চেক প্রতারণার মামলায় এক ব্যক্তির ১বছর কারাদন্ড ও ৩২ লক্ষ টাকা জরিমানা

Screenshot.png

আদালত প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম :

চট্টগ্রামের বিজ্ঞ মহানগর ৫ম যুগ্ম দায়রা জজ মোঃ জহির উদ্দিনের আদালত এক ব্যক্তিকে চেক প্রতারণার জন্য ১ বছর জেল ও চেকের সম পরিমাণ ৩১,৭৮,৮৫০/- (একত্রিশ লক্ষ আটাত্তর হাজার আটশত পঞ্চাশ) টাকা অর্থ দন্ডের সাজা প্রদান করছেন । আসামী চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানার কদম রসুল এলাকাধীন মোঃ আমির হোসাইন মাষ্টার এর পুত্র এবং পাকিজা গ্রুপের কর্ণধার মোঃ সিরাজদৌল্লাহ (৫৫) সিএমপি’র বন্দর থানাধীন আই.বি.বি.এল (ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড) আগ্রাবাদ শাখার বিনিয়োগকৃত অর্থের পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য মামলার বাদী ব্যাংকে আসামীর পরিচালনাধীন ও মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মেসার্স পাকিজা এ্যালয় এন্ড ষ্টীল এর নামীয় হিসাবের বিপরীতে ৩১,৭৮,৮৫০/- (একত্রিশ লক্ষ আটাত্তর হাজার আটশত পঞ্চাশ) টাকার চেক প্রদান করেন । চেক আসামীর কথা মতে বাদীর নামীয় ব্যাংক হিসাবে উপস্থাপন করলে চেকটি অপর্যাপ্ত তহবিল হেতুতে ডিজঅনার হয়ে ফেরত আসে । বাদী ব্যাংকের পক্ষে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অফিসার মোঃ ফোরকান এই আসামীর বিরুদ্ধে বিগত ২৩/১২/২০১৫ইং তারিখে এনআই এ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারায় বিজ্ঞ চীফ মেট্টোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। পরবর্তীতে মামলা বিচার নিষ্পত্তির জন্য বিজ্ঞ ৫ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ জনাব মোঃ জহির উদ্দিন এর আদালতে বদলি হয়। বিজ্ঞ বিচারিক আদালত এন.আইএ্যাক্ট এর ১৩৮ ধারার অপরাধে আসামীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। চার্জ গঠনের পর বাদীর সাক্ষী জেরা, জবানবন্দি গ্রহণ, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন এবং নথি পর্যালোচনা শেষে মামলার আসামীর বিরুদ্ধে বাদী ব্যাংকের আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমানিত হওয়ায় আসামীকে এক বছরের কারাদন্ড এবং চেকের সমপরিমাণ ৩১,৭৮,৮৫০/- (একত্রিশ লক্ষ আটাত্তর হাজার আটশত পঞ্চাশ) টাকা অর্থদন্ডের আদেশ সহ সাজা পরোয়ানা ইস্যুর আদেশ দেন । উল্লেখ্য, আসামী পলাতক থাকায় স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পন কিংবা পুলিশ কর্তৃক ধৃতক্রমে আদালতে সোর্পদ হওয়ার দিন হতে উক্ত আসামীর সাজার মেয়াদ কাল গণনা আরম্ভ হবে । বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন- এডভোকেট এ.এম জিয়া হাবীব আহসান, এডভোকেট এ.এইচ.এম জসিম উদ্দিন, এডভোকেট দেওয়ান ফিরোজ আহমদ, এডভোকেট সাইফুদ্দিন খালেদ, এডভোকেট মোঃ হাসান আলী প্রমুখ । রাষ্ট্র পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিজ্ঞ সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এডভোকেট মোঃ মহিবুল্লাহ চৌধুরী।

Top