ঢাকারবিবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
  1. সর্বশেষ

জাতীয় শোক দিবস নিয়ে মণিপুরি মুসলিম শিক্ষার্থীদের ভাবনা

প্রতিবেদক
নিউজ এডিটর
১৫ আগস্ট ২০২২, ১২:৩৯ অপরাহ্ণ

Link Copied!

রফিকুল ইসলাম জসিম,বিশেষ প্রতিবেদক :

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রথমে বঙ্গবন্ধু, তারপর দেশের রাষ্ট্রপতি দেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির মুক্তি দূত, সর্বশেষ তাকে আমরা বলি আমাদের জাতির পিতা। আজ পনেরোই আগস্ট । এই দিন একটি নির্মম কালো দিন আমাদের জাতির জন্য। একদল মানুষরূপী নরপিশাচ, বিপথগামী সেনা সদস্যের বুলেটের আঘাতে বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবারে পৃথিবী থেকে বিদায় । বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ সাধিত হয়। এ হত্যাযজ্ঞ ছিলো বাঙালি জাতির জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। এদেশের কিছু বিপথগামী সামরিক কর্মকর্তা ভেবেছিলো বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমেই হয়ত তার আদর্শ শেষ হয়ে যাবে।
আজকে শোকের দিনে বাংলাদেশের বসবাসরত মণিপুরি মুসলমানদের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ভাবনা ও মতামত তুলে ধরেছেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম জসিম।

 

বঙ্গবন্ধু একটি চেতনার নাম, জাগ্রত আছেন আমাদের চেতনায়।

সাহানা মাহজাবিন,

রসায়ন বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

মৃত্যু! শোক! শোকের মাস! আজ এই দিনেই মহান কিংবদন্তি নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মৃত্যু হয়। মৃত্যু নয়। এ ছিল এক মর্মান্তিক হত্যা। পিশাচদের পৈশাচিক যজ্ঞ। এই দিনে স্ব-পরিবারে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয় আমাদের অবিসংবাদিত নেতাকে। শোকের ছায়া নেমে আসে বাংলার বুকে। ইতিহাসের এ এক কালো অধ্যায়। ইতিহাস থেকে এ অধ্যায় কখনো মুছার নয়। নরপশুদের হত্যাযজ্ঞে আমাদের মধ্যে থেকে হারিয়ে গেলেন তিনি ও তার পরিবার। লজ্জিত সে দিন। এই শোক ই শক্তি হয়ে ধরা দিবে একদিন।

পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে,সময় লেগেছে ২৩ বছর বঙ্গবন্ধুর। স্বাধীন বাংলাদেশে নেতৃত্ব দিয়েছেন মাত্র সাড়ে তিন বছর। তিনি যদি পযাপ্ত সময় পেতেন তাহলে বাংলাদেশকে সমহীমায় সাজাতে পারতেন বিশ্ব দরবারকে। সময় না পেলেও,তিনি আমাদের জন্য একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্টা করে গেছেন। বঙ্গবন্ধু একটি চেতনার নাম।যিনি জাগ্রত আছেন আমাদের চেতনায়।আমাদের চেতনায় তিনি চির অম্লান,চির ভাস্বর।

বাঙালি জাতির জীবনে ১৫ আগস্ট একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়

তাজুল ইসলাম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,সিলেট

কাঁদছে আকাশ,ফুঁপিয়ে আছে বাতাস। ঝড়ের কারণে নয়,বৃষ্টির জন্য নয়। এ অনুভূতি হলো পিতা হারানোর শোকের। পিতার প্রাণ কেড়ে নেওয়ার ক্রোধে ক্রোধিত আজ বাঙালি জাতি। সেজন্য আজ কাঁদছে প্রকৃতি,কারণ পারছে না মানুষ কাঁদতে। শুধু শোনা যাচ্ছে বাংলার প্রতিটি ঘর থেকে চাপা দীর্ঘশ্বাস ত্যাগের। বলছে সবাই কি ভয়ানক,কি নিষ্ঠুর,কি ভয়াবহ ছিলো সে রাত। আজ সেই রক্তঝরা অশ্রুভেজা বাঙালি জাতির জীবনে ১৫ আগস্ট একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। হাজার বছরের কাক্সিক্ষত যে লক্ষ্য- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয় ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে। যে মানুষটা বাংলাদেশ গড়ার কারিগর, স্বাধীনতার স্থপতি তাকে নিজ বাসভবনে স্বপরিবারে হত্যা করে এই জাতি যে কালো অধ্যায় রচিত করেছে তা কখনো শেষ হবার নয়। এই হত্যাকাণ্ডের মধ্যদিয়ে এই জাতিকে বহু দশক পিছিয়ে দিয়েছে স্বাধীনতা বিরোধীরা। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলতে গিয়ে বিখ্যাত কিউবার মহান বিপ্লবী নেতা ফিদেল কাস্ত্রো বলেছিলেন, ‘আমি হিমালয় দেখিনি, বঙ্গবন্ধুকে দেখেছি। তার ব্যক্তিত্ব ও নির্ভিকতা হিমালয়ের মতো। এভাবেই তার মাধ্যমে আমি হিমালয়কে দেখেছি।’ তিনি আরও বলেছিলেন, ‘শেখ মুজিবের মৃত্যুতে বিশ্বের শোষিত মানুষ হারাল তাদের একজন মহান নেতাকে, আমি হারালাম একজন অকৃত্রিম বিশাল হৃদয়ের বন্ধুকে।

বঙ্গবন্ধুর অবিনাশী চেতনা ও আদর্শ চির ভাস্মর-চির প্রবাহমান

মায়িশা ফারজানা সর্মি, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ
মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ।

বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরঞ্জীব,তার চেতনা অবিনশ্বর।প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী চেতনা ও আদর্শ চির প্রবাহমান থাকবে।কিন্তু দেশি-বিদেশি চক্রান্তকারী তথা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দোশরদের বিশ্বাস ঘাতকতার কাছে জাতির জনকের বিশ্বাসের দৃঢ়ের প্রত্যয় ভেঙে পড়েছিলো ১৫ই আগস্টের সেই নিঃসঙ্গ কালো রাতে।বঙ্গবন্ধু ও তার স্বজনদের রক্তে সেদিন প্লাবিত হয় ধানমন্ডির ৩২ নং সড়কের সেই ঐতিহাসিক বাড়ি। প্রতি বছরে এই দিনে আজও যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। পুরো জাতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় শ্রেষ্ঠ সন্তানকে স্মরণ করছে।

জাতীয় শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে

রিদওয়ান শরীফ, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সেনাবাহিনীর বিপথগামী একদল ঘাতকের হাতে তার নৃশংস হত্যাকাণ্ড ছিল জাতির ইতিহাসে এক বড় কলংক। দেশের স্থপতি ও নির্বাচিত রাষ্ট্রপ্রধানকে তার পরিবারের সদস্যসহ এমন ভয়াবহভাবে হত্যার ঘটনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে দেশ ও জাতিকে বিপথগামী করার অপপ্রয়াস চালানো হয় পরবর্তীকালে।

ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে নির্মমভাবে হত্যা করলেও বাংলাদেশ থেকে বঙ্গবন্ধুর নাম মুছে ফেলতে পারেনি বরং বঙ্গবন্ধু দিনের পর দিন হয়ে উঠেছেন আরও শক্তিশালী। জাতির ইতিহাসে অবিস্মরণীয় অবদানই তাকে অজেয় করে রেখেছে। বঙ্গবন্ধুর সমগ্র জীবনে একটিই ব্রত ছিল- বাংলা ও বাঙালির মুক্তির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা। এর শুরু ১৯৪৮ সাল থেকে। ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে পাকিস্তান সৃষ্টির পরপরই তিনি উপলব্ধি করেছিলেন, এই রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে আমরা বাঙালিরা নির্যাতিত- নিষ্পেষিত হবো। তাই এ থেকে জনগণের মুক্তির জন্য তিনি বেছে নিয়েছিলেন আন্দোলন-সংগ্রামের পথ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে দেশ ও জাতির সব বিতর্কের ঊর্ধ্বে তার আপন মহিমায় প্রতিস্থাপন করা হলে জাতি হিসেবে সবাই গৌরবান্বিত হবে। দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনে জেল জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন আর স্বৈরশাসকের রক্তচক্ষু ছিল বঙ্গবন্ধুর নিত্যসঙ্গী। তিনি নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন বহুবার। একাধিকবার ফাঁসির মঞ্চ তৈরি হয়েছিল তার জন্য। বাঙালির প্রতি তার বিশ্বাস ও আস্থা ছিল আকাশচুম্বী। সেজন্যই হাসিমুখে, নির্ভীকচিত্তে মানুষের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে সব ধরনের জুলুম-নির্যাতন বরণ করেছেন তিনি। আমৃত্যু একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিবাদী ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের বাংলাদেশের যথাযথ রূপায়ণই হবে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের সর্বোত্তম উপায়। সেই লক্ষ্যে জাতীয় শোক দিবসের প্রতিজ্ঞা হোক- শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করতে হবে।

শোক দিবস যথাযথ মর্যাদার পালন করা সকল নাগরিশের ও কর্তব্য।

সাবিহা মাহজাবিন, ক্যামেস্ট্রি ৪র্থ বর্ষ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

বাঙ্গালীর ইতিহাস সে প্রায় দেড় হাজার বছরের তো হবেই। এই সময় কালের শ্রেষ্ঠ মহান পুরুষ আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।আপনারা জানেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাঙালি জাতি একত্রিত হয়ে পশ্চিম পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছেন। তিনি পুরো বাঙালি জাতিকে সাথে নিয়ে আজকের বাংলাদেশ গড়ে তুলেছেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা আমাদের জন্য একটি কলঙ্কময় দিন। এই হত্যাকাণ্ডের ফলে, এ দেশে বেসামরিক সরকার কে
উৎপাত করে সামরিক শাসনের অনাচারী ইতিহাস
রচিত হতে থাকে। আজকের এদিনটিকে গভীর শোক। এই দিনটি কে শ্রদ্ধা ও যথাযথ মর্যাদার মধ্য দিয়ে পালন করা এ দেশের সকল নাগরিশের ও কর্তব্য।

বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের প্রেরণার উৎস বঙ্গবন্ধু

ফাহিমা ইসলাম ঐশী,
শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

আজ পনেরোই আগস্ট । এই দিন একটি নির্মম কালো দিন এই জাতির জন্য। আমাদের মুক্তির জন্য । নিপীড়িত নির্যাতিত ঘুণেধরা সমাজের মুক্তির কাণ্ডারি হিসেবে এসেছিলেন। কিন্তু একদল মানুষরূপী নরপিশাচ, বিপথগামী সেনা সদস্যের বুলেটের আঘাতে স্বপরিবারে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। আজ বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকতেন তবে বিশ্ব পেত এক মহান নেতা। আমরা পেতাম ফিরে জাতির পিতা। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়ে তৎকালীন বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার সাহসিকতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলী বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের মুক্তি সংগ্রামের প্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছিলো। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমান, তাঁকে হারানোর সাথে আমরা যা হারিয়েছি তা হাজার বছরেও পুষানো সম্ভব না। বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে প্রতিষ্ঠা পেতো সার্বজনীন অসাম্প্রদায়িক, অর্থনৈতিক সমাজতন্ত্রনির্ভর এক আধুনিক সমাজ। কিন্তু আমরা প্রত্যেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে যদি এগিয়ে যাই, তবেই বাংলাদেশের আমূল পরিবর্তন সম্ভব।

বঙ্গবন্ধুর হাত ধরে বিশ্বের বুকে এক টুকরো বাংলাদেশ

মঈন উদ্দীন,
বি.এস.সি অনার্স, (গণিত- ৪র্থ বর্ষ)
মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাঙালির জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫-ই আগষ্ট কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে নিহত হন। ওইদিন আমরা হারিয়েছি আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার হাত ধরে বিশ্বের বুকে একটুকরো বাংলাদেশ দাড়িয়ে আছে। বঙ্গবন্ধুর অসীম সাহসিকতায় এবং তার নেতৃত্বে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছিলাম। স্মরণ করছি সেই স্বাধীনতার প্রাণপুরুষ, মহাপুরুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। শুধু আজ একটি কথা কানে বারবার বাজে আর সেটা হলো—”যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই, তবে বিশ্ব পেত এক মহান নেতা, আমরা ফিরে পেতাম জাতির পিতা”…..।

12 Views

আরও পড়ুন

চবি গ্রীন ভয়েস ও এসডোর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ব্র্যান্ড অডিট সম্পন্ন।

নীলফামারী ডিমলায় ভুঁয়া পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড।

কাপাসিয়ায় বিভিন্ন অভিযোগে মিনি পেট্রোল পাম্পের মালিককে জরিমানা

মাওঃ আবদুল গফুর নীতিবোধ, নৈতিকতা, ইসলামী মূল্যবোধ ও আদর্শকে সঙ্গী করে আমৃত্যু পথ চলেছেন

দোয়ারাবাজারে মীনা দিবস উদযাপন

মুন্সীগঞ্জ পৌর যুবদল নেতা হত্যার প্রতিবাদে লোহাগাড়া যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

জবির ছাত্রী হলে অগ্নি নির্বাপক প্রশিক্ষণ

অনিয়মিত ইউরোপ ফেরতদের প্রতি অপবাদ ও বৈষম্য কমাতে সিফারের মাইগ্র্যান্ট প্রোজেক্ট

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ওয়াটারপোলো প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

দেশব্যাপী উদযাপিত হল আইডিয়া ফ্রাইডে মিল এর ৫০তম সপ্তাহ

সামাজিক সংগঠন কি এবং কেন?

রাজনীতি করতে চান ইলিয়াস কাঞ্চন, হতে চান মন্ত্রীও