ভাগাভাগির পয়েন্ট হতে পারে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়ার কারণ।

received_677682542701638.jpeg

বিশ্বকাপের চতুর্থ ম্যাচে বাঘ সিংহের লড়াইয়ে হারেনি কেউই।বাংলার বাঘ ছাড় দিতে রাজি নয় কোনোদিক দিয়েই।শক্তি সামর্থ্য, সাম্প্রতিক পারফরমেন্স, ও পরিসংখ্যান সব কিছুই পক্ষে ছিলো টাইগারদের। এদিকে লঙ্কা বাহিনী ও ছাড় দেওয়ার পাত্র নয়।বনের রাজা শুধু বাঘ নয় সিংহ ও বটে এমনটাই বলেছিলেন শ্রীলঙ্কান কোচ। আত্ববিশ্বাস ও অভিজ্ঞতাই সাজানো পরিপূর্ণ দল নিয়ে খুব স্বস্তিতেই আছেন তিনি।

বাংলার বাঘিনীদের কান্নার তোপে ব্রিস্টল ভেসে গেছে বুড়িগঙ্গায়।এদিন হাজারো প্রবাসী বাঘিনীরা ব্রিস্টলকে নতুন মিরপুর বানানোর সমস্ত আয়োজন করে রেখেছিলো।কিন্তু নির্লজ্জ ব্রিস্টলের আকাশ কোনমতেই কান্না থামাইনি।সময় যত গরিয়েছে বাঙ্গালীদের আশা ততই নিথর হয়েছে।গর্জে উঠা টাইগাররা হারিয়েছে পয়েন্ট, চিন্তার ভাজ ম্যাশের কপালে।এই পয়েন্টাই হয়তো পরে বিপদে ফেলতে পারে।

পয়েন্ট পাওয়া বা হারানো বিষয়ের থেকেও গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো যদি খেলা হত এবং বাংলাদেশ হেরে যেত তাহলে কি ঘটতো??তাদের কাছে ভালো কিছুর প্রত্যাশা আগের দুই ম্যাচেও ছিলো কিন্তু লাভ কি হয়েছে? কাছাকাছি গিয়েও হারের স্বাদ গ্রহন করতে হয়েছে।তাই বলাই যায় নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো।এক পয়েন্ট হলেও তো পেয়েছে।

ভাগাভাগির পয়েন্টে ক্ষতিটা বাংলাদেশের বেশি হয়েছে কারন পয়েন্ট টেবিলে সমান ম্যাচ খেলে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট যেখানে শ্রীলঙ্কা এগিয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে।৩ পয়েন্ট নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম।

ইংল্যান্ডের আকাশ হইতো নিরাশ করবে না বাঘিনীদের প্রার্থনা।ইংল্যান্ডে­র আকাশ যেভাবে মায়াকান্না জুরে দিয়েছে তাতে সামনের বড় দলগুলোর সাথেও এমন বৃষ্টির নৃত্য দেখা যেতে পারে।সেক্ষেত্রে এমন কিছু ঘটলে ছোট দলগুলো পেতে পারে সুবর্ণ সুযোগ।এজন্য বাংলাদেশের সামনের ম্যাচগুলোতে জয়ের কোনো বিকল্প নেই।

অভাবে স্বাভাব নষ্ট। বাঙ্গালী একবার ফ্রিতে কিছু পেলে বারবার সেটার পুনরাবৃত্তি করতে চাই।২০১৫ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিায়ার বিপক্ষে পরিত্যক্ত ম্যাচে এক পয়েন্ট পেয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিলো বাংলাদেশ।

আগামি ১৭ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে রয়েছে বাংলাদেশের ৫ম ম্যাচ।এ ম্যাচে দলে আসতে পারে পরিবর্তন।একাদশে না থেকেও বেগার দেওয়া সাব্বির রহমান কে দেখা যেতে পারে মোহাম্মাদ মিথুনের পরিবর্তে।গতি দানব রুবেলকে দেখা যেতে পারে মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের পরিবর্তে।মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত যিনি তিন ফরম্যাটেই রয়েছেন ভালো অবস্থানে।ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং সবক্ষেত্রেই নিজের সেরাটায় দিচ্ছেন এই অলরাউন্ডার। কিন্তু তীরে এসেই তরি ডুবে।তিনি এমন একটি পজিশনে (৭ম)ব্যাটিং করেন যেখানে দরকার কম বলে বেশি রান।অর্থাৎ দ্রুত রান তুলতে পারা ব্যাটসম্যানকেই এই পজিশনে খেলানো উচিত।সেখানে সাব্বির রহমান হতে পারেন বেস্ট চয়েস।

সামনের ম্যাচটি যদি ভাগাভাগির মধ্যে চলে যায় তবে অনেকটায় অনিশ্চয়াতাই ভুগবে বাংলাদেশ দল।সম্প্রতি ট্রাইনেশন সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ অনেকটা এগিয়ে থাকবে আত্ববিশ্বাসে।সবাই সবার দায়িত্বটা সঠিক ভাবে পালন করলে জয়টা বাঙ্গালীদেরই হবে।

লেখক
নুর হোসেন জুয়েল
শিক্ষার্থী(২য় বর্ষ)
শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউট
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Top