কক্সবাজারের হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে অবৈধ দোকান স্থাপনা, মাসিক চাঁদাবাজি, প্রতারণা ও নারী নির্যাতনসহ নানা অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা জামাল খানের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রভাব খাটিয়ে হোটেল-মোটেল জোনের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে দোকান স্থাপনা গড়ে তুলেছেন। অভিযোগ রয়েছে, এসব দোকান থেকে নিয়মিত মাসিক চাঁদা আদায় করা হয়। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা এবং নারী নির্যাতনের মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এলাকাবাসীর দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তিনি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে বিভিন্ন অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে সাধারণ মানুষ ভয়ে অনেক সময় প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে পারছেন না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এসব কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অবৈধ স্থাপনা ও চাঁদাবাজির বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। একই সঙ্গে তারা চান, যেন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড চালাতে না পারে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।