‘মায়ের আঁখি নিঃসৃত জল’– দেলোয়ার সাঈদি সাদ্দাম

received_633470743836029.png

———–
দগ্ধ মন,’দেউড়ি পেরিয়ে পথে নামো কেবল
ভালোবাসার এতো গভীরতা পাবে কোথায় আর?
কার আঁচলে প্রেমের বিকুলিভাব আত্মতৃপ্তিতে
ভরাবে সভয় হৃদপিন্ডে,ফুসফুসের শ্বাসনালিতে!
যেনবা সে উদাত্ত বাহুজোড়ায় মমতার ছায়া আছে
অপেক্ষিত নেত্রকুঠিরে সংখ্যাহীন প্রার্থনা খেলে-
যায় ভাগ্যরেখার বেষ্টনী ডিঙিয়ে সৃষ্টিকর্তার দ্বারে
আর ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল আদলজুড়ে সর্বদা-
মঙ্গল ও মঙ্গলজনক শব্দানুপ্রাসে গড়ে ভবিষ্যৎ নকশা।

যেটি কিনা বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাকুল চাহনীর ব্যাসার্ধময়
বৃত্তে আনে হাজারও সূর্যের তেজ,-বীরদর্পে,বীরবেশে।
অধিকন্তু ক্ষুধা কিংবা দুরদৃষ্টের দুবোর্ধ্য বলয়
যখনি ভয়ার্ত পেটে ভয়াল গর্জনে সরগরম হয়।
সেই দুরত্যয় দূরত্বে সংযোগ করে উন্মাদনার
বিস্তৃতি সিঁড়ি, -পার হয় নির্দ্বিধায় সেই সোপানে
তদুপরি ব্যর্থতার গ্লানিময় অবনমিত মস্তক।
লুকানোর দায়ে যতটা চঞ্চল হই প্রকৃতি থেকে
ততটাই নির্ভরযোগ্য হয়ে উঠে পিপাসিত বুক।
যার পিঞ্জরের প্রজ্জ্বলিত চোয়ালের খাঁজে
কুমকুম কোমল আশ্বাস আছে-উৎকৃষ্টবুকে
যেন স্পর্শের স্বপ্নিল আবহে সুখ-বরফ শীতল,
এমন’ই আকৃষ্ট মায়ের আত্মা,আঁখি নিঃসৃত জল !

লেখকঃ-
শিক্ষার্থী, ঢাকা কলেজ, ঢাকা।
সম্মান চতুর্থ বর্ষ, গণিত বিভাগ

Top