দৈনিক আলোকিত উখিয়ায় প্রকাশিত ‘কারবারী সিরাজ গাড়ির হেলপার থেকে…’ শিরোনামে সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

FB_IMG_1558780045358.jpg

গত ১৮ মে শনিবার কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক আলোকিত উখিয়া মুদ্রণ এবং অনলাইন সংস্করণে ‘কক্সবাজারের র্শীষ ইয়াবা কারবারী সিরাজ গাড়ীর হেলপার থেকে বর্তমানে ৫০ কোটি টাকার মালিক ঃ র‌্যাবের নজরদারী জরুরী’ শিরোনামে সংবাদটি আমি নিচে সাক্ষরকারীর দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমার ব্যাক্তিগত প্রতিপক্ষের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদকর্মী ভাইয়েরা এভাবে যাচাইবাছাই বিহীন নির্জলা মিথ্যাচারে ভরপুর এমন সংবাদ ছাপাতে পারেন না। এটা পেশাদারিত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে। আমি যথাক্রমে সংবাদটিতে পরিবেশিত মিথ্যা তথ্যগুলো তোলে ধরছি এবং জবাব দিচ্ছি।
১। প্রশাসনের নাকের ডগায় বসে দীর্ঘ এক যুগ ধরে ইয়াবা ব্যবসা করে ৫০ কোটি টাকার মালিক হওয়ার তথ্যটি ভিত্তিহীন এবং রোমাঞ্চকর কাহিনী ছাড়া আর কিছু না।
২। আমি কখনওই গাড়ির হেলপার পদে চাকরি করি নাই। বরং প্রথম জীবনে দীর্ঘদিন পর্যন্ত গাড়ি চালক এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন পরিবহন সংস্থার এম.ডি বা জিএম এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছি। এসময় যেসকল অর্থ উপার্জন করেছি তা বিভিন্ন স্থানে জমি ক্রয় করে বিনিয়োগ করে রেখেছিলাম। এসব জমি এখন আমার মহামূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়েছে।
৩। চাঁদনী এন্টার প্রাইজ আমার ব্যাক্তিগত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান এবং একটি স্বর্ণের দোকানেও আংশিক শেয়ার আমার রয়েছে। স্থানীয় ভাবে খোঁজ নিয়ে দেখবেন- আমরা পারিবারিক ভাবেই ব্যবসায়ীক ঐতিহ্য নিয়ে বেড়ে উঠেছি। জমিজমা আমাদের আজকের দিনের হঠাৎ করে ক্রয় করা সম্পদ নয়।
মুলত আমার প্রতিবেশি জনৈক হেলাল উদ্দিন পিতা আব্দুল হক্বের সাথে কোনো একটি বিষয়ে পারিবারিক বিরুধের জের ধরে সংবাদকর্মীদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশন করে যাচ্ছে। সুতরাং এধরণের ভিত্তিহীন মানহানিকর সংবাদ পরিবেশন করায় আমি সামাজিক ভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছি। এগুলো হলুদ সাংবাদিকতা ছাড়া কিছু নয়। রিপোর্টটিতে আমার স্ত্রী যিনি এখন বর্তমানে কক্সবাজার সরকারী কলেজে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক অধ্যয়ন করছে এবং বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন একজন সম্মানিত নারীকে ‘লাল ভাবী’ বলে সম্বোধন করেছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মীর উক্ত পেশায় অযোগ্যতার ও অপেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে।
এছাড়াও সংবাদটির পরদে পরদে ভুল ও মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নেই। সম্পূর্ণরুপে ব্যাক্তিগত আক্রোশ বশত ও চাঁদাবাজির মানসেই এমন সংবাদ ছাপিয়েছে বলে মনে করি। মানুষের ব্যাক্তিগত বৈধ সম্পদের উপর কুনজর দিয়ে আজ পর্যন্ত কেউ সফল হতে পারেনি। বরং এধরণের প্রতিহিংসা ও পরশ্রীকাতরতা মূলক সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার সমাজে আরও বেশি বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে। আইনশৃঙ্খলায় নিয়োজিত দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো বিভ্রান্ত এবং প্রতারণার শিকার হয়। এর ফলে আসল অপরাধীরা পার পেয়ে যায়।
সুতরাং এধরণের সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হতে আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রতিবাদকারী
সিরাজুল ইসলাম, পিতা: মৃত আব্দু শুকুর
টিকাদার ও ব্যবসায়ী
উত্তর ডিককুল, সদর উপজেলা, কক্সবাজার।

Top