং এর পরিণতি বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়বে।”
বাহিনীটির দাবি, এমন পরিস্থিতির দায় যুক্তরাষ্ট্রকেও বহন করতে হবে। তবে ইরানের এই হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইসরায়েল। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। রোববার (৭ জুন) লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলার পর ইরান ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। সে সময় আইআরজিসি জানিয়েছিল, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা আর মেনে নেওয়া হবে না এবং প্রয়োজনীয় জবাব দেওয়া হবে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে নতুন ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতে পারে। কারণ, এই অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আল জাজিরা বলছে, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলছে এবং অঞ্চলজুড়ে নতুন সংঘাতের শঙ্কা বাড়াচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ইসরায়েলের হাইফার পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় হামলার দাবি ইরানের

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা আরও তীব্র আকার নিয়েছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তাদের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় ‘যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি’ হামলার জবাবে ইসরায়েলের হাইফা শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল ও রাসায়নিক কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। আল জাজিরা জানিয়েছে, এই হামলার পর অঞ্চলজুড়ে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আইআরজিসির ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। বাহিনীটি এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েল বেসামরিক স্থাপনা ও তেল শিল্পকে লক্ষ্যবস্তু করে একটি বিপজ্জনক পরিস্থিতির সূচনা করেছে। ইরানের দাবি, সোমবার (৮ জুন) ইসরায়েল তাদের মাহশাহরের কারুন পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেঙ্ েহামলা চালানোর পর তারা পাল্টা জবাব দিয়েছে। এই শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক উৎপাদন করে। এর মধ্যে টলুইন ডাইআইসোসায়ানেটও রয়েছে, যা এই অঞ্চলে ইরানের অন্যতম বিশেষায়িত পণ্য। আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, বেসামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত থাকলে এর প্রভাব শুধু দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। তাদের ভাষায়, “জায়নবাদী শত্রু একটি বিপজ্জনক খেলা শুরু করেছে। এর পরিধি পুরো অঞ্চলের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকে ঘিরে ফেলতে পারে এবং এর পরিণতি বিশ্ব অর্থনীতিতেও পড়বে।”
বাহিনীটির দাবি, এমন পরিস্থিতির দায় যুক্তরাষ্ট্রকেও বহন করতে হবে। তবে ইরানের এই হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি ইসরায়েল। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। রোববার (৭ জুন) লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলার পর ইরান ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। সে সময় আইআরজিসি জানিয়েছিল, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা আর মেনে নেওয়া হবে না এবং প্রয়োজনীয় জবাব দেওয়া হবে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানি ও পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করার ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে নতুন ঝুঁকির দিকে ঠেলে দিতে পারে। কারণ, এই অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ফলে সংঘাত আরও বিস্তৃত হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আল জাজিরা বলছে, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলা পরিস্থিতিকে আরও অস্থির করে তুলছে এবং অঞ্চলজুড়ে নতুন সংঘাতের শঙ্কা বাড়াচ্ছে।