ডাকাত ধরতে গিয়ে যুবক গুরুতর আহত
মাতামুহুরীর রামপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি
- আপডেট সময় : ১০:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরিতে এক মাদ্রাসা সুপারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। লুট করে নিয়ে গেছে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মুল্যবান সামগ্রী। এসময় ডাকাতদের এলোপাতাড়ি কোপে আহত হয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় চমেক হাসপাতালে পাঞ্জা লড়ছে বাড়ির মালিকের ছেলে দিদার(২৪)।
আজ বুধবার (১ জুলাই) ভোর রাত সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার সাহার বিল ইউনিয়নের কাজলীবাপের চর এলাকার বাসিন্দা মওলানা আবদুল মোমেন হেলালীর বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
মাওলানা আবদুল মোমেন ঢেমুশিয়া মুহছেনিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেন্ডেন্ট বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে, মাওলানা আবদুল মোমেন মাদ্রাসার কাজে ঢাকায় অবস্থান কালে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে ডাকাতদল তার বাড়িতে হানা দেয়। স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও মুল্যবান সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির মালিকের ছেলে দিদারুল হক এক ডাকাত সদস্য কে ধরে পেলে। এসময় ডাকাতদলের অন্য সদস্যরা দিদার কে মাথায় ও শরীরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। আশেপাশের লোকজন এসে গুরুতর আহত দিদারকে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। তার অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায়, উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মাওলানা আবদুল মোমেনের কন্যা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মনি(১৬)নুরুল ইসলাম সুমন কে বলেন, “আমার আব্বু অফিসের কাজে ঢাকায় ছিলেন, মঙ্গলবার রাতে আমরা স্বাভাবিক নিয়মে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত সাড়ে তিনটার দিকে ডাকাতদল আমাদের বাড়িতে হানা দেয়। আম্মুর রুমের আলমারিতে রক্ষিত বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার, আমার আব্বু-আম্মুর হজ্জে যাওয়ার জন্য সংরক্ষিত ৮/১০ লাখ টাকা ও মুল্যবান কিছু সামগ্রী নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় আমার বড় ভাই দিদারুল হককে রামদা দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক ভাবে জখম করে।” বর্তমানে সে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে বলে জানান তিনি।
এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। অসহায় পরিবার দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ডাকাতদের গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।
চকরিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার অভিজিৎ দাশ জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের সনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য পুলিশ কাজ করেছে।













