৩৬০ আউলিয়ার দেশ ভ্রমন–তোফায়েল আহম্মেদ

66397528_242761979943926_3480339049376382976_n.jpg

সিলেট ভ্রমনঃ২ দিন এক রাত

প্রথম দিনঃ
ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর,উৎমাছড়া /কালো পাথর, মালিনীছড়া চা বাগান

রাতে রাতারগুল এ ক্যাম্পিং

২য় দিনঃ
রাতারগুল এ কায়াকিং করে ওয়াচ টাওয়ার এ যাওয়া,
জাফলং,সংগ্রামপুঞ্জী ঝর্না, খাসিয়া পল্লী,শাহ জালাল রহঃ এর মাজার

মোটামুটি বড় লেখা, নিচে খরচাপাতি দেওয়া আছে।

৬ তারিখ রাতের উপবন ট্রেনে করে আমরা ৭ জন রওনা দেই সিলেট এর উদ্দেশ্যে।আগেই ট্রেনের টিকিট কেটে রাখি। অনেক দিন ধরেই কোথাও যাওয়ার প্লান ছিলো, কিন্তু সবার সময় না মিলাতে হয়ে উঠছিলো না। এবার ব্যাটে বলে সবার এক সাথে সময় মিলে গেলো। তাই আর দেরি না করে বেড়িয়ে পড়লাম সিলেট এর উদ্দেশ্যে।

১ম দিনঃ
সকাল ৬.৩০ এর দিকে আমরা সিলেট রেলস্টেশনে পৌছায়৷ আগে থেকেই আমাদের লেগুনা রিজার্ভ করা ছিলো৷ সারাদিন ২৫০০ টাকা।

প্রথমেই আমরা চলে যাই সিলেট এর বিখ্যাত “পাঁচ ভাই হোটেল ” এ। সেখানে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আমরা “আখনী” অর্ডার করি।ফুল প্লেট আখনী ৭০ টাকা। আখনি অনেকটা তেহেরীর মত তবে একটু মিষ্টি 😋
খাওয়া শেষে আমরা রওনা দেই আমাদের প্রথম স্পট “ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর” এর উদ্দ্যেশ্যে ।

⏩ভোলাগঞ্জ সাদা পাথরঃ
সাদা পাথর সিলেট এর কোম্পানীগঞ্জ এ অবস্থিত৷। সড়ক পথে সামনের দিকে যতই এগিয়ে যাবেন চোখের সামনে স্পষ্ট হবে মেঘালয় রাজ্য আর খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়। শান্ত স্তব্ধ পাহাড়, তার সঙ্গে মিশেছে আকাশের নীল। আকাশের গায়ে ছোপছোপ শুভ্র মেঘ।এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে পাথর তোলার হাঁকডাক আর গর্জনে ধলাই নদী পেরিয়ে ভোলাগঞ্জ বাজার। এর পরই চোখের সামনে স্পষ্ট হবে জিরো পয়েন্ট। শান্ত স্তব্ধ পাহাড়, তার সঙ্গে আকাশের নীল। সিলেট শহর থেকে সাদা পাথর পৌছাতে সময় লাগে ৩ ঘন্টার মত।

নৌকা ঘাটে নেমে ৮০০ টাকা ফিক্সড রেট এ ইঞ্জিন চালিত নৌকা রিজার্ভ করে চলে যাই সাদা পাথর এ৷ সাদা পাথর গিয়েই সবার আগে চোখে পড়ল এদিকে সেদিকে ছড়িয়ে থাকা প্লাস্টিক এর বোতল আর চিপস এর প্যাকেট৷।
সাদা পাথর অনেক সুন্দর একটা জায়গা কিন্তু আমরা কি করছি? এখনও সময় আছে পর্যটন স্পট গুলো আর ধ্বংশ কইরেন না প্লিয!!!!

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জি থেকে নেমে আসা জলের স্রোত, আর নিচে সাদা পাথরের ওপর দিয়ে বয়ে চলা ঝরনার পানির স্রোত প্রাণ জুড়ায়ে যাবে এখানে আসলে। পাথরের বিছানায় গা ভাসিয়ে দিয়ে শীতল জলের স্পর্শ আনন্দের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ।পানি অনেক ঠান্ডা সাথে ছিলো বৃষ্টি৷ এখন বর্ষা তাই পানির স্রোত প্রচুর।। এই স্রোতে সাতার জানলেও নামতে যাবেন না কেউ!! আমরা যেদিন গিয়েছিলাম সেদিন স্রোতে ৫ জন নিখোজ হয়েছে শুনেছিলাম।।

ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর দেখে আমরা চলে যাই কালো পাথর বা উৎমাছড়া দেখতে৷

⏩উৎমাছড়া
উঁচু উঁচু পাহাড়ের ভাঁজে সবুজের আস্তর। সেই সবুজ পাহাড়ের বুক বেয়ে নেমে এসেছে সরু ঝরনা। কলকল করছে শীতল স্বচ্ছ জলরাশি। হরেক রঙা পাথর ছড়ানো সর্বত্র। আকাশে কখনো ঘোলা মেঘ, কখনো নীলের ছায়া। উৎমাছড়ায় পৌঁছে প্রথম দেখায় মুখ থেকে অস্ফুটে বেরিয়ে এল, আহ্, কী সুন্দর!
রূপবৈচিত্র্যে উৎমাছড়াকে বলা যায় বিছনাকান্দির সখা।

আমাদের রিজার্ভ লেগুনাতে করেই আমরা রওনা দিয়েছিলাম। কিন্তু লেগুনা ড্রাইভার এই পানি আর বালুরাস্তা দিয়ে যেতে চাইল না। অনেক নাটক করল আমাদের সাথে। পরে আমরা উনাকে রেখেই হেটে রওনা দিলাম কালো পাথর এর পথে।অনেক হাটার পর পেলাম দয়ারবাজার।
সেখানে ক্লান্ত শরীর নিয়ে মাত্র ২৭০ টাকা দিয়ে ৭ জন ভরপেটে গরুর মাংশ দিয়ে ভাত খেলাম৷
অনেক পোষ্ট এ যেভাবে র‍্যুট প্লান দেখেছিলাম সেইটা ফলো করে গেলে বিপদ এই বর্ষায়। কারন রাস্তা পানিতে ডুবে আছে + বালু রাস্তা যার ফলে ব্যাক্তিগত গাড়ি নিয়ে গেলে সমস্যায় পড়তে পারেন।।
দয়ার বাজার থেকে সি এনজি ঠিক করলাম ৫০০ টাকায় কালো পাথর এর জন্য।সিএনজি ড্রাইভার নিজেই আমাদের কালো পাথর এ নিয়ে যায়।স্থানীয়রা কালো পাথর বলেই বেশি চিনে এইটাকে।
স্থানীয় রা পাথর তুলছে সেগুলা বিক্রি করে চলবে তাদের সংসার। পাথর খোর দের নজর এখন এইটার দিকেও পরে গেছে।।বিছানাকান্দি ত শেষ এবার এইটার পালা।

বিজিবির কারনে সেভাবে তুলতে পারে না তবে পাথর তোলা বন্ধ নাই। একজন মাত্র বিজিবি সদস্য কে দেখলাম ডিউটি করছে।তিনি আমাদের নির্দেশন দিলেন। 😁
পানি অনেক ঠান্ডা। শীতল পানিতে গা ভেজালাম আমরা ৭ বন্ধু। পানির স্রোত তীব্র। মনে হচ্ছিলো স্রোতে ভেসে যাব। ক্যামেরা স্ট্যান্ড খালি কাপছিলো।
সিএনজি করে আবার চলে আসি দয়ারবাজার সেখান থেকে হেটে আবার চলে যাই লেগুনার কাছে।
সিলেট এ সিএনজি, লেগুনা,নৌকা গুলার বিশাল বড় সিন্ডিকেট। এদের সাথে পারা কঠিন।।

এখন আমাদের গন্তব্য রাতারগুল এর ক্যাম্পিং সাইট। ক্যাম্পিং করতে হলে আগে থেকেই +8801816110300 (শামীম ভাই) এই নাম্বার এ যোগাযোগ করে যেতে হবে।
চৌরংগি ঘাট যাওয়ার পথে আমরা
⏩মালিনীছড়া চা বাগান দেখি ।

⏩রাতারগুল ক্যাম্প সাইট এ পৌছাতে সন্ধ্যা হয়ে যায় আমাদের।
আমার ব্যাক্তিগত মতামত,সিলেট এ এক রাত থাকার ইচ্ছা থাকলে আর রাতারগুল দেখার ইচ্ছা থাকলে আপনি রাতারগুল ক্যাম্প সাইট এ ক্যাম্পিং করতে পারেন।।
জন প্রতি ৬০০ টাকা লাগছে আমাদের এখানে।সাথে ছিলো রাতের খাবার, বার্বিকিউ পার্টি, সকালে খিচুড়ি৷।
গ্রাম্য পরিবেশে তাবুর মধ্যে থাকা,সাথে ছিলো গুড়িগুড়ি বৃষ্টির মধ্যে তাবু বাস।
রাত ৯ টাই আমাদের রাতের খাবার দেওয়া হয়৷ রাতের খাবার খেয়ে আমরা ক্যাম্প সাইট হেটে দেখি আর গল্প করি। রাত ১২ টায় শুরু হয় বার্বিকিউ পার্টি।। ক্যাম্প সাইট এ সারারাত চলে আড্ডা আর গান। রাতে বৃষ্টিতে আমাদের সবার ঠান্ডা লাগছিলো, ঢাকায় যখন গরমে সবাই ফ্যান দিয়ে ঘুমাচ্ছে আমরা সবাই ঠান্ডায় কম্বল গায়ে দিয়ে ঘুম।
সাথে হ্যামক নিয়ে গিয়েছিলাম, তাই আমি হ্যামক এ ঘুমিয়েছি রাতে।
২য় দিনঃ

আমাদের প্লান ছিলো সকাল ৬ টাই বের হব রাতারগুল দেখতে।কিন্তু বৃষ্টির কারনে আমাদের বের হতে হতে ৭ টা বাজে৷

⏩ রাতারগুলঃ

বর্ষায় বড়ই অদ্ভুত এই জলের রাজ্য। এ সময় কোনো গাছের কোমর পর্যন্ত পানিতে ডুবে থাকে। একটু ছোট যেগুলো, সেগুলোর আবার শরীরের অর্ধেকই জলে তলিয়ে যায়। এ সময় কোথাও চোখে পড়ে জেলেরা মাছ ধরছে। ঘন হয়ে জন্মানো গাছপালার কারণে কেমন যেন অন্ধকার লাগে পুরো বনটা। মাঝে মধ্যেই গাছের ডালপালা আটকে দেয় পথ। হাত দিয়ে ওগুলো সরিয়ে পথ চলতে হয়। তবে বর্ষায় এ বনে চলতে হবে খুব সাবধানে। কারণ রাতারগুল হচ্ছে সাপের আখড়া। বর্ষায় পানি বাড়ায় সাপেরা ঠাঁই নেয় গাছের ওপর। গাছের মধ্যে এখানে করচ-ই বেশি। গাছে হাত দিবেন না সাপ, জোক থাকতে পারে।। গাইড কে ফলো করে চলুন।

আমরা সাথে দুইজন গাইড নিয়েছিলাম কায়াকিং এর জন্য।রাতারগুল এ একমাত্র চৌরংগী ঘাট থেকেই কায়াকিং বোট এ রাতারগুল দেখা যায়৷ জনপ্রতি ১৫০ টাকা লাগে কায়াকিং করতে। দুই জন/তিন জনের কায়াক বোট আছে।গাইড ফি ১৫০ টাকা।বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে কায়াক বোট চালানো আর রাতারগুল দেখা যেন রদ দেখা র কলা বেচার মত৷ বৃষ্টিতে অনিন্দ্য সুন্দর রুপ ধারন করেছিলো রাতারগুল৷ ওয়াচ টাওয়ার এ গিয়ে কিছুক্ষন পানিতে দাপাদাপি করে আমার ফ্রেন্ড রা। ওয়াচ টাওয়ার এর দেয়ালে দেখলাম অনেক কবি আর প্রেমিক তাদের নাম আর কবিতা লিখে গেছে৷। কবে আমরা মানুষ হব!!!!

রাতারগুল দেখা শেষে ক্যাম্প সাইট এ গিয়ে খিচুড়ি দিয়ে সকালের নাস্ত করে রওনা দেই
“জাফলং “এর উদ্দেশ্যে।

⏩জাফলংঃ
আমাদের লেগুনা রিজার্ভ করা ছিলো ২৫০০ টাকা দিয়ে ।
যতই জাফলং এর কাছাকাছি আসছিলাম ততই হিংসা হচ্ছিলো আমাদের। কেনো সব ইন্ডিয়াতে।।আমার বন্ধু মাহি অনেক আফসোস করল!! বেচারা😛

আমাদের লেগুনা জিরো পয়েন্টস্থ সংগ্রাম বিজিবি ক্যাম্প সাইট এ নামায়া দেয়৷ সেখান থেকে ঢালু সিড়ি আর পাহাড় বেয়ে চলে যাই নিচে নৌকা ঘাটে। সেখান থেকে নৌকা রিজার্ভ করি,
সংগ্রামপুঞ্জী ঝর্না, খাসিয়া পল্লী,জাফলং জিরো পয়েন্ট দেখার জন্য৷ বিশাল সিন্ডিকেট এখানে৷ ৮০০ টাকায় রাজি শেষ পর্যন্ত নৌকা ঠিক করি আমরা।

⏩সংগ্রামপুঞ্জী ঝর্না
প্রথমে মাঝি আমাদের নিয়ে যায় ঝর্না দেখার ঘাটে। সেখান থেকে হেটে চলে আসি ঝর্নায়৷
দূর থেকেই পানির আওয়াজ এর মধুর এক ধ্বনি কানে আসতে লাগল।। কাছে গিয়ে ঝর্নার রুপ দেখে আমি মুগ্ধ৷
পাহাড়ের গা বেয়ে বেশ কয়েকটি ধারায় নেমে আসছে দুগ্ধ সাদা পানির স্রোত৷ কখনও সবুজ ঝোপের ভিতর দিয়ে, কখনও নগ্ন পাথরের বুক চিরে নেমে আসে এ পানি।
সাবধানতার সাথে উঠতে লাগলাম ঝর্নার উপর দিকে৷৷ খুবই পিছলা পাথর আর পানির ঝাপটা তাই সাবধানে উঠবেন।এই ঝর্না অন্যান্য অনেক ঝর্না থেকে আলাদা।
ঝর্নায় ঘন্টা খানেক ভিজলাম আমরা সবাই।।।

⏩খাসিয়া পল্লী
ঝর্না দেখা শেষে চলে আসি আবার ঘাটে, সেখান থেকে রিজার্ভ করা নৌকায় গেলাম খাসিয়া পল্লীতে৷ নৌকা ঘাটে নেমে উপরে উঠে অটো রিজার্ভ করলাম ৪৫০ টাকা দিয়ে৷ পুরো খাসিয়া পল্লী, চা বাগান, সুপারি বাগান, কমলা বাগান, পান বরজ দেখাবে।
ড্রাইভার ভাইটি খুবই ভালো ছিলো। তিনি নিজেই আমাদের সব ঘুরিয়ে দেখাইছে।

সিলেটে প্রকৃতিকন্যা জাফলংয়ের আরেকটি আকর্ষণ খাসিয়া পল্লি। পিয়াইন নদীর পাশেই সমতলে এই খাসিয়া পল্লির অবস্থান।
খাসিয়াপল্লিতে রয়েছে খাসিয়া রাজবাড়ী, গির্জা, একটি স্কুল। খাসিয়া মেয়েরাই সংসারের প্রধান ও সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।মাতৃপ্রধান পরিবার৷ মূল জীবিকা পান চাষ।

খাসিয়া পল্লীতে গিয়ে তাদের জীবন যাত্রা দেখা যায়। সব বাড়ি দুই তালা। নিচের অংশ পিলার দিয়ে তোলা৷ খাসিয়া পল্লী অনেক সুন্দর আর পরিষ্কার।। মেয়েরা পান পাতা নিয়ে সেগুলা বাছাবাছি করছে।।তবে তারা খুশি না আমরা এখানে বেড়াতে আসাতে। একজন খাসিয়া বলল,আপনারা বেড়াতে আসলে আমরা বিরক্ত হয়৷

⏩চা বাগান
খাসিয়া পল্লী দেখে আমরা গেলাম চা বাগান দেখতে। সমতল চা বাগান এইটা। চা বাগানের নাম ঠিক মনে নাই। চা বাগান এর সামনে বেশ কয়েক টি দোকান আছে সেখানে ইন্ডিয়ান বিভিন্ন পন্য বিক্রি করা হয়৷ না কেনাই ভালো!!!


চা বাগান দেখে আমরা ঘাটে যাওয়ার পথে সুপারি গাছের বাগান, পান বরজ, আর কমলা বাগান দেখলাম।।।
ঘাটে গিয়ে নৌকায় করে
গেলাম জাফলং জিরো পয়েন্ট এ।
এখন বর্ষা তাই সব পানির নিচে।নৌকা থেকেই জিরো পয়েন্ট দেখতে হলো আমাদের।।।নৌকায় দুর থেকেই ডাউকি ব্রীজ দেখে চলে আসলাম সংগ্রাম বিজিবি ক্যাম্প এর ঘাটে৷

দুপুরের খাবার খেয়ে রওনা দিলাম সিলেট এর উদ্দেশ্যে। সিলেটে পৌছায় রাত ১০ টার দিকে।মাজার এ গিয়ে অযু করে নামায পরে চলে আসি কদমতলী বাস স্ট্যান্ড এ।
আমাদের যাত্রা শেষ হয় এখানেই❤

ঘুরতে গিয়ে সেখানে ময়লা ফেললে আমাদের নিজেদেরই ক্ষতি।কয়েক বছর পর ঘুরতে গিয়ে আপনি নিজেই কষ্ট পাবেন এত ময়লা দেখে। পরবর্তী প্রজম্ম কে ত কিছু দিয়ে যাবেন? যা তারা দেখতে পারবে!!!তাই আসুন নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলি, প্লাস্টিক এর বোতল, প্যাকেট পানিতে না ফেলি।।❌❎

🔵খরচা পাতিঃ

জন প্রতি
ট্রেন ভাড়া:২৬৫/৩২০
সকালের নাস্তাঃ আখনী (৭০ টাক)
লেগুনাঃ ২৫০০÷৭=৩৬০ টাকা
সাদা পাথর নৌকাঃ ৮০০÷৭= ১১৫ টাকা
কালো পাথর সিএনজিঃ১০০ জনপ্রতি যাওয়া আসা
দুপুর খাবারঃ১০০ টাকা
রাতারগুল এ ক্যাম্পিংঃ ৬০০ টাকা
কায়াকিংঃ১৫০ টাকা
গাইডঃ৩০০÷৭=৪৫ টাকা
লেগুনাঃ২৫০০÷৭=৩৬০ টাকা
নৌকা দিয়ে জাফলিং সাইট সীনঃ ৮০০÷৭=১১৫ টাকা
খাসিয়া পল্লীঃ ৪৫০÷৭= ৭০ টাকা
দুপুর খাবারঃ ১০০ টাকা
রাতের খাবারঃ ১০০ টাকা
সিলেট টু ঢাকা বাসঃ৪৭০ টাকা

৩ হাজার টাকায় হয়ে যাবে আশা করা যায় ৮/৯ জন গেলে।

Top