কেউ কোটিতে খুশি নয়, আবার কেউ দু’টাকাতেই খুশি।

IMG_20190603_173424.jpg

কে.এস সবুজ বেপারী ;

ভিক্ষা করা কিছু মানুষের পেশা।আবার কিছু কিছু মানুষের নেশাও বটে।কেউ জীবন বাঁচাতে ভিক্ষা করে।আবার কেউ এটিকে ব্যবসা হিসেবে গ্রহণ করে।ঢাকা শহর প্রায়ই দেখা যায়,সুস্থ সবল লোকজন ভিক্ষা করছে। তাদের যদি বলা হয় “আপনি তো যথেষ্ট সামর্থবান।
ভিক্ষা করেন কেনো? কাজ দিলে কাজ করবেন?” এসব প্রশ্নের উত্তরে তারা নীরব ভূমিকাই পালন করে। কারণ কাজ করতে পরিশ্রম দরকার আর ভিক্ষা করলে কম পরিশ্রমে বেশি আয় করা যায়। কিছু কিছু শিশুকে দেখা যায় পা জড়িয়ে ধরে রাখতে।টাকা না দেওয়া পর্যন্ত তারা পা ছাড়ে নাহ।এরা এক দল অসাধু লোকের লোভের স্বীকার। দিন দিন ভিক্ষা ব্যবসা বেড়েই চলেছে।আর তাদের কবলে যারা প্রতিবন্ধী, অক্ষম, চলার সামর্থ রাখে না,যাদের দান করা উচিৎ তারাই বঞ্চিত হচ্ছে।রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা। রাত প্রায় ১২:৪৭,রাস্তার মধ্যে দেখা গেল এই দৃশ্য। ট্রাফিক জ্যামে আটকে পড়েছে গাড়ি গুলো।পঙ্গু লোকটি জীবনের ঝুঁকি নিয়েই জীবন ধারনের জন্য একটু একটু করে এগিয়ে গেলেন প্রথমে প্রাইভেটকারের কাছে।ভিক্ষা না পেয়ে গেলেন রিক্সার যাত্রীর কাছে।যাতে তাকে কিছু দান করা হয়।এভাবেই জীবন চলে তাদের।অথচ আমাদের দেশে ধনি লোকেরা যে টাকা প্রতি বছর যাকাত দেয়। তা যদি প্রকৃত পক্ষে গরীবদের মাঝে দেওয়া হয়,তাহলে এই সব প্রতিবন্ধী, পঙ্গু,অক্ষম লোকদের রাস্তায় ভিক্ষা করতে হবে নাহ।সরকারের সদিচ্ছা আর আমাদের একটু নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই পারবে আমাদের দেশ থেকে দারিদ্র্যতা দূরীকরণ করতে। ভিক্ষা দিয়ে নাহ,সাহায্য আর সহযোগিতার মাধ্যমে আমরাই পারি এই সব অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে।সমাজের উচ্চশ্রেণির লোকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,”আপনাদের যাকাতের টাকা প্রকৃত গরীবদের মাঝে বিলিয়ে দিন।তাদের ঈদের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে নিজের হাতে দান করুন। নাম আর লোক দেখানোর দান করে কোন লাভ নেই।তাতে আপনি সওয়াব তো দূর বরং পাপ ই কামাবেন।” আপনার আমার বা আমাদের সাহায্যই পারে এদের মুখে হাসি ফুটাতে,ভিক্ষাবৃদ্ধি বন্ধ করতে। ঈদ হোক সবার জন্য আনন্দময়।

Top