ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মানবিক সংকটে ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে কক্সবাজার ইসলামী ছাত্রশিবির চকরিয়ায় ঝর্ণার মৃত্যু হলো বন্যার পানিতে কচ্ছপিয়ার নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে চেয়ারম্যান ইসমাইল নদীভাঙন এলাকা ঘুরে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস- এমপি কাজলের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও দলীয় পদে পুনর্বহালের দাবিতে টঙ্গীতে প্রতিবাদ সভা অ্যাক্সিস ডেন্টাল স্কুলের নতুন প্রেসিডেন্ট হোসনা মাহারু অপর্ণা সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছাড়লেন আটকে পড়া আরো ৩১১ পর্যটক হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার উপায় খুঁজে পাচ্ছেনা ট্রাম্প ভারতের উজান থেকে প্রবল গতিতে ধেয়ে আসছে পানি : নিম্নাঞ্চল প্লাবিত সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস

কচ্ছপিয়ার নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে চেয়ারম্যান ইসমাইল

মো:জাবেদুল আনোয়ার, কক্সবাজার
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ভিশনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বাঁকখালী নদী এবং দোছড়ী এলাকায় দোছড়ী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল নোমান।

পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন প্রতিরোধে অস্থায়ী মেরামত কাজের জন্যও আর্থিক অনুদান দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা চেয়ারম্যানকে জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বাঁকখালী নদী এবং দোছড়ী এলাকায় দোছড়ী নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন বসতভিটা, আবাদি জমি, গ্রামীণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

এ সময় চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল নোমান বলেন, “নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট আমি সরেজমিনে দেখেছি। তাদের এই দুর্দশা লাঘবে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। তাই সাময়িক নয়, স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বয়ে একটি টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি।

পরিদর্শন শেষে চেয়ারম্যান ইউনিয়নের অন্যান্য ভাঙনকবলিত এলাকাও ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত সরকারি প্রকল্প গ্রহণ এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণই এখন সবচেয়ে জরুরি। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে আর্থিক সহায়তা, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস

কচ্ছপিয়ার নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে চেয়ারম্যান ইসমাইল

আপডেট সময় : ০৭:৩০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বাঁকখালী নদী এবং দোছড়ী এলাকায় দোছড়ী নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল নোমান।

পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ব্যক্তিগত উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। পাশাপাশি জরুরি ভিত্তিতে নদীভাঙন প্রতিরোধে অস্থায়ী মেরামত কাজের জন্যও আর্থিক অনুদান দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা চেয়ারম্যানকে জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে চেয়ারম্যানপাড়া এলাকায় বাঁকখালী নদী এবং দোছড়ী এলাকায় দোছড়ী নদীর ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন বসতভিটা, আবাদি জমি, গ্রামীণ সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে আরও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

এ সময় চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল নোমান বলেন, “নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কষ্ট আমি সরেজমিনে দেখেছি। তাদের এই দুর্দশা লাঘবে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। বিষয়টি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নজরে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য আমি সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, নদীভাঙন একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। তাই সাময়িক নয়, স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সমন্বয়ে একটি টেকসই প্রকল্প বাস্তবায়ন জরুরি।

পরিদর্শন শেষে চেয়ারম্যান ইউনিয়নের অন্যান্য ভাঙনকবলিত এলাকাও ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন।

এলাকাবাসী চেয়ারম্যানের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত সরকারি প্রকল্প গ্রহণ এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণই এখন সবচেয়ে জরুরি। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।