আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে চকরিয়ায় জমি জবর দখল নিয়ে উত্তেজনা

download-1-6.jpg

সাঈদী আকবর ফয়সাল,চকরিয়া
পার্বত্য বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলার ১নং আলীকদম ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মাস্টার নাছির উদ্দিন পাড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা ও পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে সন্ত্রাসী কায়দায় জমি জবর দখল চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে ভূক্তভোগী পরিবারসহ এলাকাবাসীর মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগে জানাযায়, ২৮৮নং আলীকদম মৌজার ১৪১ নং খতিয়ানের ৭৭২ ও ৭৬৯ দাগের ১.২৬একর প্রথম শ্রেণি জমির মালিক ওই এলাকার মৃত আবদুল খালেকের পুত্র মোহাম্মদ হোছন গংয়ের। ওই জমির প্রতি লুলোভ দৃষ্টি পড়ে একই এলাকার ভূমিদস্যু চক্রের। এনিয়ে প্রথমে আলী কদম থানায় সাধারণ ডায়েরী (নং ৬০৩/১৭) দায়ের করেন। এতে অভিযুক্ত করা হয় ২নং চৈক্ষং ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের কাশেম মেম্বার পাড়ার রফিকুল ইসলামের পুত্র মীর কাশেম (ছুট্টো মিয়া) ও সাইফুল ইসলাম, আবুল কাসেমের ছেলে আবছার উদ্দিন, মৃত আমিন শরীফের পুত্র আবুল কাশেম, কবির আহম্মদের পুত্র মো: শওকত ও মোস্তফাসহ অজ্ঞাত ৮/১০জনের বিরুদ্ধে।
ভূক্তভোগী মোহাম্মদ হোছন অভিযোগ করেন, তিনি জমিগুলো বিগত ২০০৯সনের ২৪জুন বিক্রয় নাদাবীনামা রেজি: দলিল নং ১৬৩/০৯মূলে ক্রয় করেন। এর পর থেকে জমিতে ৩টি বসতবাড়ি নির্মাণ করে ভোগ দখলে রয়েছেন। অভিযুক্তরা ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তার ভোগ দখলীয় জমি জবর দখলের পায়তারা চালালে তিনি থানার জিডি ও অভিযোগ দায়েরের পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সর্বশেষ পার্বত্য বান্দরবান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ধারার আদেশ চেয়ে মিস সিআর মামলা (নং ১৯/১৮) দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালতে গত ৩ডিসেম্বর’১৯ইং শুনানী শেষে জমিতে অভিযুক্ত বিবাদী পক্ষের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন এবং আলীকদম থানার অফিসার ইনচার্জকে স্থিতাবস্থা ও আইনশৃংখলা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্তরা সর্বশেষ ২০ এপ্রিল’১৯ইং পযর্ন্ত সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে জোর-জবর দখল প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখাসহ নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি ধমকি প্রদর্শন করে চলছেন। এনিয়ে ভূক্তভোগী ও মামলার বাদী পক্ষ বিজ্ঞ আদালত ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে আইনী সহায়তাসহ ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেছেন।
অপরদিকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছেন আবদুল মালেকের স্ত্রী শাহেনা বেগম (৪২)। তিনি জানিয়েছেন, অভিযুক্তরা তার বসতঘরে হামলা ও ভাংচুর চালিয়ে অন্তত ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেন এবং পরিবারের নারীসহ ৫জন সদস্যকে মারধরে আহত করেন। এনিয়ে শাহেনা বেগম (মোহাম্মদ হোছনের পুত্রবধু) বাদী হয়ে প্রতিকার চেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

Top