ঢাকারবিবার , ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২
  1. সর্বশেষ

কালাপাকুজ্যায় কারবারী ও তার সিন্ডিকেট’র নির্যাতিনে গ্রামবাসী একে একে এলাকা ছাড়ছে

প্রতিবেদক
নিউজ এডিটর
২০ আগস্ট ২০২২, ১:৩৯ পূর্বাহ্ণ

Link Copied!

মুহাম্মদ ইলিয়াস , রাঙামাটি প্রতিনিধি ||

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার ৩৯০ নং কালাপাকুজ্যা মৌজার কারবারী ও তার সিন্ডিকেট’র নির্যাতিনে গ্রামবাসী একে একে এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। তেমনি অভিযোগ করেছে স্থানীয় ক্বারি মো. মাকছুদুর রহমান (৫৭)।

ভিকটিমের অভিযোগ অনুসারে ৩৯০ নং কালাপাকুজ্যা মৌজার প্রশাসন বা আইন কানুন বলতে কার্বারী ও তার সিন্ডিকেটকে বুঝায়। যত ধরনের বর্বরতা আছে, সবই এখানে বিরাজমান। কার্বারী সিন্ডিকেটের কথার প্রতিবাদ বা বাইরে গেলেই এলাকা ছাড়া হতে হয়। তেমন কয়েকটি পরিবারের কথা এখানে তুলে ধরা হলো- অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ সেনা সদস্য ফয়েজ আহমদ’র ছেলে গোলাম কাদের (৫০) ও গোলাম রহমান (৪৫), স্থানীয়, মো. ইদ্রিস তালুকদারের স্বপরিবার।
কার্বারী মোজাম্মেল সিন্ডকেটের হাতে দফায় দফায় হামলা, মামলা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, বয়োবৃদ্ধ মো. আব্দুল হামিদ(৭৬), আব্দুর রশিদ (৮৫), কৃষক সাইফুল ইসলাম (৪৩) ও অভিযোগকারী ক্বারী মাকছুদুর রহমান (৫৭) । এই ৪ জন বর্তমানে সিন্ডিকেটটির হুমকি অনুযায়ী গ্রাম ছাড়ার তালিকায় রয়েছে।

লংগদু উপজেলার কালাপাকুজ্যা মৌজার বাসিন্দা ক্বারী মো. মাকছুর রহমান কান্নাজড়িত কন্ঠে আক্ষেপ করে বলেন, পুলিশসহ প্রশাসনকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে দাবী তরা এই সিন্ডিকেট তার বেশ কিছু জমি জবর দখল করে রেখেছে । এমন কি তাদের হামলা, মামলা ও নির্যাতন থেকে তার পরিবারের নারী সদস্যরাও রেহাই পায়নি। আর্থিক দৈন্যতা ও প্রভাবশালী এই সিন্ডিকেটের চাপ তাকে এলাকায় বসবাসের প্রচেষ্টা বার বার ব্যর্থ করে দিচ্ছে। সে কোন ভাবে তাদের সাথে কুলিয়ে ওঠতে পারছে না।

একই কায়দায় এলাকার প্রতিবাদী যুবক সাইফুল ইসলামকে ফাঁসিয়ে দেয়। যেমন,সাইফুল তার এক নিকটাত্মীয়কে শর্তস্বাপেক্ষে তার জায়গায় বসবাস করতে দেয়। এই খবর জানতে পেরে কারবারি মোজাম্মেল হোসেন মওকা পেয়ে বসে। তিনি সাইফুলের আশ্রিতাকে জমির মালিকানা পাইয়ে দিতে বসতি স্থাপনকারী হিসেবে সুপারিশ করেন। তার সুপারিশক্রমে হেডম্যান মো. রফিক চৌধুরী সাইফুলের ঘরবাড়িসহ রোকেয়া বেগমের নামে লিখে দেয়। হেডম্যানের দাখিলকৃত মিথ্যে, বানোয়াট এ প্রতিবেদন বাতিলের জন্য জেলা প্রশাসকের বরাবরে আবেদন জানালে চরম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে পুরো সিন্ডিকেট । দফায় দফায় হুমকি-ধমকি ও বিভিন্ন জন দিয়ে মিথ্যে ও হয়রানি মূলক মামলা করানো হয়। এমনকি বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানে প্রতিবাদী এই যুবকের বিরুদ্ধেও নিত্যনতুন কাল্পনিক ও মনগড়া অভিযোগ তুলে। পাশাপাশি তাদের সহযোগীরা কাল্পনিক ও বানোয়াট অভিযোগের স্বপক্ষে স্বাক্ষ্য প্রদান করে প্রতিপক্ষের কোমড় শক্ত করে থাকে। সেই কারনে অন্যদের মতো সাইফুলও এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। কার্বারী সিন্ডিকেটের চাপে গ্রাম ছাড়া এবং নির্যাতিতদের মধ্যে, বয়োবৃদ্ধ আব্দুল হামিদ, কৃষক সাইফুল ইসলাম সত্যতা নিশ্চিত করেছে।
ক্বারী মাকছুদুর রহমান মতো আরো অনেকে নির্যাতিত হয়েছে জানিয়ে স্থানীয মৃত হাসান আলীর ছেলে রফিকুল ইসলাম বলেন , মসজিদের জমি নিয়ে সমাজের লোকজন তাদের হয়রানীর শিকার হয়। শেষ পর্যন্ত লংগদু উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক সরকার সমাধান করেন। স্থানীয় ছোয়াব আলীর ছেলে ইসলাম মিয়াকে ৩০ শতক জায়গা দেবার নাম করে ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। জমি না পেয়ে ইসলাম মিয়া এলাকাবাসীর সামনে টাকা ফেরৎ চাইলে, কার্বারী ৫ হাজার টাকা ফেরৎ দেন। অবশিষ্ট টাকা তিনি এখনও ফেরৎ পাননি।
৩৯০ নং কালাপাকুজ্যা মৌজা কার্বারী মোজাম্মেল হোসেন’র মতামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ সত্য নয়। কেউ কোথাও স্বস্তায় জমি পেলে অন্যত্র চলে যায়। তিনি কাউকে নির্যাতনের মাধ্যমে এলাকা ছাড়া করেননি বলে যোগ করেন এ মৌজা কার্বারী।

এ বিষয়ে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, আমি এ ঘটনা সম্পর্কে অবগত না। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। #

3 Views

আরও পড়ুন

নব তরুণ ব্লাড ব্যাংক এর ৪৩ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন

চবি গ্রীন ভয়েস ও এসডোর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ব্র্যান্ড অডিট সম্পন্ন।

নীলফামারী ডিমলায় ভুঁয়া পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড।

কাপাসিয়ায় বিভিন্ন অভিযোগে মিনি পেট্রোল পাম্পের মালিককে জরিমানা

মাওঃ আবদুল গফুর নীতিবোধ, নৈতিকতা, ইসলামী মূল্যবোধ ও আদর্শকে সঙ্গী করে আমৃত্যু পথ চলেছেন

দোয়ারাবাজারে মীনা দিবস উদযাপন

মুন্সীগঞ্জ পৌর যুবদল নেতা হত্যার প্রতিবাদে লোহাগাড়া যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল

জবির ছাত্রী হলে অগ্নি নির্বাপক প্রশিক্ষণ

অনিয়মিত ইউরোপ ফেরতদের প্রতি অপবাদ ও বৈষম্য কমাতে সিফারের মাইগ্র্যান্ট প্রোজেক্ট

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ওয়াটারপোলো প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন ঢাবি

দেশব্যাপী উদযাপিত হল আইডিয়া ফ্রাইডে মিল এর ৫০তম সপ্তাহ

সামাজিক সংগঠন কি এবং কেন?