ব্যক্তি ও ক্ষমতায় আইনের রূপ ভিন্ন কেন?

images-2.jpeg

– মেয়র পুত্র হলে ধর্ষনের অভিযোগে গ্রেপ্তার, পরবর্তী এক সপ্তাহের মধ্যে জামিন পাওয়া যায়। সারাদেশে ধর্ষণ একটি মহামারী রোগ ছড়িয়েছে। কিছু মানুষরূপী জানোয়ার এ রোগে তীব্র অাক্রান্ত। এভাবে চলতে থাকলে পুরো সমাজ হুমকির মুখে পড়বে। এটা থেকে পরিত্রানের উপায় খুঁজতে হবে।

– প্রতিটি সমাজ, গ্রাম, দেশ থেকে ধর্ষকদের চিহ্নিত করতে হবে। ধর্ষণের ঘটনা প্রমানিত হলে, যে কোন চেষ্টা তদবীরকে উপেক্ষা করে সরাসরি ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। বিনা বিচারে মানুষ হত্যা বন্ধ করে, বিচার প্রক্রিয়ায় দ্রুত ধর্ষকদের ফাঁসি দেয়ার আইন চালু করা যায়।

– কিন্তু না….! অামাদের বিচার প্রক্রিয়া ভিন্ন। ব্যক্তির ক্ষমতা বিশেষে যে কোন অপরাধের বিচার ভিন্ন ভিন্ন হয়।
কিন্তু কেন এই বৈষম্য…?
পত্র-পত্রিকায় দেখি, অমুক ধর্ষন মামলার অাসামী ক্রসফায়ারে নিহত। হারকিউলিসের হাতে নিহত। অজ্ঞাত ব্যক্তির হাতে নিহত ইত্যাদি খবর দেখি। এমন ঘটনাও পড়েছি ধর্ষণের কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে ক্রসফায়ারে ধর্ষক নিহত হয়েছে। যদিও বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড সমর্থযোগ্য নয়। তারপরেও ধর্ষকদের মৃত্যুতে প্রশান্তি পাই।

– এবার আসি ভিন্ন প্রসঙ্গে। যদি প্রশ্ন করি, ধর্ষক মন্ত্রী, এমপি, মেয়র, চেয়ারম্যান কিংবা ক্ষমতাধর কোন ব্যক্তি কিংবা তাদের নিকটতম আত্মীয় হয়, তবে আইনের প্রয়োগ কেমন হবে…?

#এরূপ ঘটনার হাজারো দৃষ্টান্ত থেকে আজকে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় আসা ছোট্ট একটি ঘটনা:
– শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার আসামি জাজিরা পৌরসভার মেয়র ইউনুছ ব্যাপারীর ছেলে মাসুদ ব্যাপারী জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

লেখক- এস.এম রুবেল
বার্তা বিভাগ

Top