নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে ৮ জন মিয়ানমার নাগরিক আটক
- আপডেট সময় : ০১:০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের অভিযোগে মিয়ানমারের আট জন নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর ৩ টার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ৪১ নং সীমান্ত পিলার সংলগ্ন গাছবুনিয়া নামক এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
বিজিবি বলছে,আটক ব্যক্তিরা নিজেদের মিয়ানমারের সদস্য বলে দাবি করেছেন।
সন্ধ্যায় তাদের নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন,১। মংবা তংচংগা (৩৪), পিতা-মংসাচিং, গ্রাম-মেদেক, ২। মংম (২০), পিতা-খিংলা, গ্রাম-মেডাই, ৩। কিংলা থুয়াইং (২১), পিতা-থিংসা মং, গ্রাম-মেডাই, ৪। রুপার (১৯), পিতা-মৃতঃ-মুরিংগা , গ্রাম-মেদেক, ৫। থাইংসা মং (৪০), পিতা-মৃত চাযাইলা , গ্রাম-ওয়াকেং, ৬। তুলি (২০), পিতা-থাইংসা মং, গ্রাম-ওয়াকেং, ৭। তানতানাইং (২০), পিতা-থাইংসা মং, গ্রাম-ওয়াকেং, ৮। মংতা নাইং (২০), পিতা-থাইংসা মং, গ্রাম-ওয়াকেং সবাই মিয়ানমারের মংডু জেলার ডেকিবুনিয়া, থানার বাসিন্দা।
তবে আটককৃত ব্যক্তিদের মধ্যে মংবা তংচংগা নামের একজন বাংলাদেশী নাগরিক হিসেবে তার ভু্য়া জাতীয় পরিচয় পত্র ও জম্ম নিবন্ধন বিজিবি’র নিকট উপস্থাপন করে।
এতে তার জাতীয় পরিচয় পত্র ও জন্ম নিবন্ধন পর্যাবেক্ষণে কোন মিল পাওয়া যায়নি।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মোজাম্মেল জানান , ‘কক্সবাজার ৩৪ বিজিবি ৮ জন মিয়ানমার নাগরিকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। সীমান্ত অনুপ্রবেশের ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে।
তারা মিয়ানমারের কোন বাহিনীর সদস্য কি না, তা যাচাই করা হচ্ছে।
ঘুমধুম সীমান্তের কয়েকজন বাসিন্দা জানান, আজ দুপুর ৩ টার দিকে মিয়ানমারের আটজন নাগরিক রাখাইন রাজ্যের কাঁটাতারের সীমানা অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
পরে সীমান্ত পিলার ৪১ নম্বর অতিক্রম করে গাছবুনিয়া এলাকায় এসে আশ্রয় নেন।
তারা ধারণা করেন তাদের নিজেদের রাখাইন রাজ্যের সংঘাতের কারণে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে এসেছেন বাংলাদেশে।
খবর পেয়ে কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির আওতাধীন রেজুপাড়া বিওপির টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে।
কক্সবাজার ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্নেল এস এম খায়রুল আলম পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, ‘আটক ব্যক্তিরা মিয়ানমারের নাগরিক তবে মিয়ানমারের কোন বাহিনীর সদস্য কি না,এ মুহূর্তে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদেরকে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।


















