যৌবনপোড়া—আহমেদ সজিব

received_313339609602922.jpeg

————-
প্রকৃতির আশীর্বাদ জন্ম বিস্মৃতি পেয়েছে দণ্ড।
জীবন বায়ু শুকিয়ে চৌচির,ভেঙে খণ্ড খণ্ড।
শৈশব,কৈশোর,যৌবন,বার্ধক্যের সংসারে প্রতিটি মানুষই কবি।
অতিবাহিত প্রতিটি দিনই যেন জীবন্ত উপন্যাসের ছবি।

অসময়ে বীর্যপাতে স্বপ্নের দোষে দোষী সাব্যস্ত যৌবন।
মাসিক রক্তপাত প্রতিষ্ঠিত নিয়মে করে নারীবৃত্তির হরণ।
অর্ধেক পৌরুষ, অর্ধেক নারীত্বের প্রাপ্তি উচ্ছৃঙ্খল করে মন।
দুনিয়া,সময় সবার সাথে অধিকারবোধ হয় আয়োজন।

প্রতিষ্ঠিত যৌবনে ছেলে হয় যুবক,মেয়ে যুবতী।
সৃষ্টির স্বাদ আস্বাদনে উন্মাদনা হয় ভীমরতি।
উল্লাস,উদ্বেগে সময়ে আসে গতি দুর্বার,বাঁধা ছিঁড়বার।
তোয়াক্কা না করার দৃঢ় প্রবণতা হয়ে যায় লুটে নেয়া ভাগাড়।

চঞ্চলতা, শৌর্য, রাতজাগা যৌবনে সংস্কারে সৎকার করে।
কেউ বিশ্বাসী হয়ে কু আভাস ছাড়ে,কেউ আঁকড়ে ধরে।
একবার ভিত্তি পাওয়া প্রণোদনা আমৃত্যু হয় সঙ্গী।
ললিত,লালিত মনমোহনের যাত্রা চলে তাতেই করে ডিঙ্গি।

যাচ্ছেতাই আরম্ভে দোদুল্যমান হৃদয়ে ‘বিশেষ’ শব্দ আঁকা।
আকর্ষণের টানে অজানার জানায় থাকতে চায় না ফাঁকা।
উদবাস্তু অস্থিরতায় বৈচিত্র্য পায় জীবনের সংযোগ।
প্রণয়ীপ্রণয়িনী কৃতজ্ঞ হয় গিলে সৃষ্টির ঐশ্বর্যের সম্ভোগ।

হরণকারী,হননকারী,মিথ্যাচারী, লোভী রিপুর আবদার যৌবনের শক্তি।
জীবনসংগ্রামে ‘যোগ্যতমের টিকে থাকা’ তার ভিত্তি।
প্রেম দিতে এসে পৃথিবীতে কেউ দিয়ে যায় হেম,কেউ হর্ষ।
আফসোস অনুতাপে পোড়া যৌবনে জোর দিয়ে বসতো দেবতা বিমর্ষ।

Top