ঈদের পর লক্কর ঝক্কর গাড়ি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছে চসিক মেয়র।

FB_IMG_1557784113031.jpg

মোঃরাসেদ
চট্টগ্রাম

ঈদের পর লক্কর-ঝক্কর মার্কা গাড়ি উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন। এ ব্যাপারে গণ পরিবহন নেতৃত্ব ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সমন্বিত করে গণপরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আজ দুপুরে চসিক সম্মেলন কক্ষে সামাজিক সংগঠন “নাগরিক উদ্যোগ” সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিনের সাথে এক মত বিনিময় সভায় মিলিত হয়। নাগরিক উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খোরশেদ আলম সুজন নাগরিক দুর্ভোগ সৃষ্টিকারী নানামুখী সমস্যার সমাধানে মেয়রের কাছে দাবী উত্থাপন করেন।
সমস্যা সমাধানের প্রেক্ষিতে বক্তব্য প্রদান কালে সিটি মেয়র ঈদের পর লক্কর -ঝক্কর গণ পরিবহন উচ্ছেদ ও গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন।
এসময় মেয়র বলেন, গণপরিবহনের অধিকাংশ গাড়িই মানহীন। অনেক গাড়ির ফিটনেস নেই। সিট নষ্ট , জানালার কাঁচ ভাঙা।আবার অনেক পরিবহন চলাচল করার সময় কালো ধোঁয়া বের হয়। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। তাছাড়া গনপরিবহনগুলো নতুন এক যাত্রী হয়রানি সমস্যাও সৃষ্টি করেছে সাম্প্রতিক সময়ে। রুটের নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাত্রীদের না নামিয়ে অর্ধপথে নামিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আবার বেশি আয়ের আশায় এক রুটের গাড়ি অন্য রুট দিয়ে যাত্রী আনা নেওয়া করছে। এতে করে যানজট সৃষ্টি সহ নানামুখী সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই ঈদের পর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, লক্কর ঝক্কর মার্কা গাড়ি উচ্ছেদসহ এ সেক্টরে কিছু পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
খোরশেদ আলম সুজন বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে আগ্রাবাদ এক্সেস রোড ও পোর্ট কানেকটিং রোডের উন্নয়ন কাজ সম্পন্নের ব্যাপারে মেয়রের কাছে আবেদন করছি। চসিকের মশক নিধন কার্যক্রম গতিশীলতা করা, পাহাড় তলী জোড় ডেবা এলাকায় বিনোদন স্পট নির্মাণ, ফয়েজ লেক ও ভাটিয়ারী এলাকাকে নিয়ে বোটানিক্যাল গার্ডেন নির্মাণ, বর্ষা শুরুর আগে ড্রেন,নালা পরিস্কার কাজ সম্পন্ন করা, বাজারে দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা, মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য নির্মূলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তিনি বক্তব্যে প্রকল্প কাজ বাস্তবায়নে ওয়াসা,কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন, টিএন্ডটিসহ সংশ্লিষ্ট সেবা সংস্থার রাস্তা কর্তনে সৃষ্ট সমস্যা নিরসনে মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
এ প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে আগ্রাবাদ এক্সেস রোড ও পোর্ট কানেকটিং রোডের প্রথম স্তরের কার্পেটিং শুরু হবে। এক্সেস রোডের কার্পেটিং হবে ৭ ইঞ্চি পুরু এবং পোর্ট কানেকটিং রোডের কার্পেটিং হবে ৯ ইঞ্চি পুরু। তাছাড়া আরাকান সড়কে ৭১ কোটি ব্যয়ে সৌন্দর্য বর্ধন কাজ শুরু হবে।
সভায় সামাজিক সংগঠন “নাগরিক উদ্যোগ” নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Top