ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পরীক্ষা চলাকালীন এলো জীবনের স্মরণীয় খবর—বৃত্তি পেয়ে উচ্ছ্বসিত দুই শিক্ষার্থী কমিটিতে জায়গা না পেয়ে মসজিদে তালা মারার হুমকির অভিযোগ টঙ্গীতে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযানে অপহরণচক্রের মূলহোতা গ্রেফতার নাইক্ষ্যংছড়িতে ১৫০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করে ১১ বিজিবি ইবিতে আল হাদীস বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের বিদায় রাউজানের ডাবুয়ায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী প্রদান ইবি ডিবেটিং সোসাইটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন নদীভাঙনে ঘরহারা মানুষের পাশে চেয়ারম্যান প্রার্থী মুহাম্মদ তৈয়ব উল্লাহ ইবি ছাত্রদলের নতুন কমিটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে শুভেচ্ছা মিছিল নাইক্ষংছড়িতে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা

পরীক্ষা চলাকালীন এলো জীবনের স্মরণীয় খবর—বৃত্তি পেয়ে উচ্ছ্বসিত দুই শিক্ষার্থী

এম. আই. সৌরভ, স্টাফ রিপোর্টার , মাদারীপুর
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬ ৫৯ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ব্যস্ততার মধ্যেই জীবনের অন্যতম আনন্দের সংবাদ পেল মাদারীপুরের দুই শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বৃত্তিপ্রাপ্ত হওয়ার খবর শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে তারা।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার পূর্ব কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম এবং পশ্চিম কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আইনুন নাহার আক্তার সাইমা। বর্তমানে তারা দুজনই মাদারীপুর সদর উপজেলার খৈয়ার ভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আজ ১২ জুলাই ২০২৬ সারাদেশে বৃত্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়।

২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালীন সময়েই তারা নিজেদের বৃত্তি পাওয়ার সুখবর জানতে পারে। আকস্মিক এই সংবাদে তাদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি। শিক্ষক, সহপাঠী ও স্বজনরাও তাদের এ সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমার স্বপ্ন একজন চিকিৎসক হওয়া। গ্রামের অসহায় ও দরিদ্র মানুষ যাতে সহজে চিকিৎসাসেবা পায়, সে জন্য আমি একদিন তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই। মানুষের সেবা করাই আমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য।”

অন্যদিকে আইনুন নাহার আক্তার সাইমা বলেন, “আমার মা একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার ইচ্ছা রয়েছে। ভবিষ্যতে মেডিকেলে পড়াশোনা শেষ করে একজন দক্ষ চিকিৎসক হয়ে দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।”

স্থানীয় শিক্ষকদের মতে, এ ধরনের সাফল্য শুধু শিক্ষার্থী নয়, পুরো এলাকার জন্যই গর্বের বিষয়। তাদের এই অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদেরও পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

পরীক্ষা চলাকালীন এলো জীবনের স্মরণীয় খবর—বৃত্তি পেয়ে উচ্ছ্বসিত দুই শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৮:৪৬:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার ব্যস্ততার মধ্যেই জীবনের অন্যতম আনন্দের সংবাদ পেল মাদারীপুরের দুই শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর বৃত্তিপ্রাপ্ত হওয়ার খবর শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়ে তারা।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা হলেন মাদারীপুর জেলার ডাসার উপজেলার পূর্ব কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শরিফুল ইসলাম এবং পশ্চিম কমলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আইনুন নাহার আক্তার সাইমা। বর্তমানে তারা দুজনই মাদারীপুর সদর উপজেলার খৈয়ার ভাঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

আজ ১২ জুলাই ২০২৬ সারাদেশে বৃত্তির ফলাফল প্রকাশিত হয়।

২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা চলাকালীন সময়েই তারা নিজেদের বৃত্তি পাওয়ার সুখবর জানতে পারে। আকস্মিক এই সংবাদে তাদের মুখে ফুটে ওঠে আনন্দের হাসি। শিক্ষক, সহপাঠী ও স্বজনরাও তাদের এ সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে শরিফুল ইসলাম বলেন, “আমার স্বপ্ন একজন চিকিৎসক হওয়া। গ্রামের অসহায় ও দরিদ্র মানুষ যাতে সহজে চিকিৎসাসেবা পায়, সে জন্য আমি একদিন তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই। মানুষের সেবা করাই আমার জীবনের প্রধান লক্ষ্য।”

অন্যদিকে আইনুন নাহার আক্তার সাইমা বলেন, “আমার মা একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। ছোটবেলা থেকেই মানুষের সেবার ইচ্ছা রয়েছে। ভবিষ্যতে মেডিকেলে পড়াশোনা শেষ করে একজন দক্ষ চিকিৎসক হয়ে দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই।”

স্থানীয় শিক্ষকদের মতে, এ ধরনের সাফল্য শুধু শিক্ষার্থী নয়, পুরো এলাকার জন্যই গর্বের বিষয়। তাদের এই অর্জন অন্য শিক্ষার্থীদেরও পড়াশোনায় আরও উৎসাহিত করবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।