চকরিয়ার বরইতলীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারকে খাদ্য সহায়তা
- আপডেট সময় : ১১:১২:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইএসডিই বাংলাদেশ।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে বরইতলী ইউনিয়নে এ খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়। সৌদি আরবের কিং সালমান হিউম্যানিটারিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টার (কেএসরিলিফ)-এর অর্থায়নে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করছে আইএসডিই বাংলাদেশ।
সংস্থাটি জানায়, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কক্সবাজারের চকরিয়া, পেকুয়া ও নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার মোট পাঁচ হাজার পরিবারের মাঝে পর্যায়ক্রমে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বরইতলী ইউনিয়নের ৫০০ পরিবারকে খাদ্য প্যাকেজ দেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি প্যাকেজে ছিল ১০ কেজি চাল, ৭ কেজি ডাল, ৩ লিটার সয়াবিন তেল, ৩ কেজি চিনি এবং ১ কেজি লবণ।
খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছালেকুজ্জমান, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। আইএসডিই বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কর্মসূচি সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম ও উপজেলা ব্যবস্থাপক জালাল উদ্দীন।
বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ছালেকুজ্জমান বলেন, বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে অনেক পরিবার এখনো সংগ্রাম করছে। এ ধরনের মানবিক সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।
আইএসডিই বাংলাদেশের কর্মসূচি সমন্বয়কারী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যায়ক্রমে সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত পাঁচ হাজার পরিবারের সবাইকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।
খাদ্য সহায়তা পাওয়া উপকারভোগীরা জানান, বন্যায় ঘরবাড়ি ও জীবিকার ক্ষতি হওয়ায় তারা চরম সংকটে পড়েছেন। এ সহায়তা তাঁদের পরিবারের খাদ্য চাহিদা পূরণে কিছুটা হলেও স্বস্তি এনে দিয়েছে।
আইএসডিই বাংলাদেশ জানায়, এর আগে হোস্ট কমিউনিটির প্রত্যন্ত অঞ্চল, বন্যাকবলিত এলাকা এবং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্পসহ প্রায় ৫৯ হাজার ৫০০ উপকারভোগীর মধ্যে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। দুর্যোগ ও মানবিক সংকটে থাকা মানুষের পাশে থেকে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।





















