,

দোয়ারাবাজারে বিদ্যুৎ অফিসের ভুতুড়ে আর ভুয়া বিলে গ্রাহকেরা অতিষ্ঠ :

মিটার রিডিং না দেখেই অফিসে বসে বিল তৈরির অভিযোগ

এম এ মোতালিব ভুঁইয়া :

দোয়ারাবাজারে বিদ্যুৎ অফিসের দেয়া ভুতুরে আর ভুয়া বিলে গ্রাহকেরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। রক্ষক ভক্ষকের ভূমিকায় অবতির্ন হলে যা হয়, তেমনটাই হয়েছে
পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। মিটার রিডিং না দেখেই অফিসে বসে বিল তৈরি করছে বিদ্যুৎ বিল তৈরির কর্মীরা। এতে করে গ্রাহকদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ। এই সরকারের আমলে কয়েক দফা বিদ্যুৎ বিল বাড়ানোর ফলে গ্রাহকরা এমনিতেই দিশেহারা, তার উপর যদি ব্যবহারের তুলনায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসে তাহলে গ্রাহকদের দূঃখের সীমা থাকে না।পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলার কারনে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসার ফলে গ্রাহদের ধর্না ধরতে হচ্ছে বিদ্যুৎ অফিসে, কিন্তুু আফসোসের বিষয় হলো, গ্রাহদের সমস্যার সমাধান না করে বিভিন্ন ভাবে টাল-বাহানা করছে পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ।
এতে করে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে গ্রাহকদের। ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ গ্রাহকরা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে ধরনা দিয়ে তবেই কারো কারো সমস্যার সমাধান মিলছে কারো বা মিলছে না।

অনেকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আগের মাসে ২০০ টাকা পরের মাসে ৬০০ টাকা আগের মাসে ২০০ টাকা পরের মাসে এসেছে ৩১৪১ টাকা।মিটারের সাথে বিলের হিসাব মিলছে না তাই গ্রাহকরা কোন কুল-কিনারা পাচ্ছেন না। এতে করে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল পাওয়া সকল গ্রাহক এই সমস্যা সমাধান সহ, ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে সেদিকে দৃষ্টি দিতে প্রশাসনের প্রতি আহব্বান জানিয়েছেন ।

Comments are closed.