ব্লাডম্যানের “ব্লাড ডোনেশন চ্যালেঞ্জ “

IMG_1388.jpg

সানজিদা ইমু :

“ব্লাড ডোনেশন চ্যালেঞ্জ” গ্রহণ করে রক্তদান করার মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে মানুষকে উৎসাহিত করার জন্য ১৬জুন, ২০১৯ সালে “বিশ্ব রক্তদাতা” দিবস উপলক্ষে রক্তদান কার্যক্রম গ্রহন করেছিলো ব্লাডম্যান।এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এবং অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন টিভি ব্যাক্তিত্ব শারমিন লাকি ।আরো উপস্থিত ছিলেন রাকিব অভি এবং মোস্তফা মাহবুব হাসান। অনুষ্ঠানটি মহাকালী ব্রাক সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়েছে যেখানে মানুষ রক্ত ​​দান করেছেএবং সোশ্যাল মিডিয়াতে (ফেসবুক) এ রক্তদানের ছবি আপলোড করে অন্যদেরকে (# ব্লাড_ডোনেশন_চ্যালেন্জ)এবং রক্তদান করার জন্য তাদের বন্ধুকে আমন্ত্রন জানিয়েছে।এই প্রচারণা ৩০শে জুলাই ২০১৯ পর্যন্ত চলবে সারা বিশ্ব জুড়ে মানুষের রক্তদানে উৎসাহিত করার জন্য।

ব্লাড ডোনেশন চ্যালেঞ্জটি বেশিরভাগ মানুষকে রক্তদানে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এবং অন্যদের চ্যালেঞ্জ করার জন্য এই কাজকে “রক্ত দান চ্যালেঞ্জ” হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে। প্রভাবশালী, নীতি নির্মাতা, সেলিব্রিটি, উয়োলো দেশ রাষ্ট্রদূত, রক্তদাতা স্বেচ্ছাসেবীরা ১৪জুন ২০১৯-এ বিশ্ব রক্তদাতা দিবসকে আলোকপাত করে রক্তদান চ্যালেঞ্জকে জোরদার করে বিশ্বের বিভিন্ন অংশে ১৪জুন ২০১৯ সালে রক্ত ​​দান শুরু করে।জনসংখ্যা এবং চ্যালেঞ্জিং দ্বারা তাদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা এবং তাদের সমর্থকরা নিয়মিত স্বেচ্ছাসেবীয় রক্তদান করতে ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রচার করে একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারে।

বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৬ মিলিয়ন মানুষ রক্তদানের সাথে সম্পৃক্ত থাকে যারা প্রায় এক মিলিয়ন রোগীর জন্য। এর মধ্যে ৫ শতাংশ ও নেগেটিভ গ্রুপের রক্তধারী মানুষ মারা যায় সঠিক সময়ে রক্ত না পাওয়ার জন্য নানা রোগে আক্রান্ত হয়। প্রতি বছর প্রায় ৬ হাজারের ও বেশি শিশু জন্মগ্রহণ করে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয় এবং এই থ্যালাসেমিয়া রোগের জন্য প্রতি মাসেই তাদের রক্তের প্রয়োজন হয়। এখনো বাংলাদেশে জাতীয় রক্তের চাহিদার প্রায় ৩২ শতাংশ আসে পেশাজীবি রক্তদাতাদের কাছ থেকে( যাদের অধিকাংশই মাদকাসক্ত)। অধিকাংশ উন্নয়নশীল দেশের রক্তদানের চিত্র প্রায় একই রকম।

“ব্লাড ডোনেশন চ্যালেজ্ঞ” প্রতিপাদ্য দিয়ে শুরু প্রোগামটির সহযোগিতায় সাথে রয়েছে ব্রাক,ফেসবুক এবং Uyolo.রক্তদানে উৎসাহিত করার জন্য উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্তরের মানুষ।

Top