শখের পেঁপে বাগান থেকে পেশায় পরিনত

56913430_2575031049431158_6930928075769118720_n.jpg

এম এইচ ইমরান চৌধুরী ,আনোয়ারা থেকে–

ব্যস্ততম রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি শখ করে চার গন্ডা জামিতে ১২০ টিরও বেশি পেঁপে চারা রোপন করে পাঁচ মাসের মাথায় লাভবান হলেন খালেদ। তিনি অল্প পুঁজি নিয়ে এ উদ্যোগে নেমে পড়েন বলে জানালেন। গতবছর শীতের শেষে এবং গ্রীষ্মের শুরুতেই অল্প যায়গাতে অল্প কিছু পেঁপে গাছ নিয়ে তার পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করলেও এবার চার গন্ডা জমির উপর ১২০টি পেঁপে গাছ লাগিয়ে তার পরিকল্পনাকে আরও সামনের দিকে অগ্রসর করে অধিক লাভবান হওয়ার আশ্বাস রাখেন তিনি। তার পেঁপে বাগান করার অনুপ্রেরণা ও কার্য্যক্রমের আগে বা পরে স্হানীয় উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কোন রকম পরামর্শ বা সুযোগ সুবিধা পাননি বলে যানান তিনি।
একাধিক বার কৃষি অফিসারকে তার বাগানের সমস্যার কথা অবহিত করলেও আশার বাণী শুনিয়ে দেন বলে জানাল পেঁপে বাগান মালিক কর্তৃপক্ষ। তিনি আরও বলেন, কৃষি অফিস থেকে কোন ফ্যাসিলিটি ও চারাগাছকে বিভিন্ন রুগের কবল থেকে বাঁচিয়ে অধিক লাভবান হওয়ার পরামর্শ ও অনুপ্রেরণা পেলে আমার এ উদ্যোগ কে আরও সামনের দিকে এগুতে মনস্হ করতে পারতাম।

খালেদ খুব প্রতিশ্রুতিময়, কোমল হৃদয়ের পরিশ্রমী একজন পুরুষ। সে ছোটবেলা থেকেই খেলা ধুলার পাশাপাশি পরিবার ও তার নিজের প্রয়োজনীয় সংকট ও চাহিদা দূরিভূত করতে তার পড়ালেখার পাশাপাশি অবসর সময়ে কৃষি ফসল কাজে উৎপাদন ও আয়ের লক্ষ্যে সময় দিতেন। খুব কম সময় এবং অল্প পুজিতে এ উদ্যোগটি বেছে নেওয়া যায়।

সরেজমিনে দেখা যায় , তাঁর বাগানে পেঁপে গাছ ছাড়াও সারিবদ্ধ পেঁপে গাছগুলোর পাশের খালি যায়গা গুলোতে বিভিন্ন সাথী ফসল যেমন,বারমাসি-টমেটো,বেগুন,মরিছ,ডাটা শাক,মালটা,কমলা,কলা,ফুদিনা,পেয়ারা,লেবু,লিচু সহ বিভিন্ন প্রজাতির সাথী ফসল গাছ লাগানো হয়েছে বাগানটিতে। এছাড়াও খালেদের ৪০০টিরও অধিক সুপারি গাছেরও একটি বাগান আছে যার থেকে প্রায় বছরে লাখ টাকা আয় করে থাকে খালেদ। তাছাড়া সুপারি একটি আন্তর্জাতিক বাজার ও ব্যাবসায় পরিনত হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর সুপারি আমদানি করে থাকে বলে এ খাত থেকে প্রতি বছর অল্প শ্রমে বেশি আয় করা সম্ভব। পাশাপাশি সে একটি বাড়ি ও একটি খামার এর অন্তর ন্যায় ৩টি গাভী, ও ৪টি ব্লেকবেঙ্গল ভালো জাতের ছাগী নিয়ে ক্ষুদ্র একটি খামার গড়ে তুলছে তার বসত বাড়িটির পাশেই। খালেদকে তার ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে যানতে চাইলে বলেন, পেঁপে বাগান এবং সুপারি বাগানের পাশাপাশি তার বসত বাড়ির সামনে ১৪ কানি দীঘির পশ্চিম পাড়ে ৫০ টি গাভী বাছুর ও ষাড় এর বাসস্হান অনুপযোগী একটি খামার গড়ার পরিকল্পনাও হাতে নিয়েছেন তিনি। খুব শিগ্রয়ই তার এ পরিকল্পনা কে বাস্তবায়ন করবে বলে জানালেন তিনি।

Top