চবিতে প্রক্টর নিয়োগ নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করায় ভিসির নিন্দা!

index.jpg

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
১১ জুলাই ২০১৯ তারিখ একুশে পত্রিকা অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত ‘অ্যাক্ট লঙ্ঘন করে চবিতে সহকারী প্রক্টর নিয়োগের হিড়িক!’ শীর্ষক সংবাদের প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
“চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের বিরুদ্ধে এবার ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রেরিত চিঠি অনুযায়ী তাঁর উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালনের কথা। সে অনুযায়ী তিনি সিন্ডিকেট আহবান, শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ, জনশক্তি রদবদল,পদোন্নতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না” শীর্ষক সংবাদে সংবাদদাতা তার অজ্ঞতার পরিচয় দিয়েছেন এবং তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সম্পর্কে অবগত না হয়ে যে সংবাদটি প্রকাশ করেছেন তা মনগড়া, বিভ্রান্তিকর, অসত্য এবং নিন্দনীয়।
উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারকে গত ১৩ জুন ২০১৯ বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রাণালয় (স্মারক নং-শিম/:১৮/৯চ:বি:-১/২০০৬/১৭৫) মাননীয় উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব প্রদান করেছেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব সম্পর্কে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ২২/১২/২০১০ তারিখের শা:১৮/৯ চ:বি:-১/২০০৬/৫৬০ ম্মারকে নিন্মোক্ত ব্যাখ্যা প্রদান করে।
সে ব্যাখ্যা অনুসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বে “চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট, সিন্ডিকেট, ফাইন্যান্স কমিটি,পরিকল্পনা ও উন্নয়ন কমিটি, শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগের নির্বাচনী কমিটির সভা আহবান এবং ছাত্র-ছাত্রীদের ম‚ল সনদপত্রে স্বাক্ষর প্রদান মাননীয় উপাচার্যের রুটিন দায়িত্বের আওতায় পড়ে”। উক্ত ব্যাখ্যা থেকে এটি প্রতিয়মান যে, সহকারী প্রক্টর নিয়োগ রুটিন দায়িত্বের আওতার মধ্যে পড়ে।

অতএব প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী প্রক্টর নিয়োগের ক্ষেত্রে আইনের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাক্ট লঙ্ঘন করার মত কোন ঘটনা ঘটেনি। সুতরাং এ ধরনের উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও দুরভিসন্ধীমুলক সংবাদ প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপপ্রয়াস থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট অনলাইন পোর্টালসহ সকলকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে।

Top