লোহাগাড়ায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

57543648_333333720719565_888802155731877888_n.png

এম,এস, মিনহাজ
স্টাফ রিপোর্টার

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় নবম শ্রেণির ছাত্রীকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণেরর অভিযোগ উঠেছে এক কোচিং সেন্টারের শিক্ষকের বিরুদ্ধে। গত ১২ এপ্রিল দুপুরে লোহাগাড়া উপজেলার উত্তর আমিরাবাদ ঘোনাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। লোহাগাড়া থানার উপ-পরিদর্শক জহির উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম সাইফুল ইসলাম। তিনি উত্তর আমিরাবাদের বাসিন্দা। ঘটনার পর থেকে তিনি পালাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার তদন্তকারী থানার এসআই বিকাশ রুদ্র জানান ‘ঘটনার দিন ওই ছাত্রীর মা বাসায় ছিলেন না। এই সুবাধে ওই দিন দুপুরে ছাত্রীর বাসায় গিয়ে হাত-পা বেঁধে তাকে ধর্ষণ করে সাইফুল। এসময় মেয়েটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা ছাত্রীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর মা বাদী হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। শিক্ষক সাইফুলকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

এজাহারে অভিযোগ আনা হয়, অভিযুক্ত শিক্ষাক সাইফুল ইসলাম কিছুদিন আগে উত্তর আমিরাবাদে সৃজনশীল নামে একটি কোচিং সেন্টার খোলেন। তার অনুরোধে উত্তর আমিরাবাদ এমবি উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী, তার বোন ও দুই ভাইকে ওই কোচিং সেন্টারে ভর্তি করানো হয়। সেই থেকে সাইফুলের সঙ্গে ওই ছাত্রীর পরিবারের যোগসূত্র তৈরি হয়।
ওই ছাত্রীর মা বলেন, ঘটনার আগের দিন বিশেষ কাজে আমার বড় মেয়ের শ্বশুরবাড়িতে যাই। ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক আটটার সময় সাইফুল আমাকে ফোন করে আমি কোথায় জানতে চায়। আমি না থাকায় সে আমার ঘরে এসে আমার মেয়েকে একা পেয়ে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ করে। গুরুতর আহত অবস্থায় মেয়েকে লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে এক সপ্তাহ চিকিৎসার পর গত বৃহস্পতিবার আমরা তাকে বাড়িতে নিয়ে আসি।

থানার এসআই বিকাশ রুদ্র আরো জানান, শিক্ষক সাইফুলকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাইফুল যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারে সেজন্য আমরা বিমান ও স্থলবন্দরে বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছি। আশা করি তাকে দ্রুত গ্রেফতার করতে পারবো।

Top