শহরের ইমার্জেন্সী সড়কে সিএনজি গাড়ী পার্কিং। ভোগান্তি বেড়েছে ছাত্র-ছাত্রীসহ জনসাধারণের

IMG_20190627_004106.jpg

আব্দুল গফুর,কক্সবাজার::

কক্সবাজার শহরের ইমার্জেন্সী সড়ক সহ প্রধান সড়কের যত্রতত্র গাড়ি পার্কিংএর কারণে জন ভোগান্তি বেড়েছে দ্বিগুন।

দীর্ঘদিন ধরে এমন অবস্থা চলছে।এসব গাড়ি অপসারণের অভিযানের দিকে নজরে নেই প্রশাসনের।
গতকাল ২৬ জুন বুধবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়,জেলা ঈদগাহ মাঠ পয়েন্ট,জেলা স্টেডিয়ামে সামনে,পৌর-প্রিপ্যারটরি উচ্চ বিদ্যালয় ও জেলার বৃহত্তর সেবা মুলক প্রতিষ্ঠান সরকারী সদর হাসপাতাল রোড পয়েন্ট সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান,প্রধান সড়ক গুলোর দুই পাশে বিভিন্ন ধরণের গাড়ি পার্কিং করে রাখা হয়েছে।
এসব পার্কিং করা গাড়ির কারণে কোমলমতি স্কুলগামী শিশু ও পথচারীদের পায়ে হেঁটে চলাচলে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।

হঠাৎ দেখলে যেন মনে হবে এই যেন শহরের ভিতরে একটি মিনি বাস র্টারমিনাল। এসব দেখার যেন কেউ নেই এই শহরে,।
দ্রূত গতিতে গাড়ি চলাচল ও সড়কের দুই পশে সারি সারি সিএনজি গাড়ি পার্কিং করায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পারাপার হতে হয় কোমলমতি স্কুল ছাত্রছাত্রী ও পথচারীদের।

এতে যে কোন সময়ে ঘটে যেতে পারে সড়ক দুর্ঘটনার মতো প্রাণ নাশের ভয়াবহ দুর্ঘটনা।
শহরে যথাযথ সড়ক গুলোতে সিএনজি গাড়ীর দখলে থাকায় কমবেশি সারাক্ষন সড়কের দুই পাশে মিনিবাস ও সিএনজি পার্কিং করে রাখায় অনাকাঙ্খিত যানজট লেগে থাকার কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে মসজিদ আসা নামাজরত্ব মুসুল্লিদেরও।
বাকি সকল স্থানের সড়কে থাকে ইজিবাইক (টমটম), অটোরিকশা (সিএনজি), লেগুনা, এইচ পাওয়ার, মালবাহী ট্রাক, পিকআপ, রিকশা, ঠেলা গাড়ি সহ বিভিন্ন গাড়ির দখলে বর্তমান জেলা ঈদগাদ ময়দান।
এসব গাড়ির মধ্যে অধিকাংশ গাড়ির নেই নির্দিষ্ট স্ট্যান্ড ডাইভিং লাইন্সেস। যে কারণে যেখানে-সেখানে মনগড়া ভাবে গাড়ি পার্কিং করে যানজটের সৃষ্টি করছে। মানছে না ট্রাফিক আইন।
কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশের ঠাঙ্গিয়ে দেওয়া একটি সাইন বোর্ডে লেখা রয়েছে ২০খানা সিএনজিন গাড়ী পার্কিং করার নির্ধারিত স্থান,কিন্তু এসবকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে পাঁচ শতেরও অধিক সিএনজি গাড়ী পার্কিং করে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট। প্রতিটি সিএনজি পার্কিং থেকে নেওয়া হচ্ছে ২৫/৩৫ টাকা,।
সরেজমিনে গেলে স্থানিয়রা জানান ট্রাফিক পুলিশের কিছু সদস্যদের ম্যানেজ করে সিএনজি গাড়ী পার্কিং নামে টার্মিনাল ব্যানিজ্য চলিয়ে যাচ্ছে ট্রাফিক। যানজট পরিস্থিতি মোকাবেলায় ট্রাফিক পুলিশ নিয়োজিত থাকলেও প্রতিনিয়ত হিমশিম খাচ্ছে।এর মধ্যে সবচেয়ে বেপরোয়া হচ্ছে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক (টমটম)। এছাড়া এসব টমটমের ব্যাটারি চার্জ করাতে গিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিড়িক পড়েছে। এতে বেড়েছে বিদ্যুৎ চুরি।এই বিষয়ে ১০নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সালাহউদ্দিন সেতুর কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, হঠাৎ করে ঈদগাহ মাঠে শত শত সিএনজি পার্কিং দেখে আমি হতবাগ। কার ইঙ্গিতে সিএনজি গাড়ী পার্কিং নামে মিনি টার্মিনালে গড়ে তুলে এই বিষয়ে আমি কিছু জানিনা।
এ বিষয় জানতে এ প্রতিবেদক ওসি ট্রাফিক কক্সবাজারকে মোবাইলে কল দিলে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।।

Top