তুমি আজ পথে কেনো “মা”?–হাসানাত খান

717ccda07205d63715e40d6831430e3a.0.png

—————–
‘মা’ সর্বজনীন বিশাল এক ভালোবাসার নাম, এই পৃথিবীতে সুন্দরতম একটি শব্দ! ছোট্ট একটি শব্দ হলেও একটি জীবন সৃষ্টির জন্য তার অবদান অতুলনীয়।এই মায়ের ভালবাসাকে কখনো মুল্য দিয়ে বিচার করা যায়না না। মায়ের ভালোবাসাকে শুধু মুল্য কেন এই বিশ্বে বিধাতা এমন কিছু সৃষ্টি করেননি যার সাথে মায়ের মমতার তুলোনা করা যায়। মা-হলেন সন্তানের একমাত্র মমতার ছায়া। যে মানুষটি তার জীবনের সমস্ত সুখ বিসর্জন দিয়ে আমাদের আগলে রেখে লালন পালন করেছেন,আমাদের বড় করে তুলেছেন,আমাদের নিয়ে সবসময় স্বপ্ন দেখেছেন,শুভ কামনা করেছেন সারাটা জীবন।সেই মায়ের জণ্য আমরা কতটুকু করতে পেরেছি?

যখন মহান আল্লাহর ইচ্ছায়-
বাবা-মায়ের উছিলায় দশ মাস দশ দিন গর্ভে ধারন করিয়া,জন্মেছি এই ধরায়,
আগলে রেখেছো “মা’তোমার ঐ আছল ছায়ায়,
তুমি “মা’’শুইলে ভিজা কাথায়,
আমায় রাখিলে মা’’ শুকনা কাথায়,
এতভালো হয়কি গো’ মা’’ নিজের শুখ ত্যাগ করে,
সে জণ্যেই তুমি “মা’’ তোমার তুলোনা বিশ্বের কার সাথে হয়নাগো মা’’ শীতের সময় যখন কষ্টপেতাম তোমার বুকে আগলে রাখতে।তোমার ভালোবাসা মা’’ কোথায় পাব এই ধরায়” কতো ভালবাসা আইলো গেল মা’’ তোমার ভালোবাসা হারিয়ে গেল ফিরা আর আইলোনা।

জাগো বিবেক জাগো মানবতা-আমরা মহান আল্লাহর ইচ্ছায়, বাবা মায়ের উছিলায় এই পৃথিবীতে এসেছি। আমাদের বাবা’’ মা’’ আমাদের ছোট বেলা থেকে অনেক কষ্টোকরে লালন পালন করেছেন বড় করছেন,ছোট বেলা থেকে বাবা মায়ের হাত ধরে হাটতে শিখেছি,তারা আমাদের কাছে আসাবাদি প্রত্যাশিত ভালো ব্যবহারের, আমরা কি ফিরিয়ে দিতে পেরেছি তাদের ন্যায্য অধিকার।?পারিনী?কেন পারিনী আমাদের কি শিক্ষার অভাব,নাকি বিবেক মানুস্বত্বের অভাব? নাকি দারিদ্রতার অভাব?যে মা’’ সারাটা জীবন তার সুখ আরাম আয়েস সমস্ত কিছু ত্যাগ করে আমাদের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন সেই মায়ের মুখে আজ আমরা সন্তানেরা খাবার তুলে দিতে পারিনা এটা কি ব্যর্থতা? না আমি এটাকে ব্যর্থতা বলবোনা।আমি বলবো এটা একধরনের অসব্যতা।সুশিক্ষার অভাব।যে শিক্ষা আমরা নিতে পারিনা।মাঝে মাঝে আমার বিবেকের কাছে প্রশ্ন জাগে।তুমি মা’’ আজ পথে কেন?তুমি কেন আজ না খেয়ে মানুষের দুয়ারে ঘোরো?
মা’’তোমার হাতে কেন আজ ভিক্ষার থালা।?
তুমি কেন মা না খেয়ে রাস্তায় পরে আছ?
তোমারও তো ছেলে মেয়ে আছে,তারাও তো খেয়ে বেচেঁ আছেন।তবে তুমিতো একজন তোমার মুখে কেন খাবার নেই?তুমি তখনও কেঁদে ছিলে মা’’ যখন তোমার সন্তান খাবার খেতে চাইতো না,তুমি মা’’ আজও কাঁদো তোমার সন্তান যখন তোমাকে খাবার দিতে পারেনা বলে।

একজন মা’’ যদি তার পাঁচ সন্তানের মুখে খাবার তুলে দিতে পারেন তাহলে পাঁচ সন্তান মিলে কেনো একজন মায়ের মুখে খাবার তুলে দিতে পারেন না?কি অপরাধ এই মায়ের? তোমাকে সারাজীবন কষ্টকরে,ডাক্তার,ইঞ্জিনীয়ার, উকিল,ব্যারিষ্টার বানিয়েছেন,তুমি দেশে শুনাম খ্যাতি অর্জন করতে পেরেছো।এটা কি মায়ের অপরাধ।?তবে কেন আজ মায়ের মুখের আহার নেই?যাই হোক অনেক কিছু লিখেও অনেক কথাই শেষ করা জাবেনা মাকে নিয়ে কোনো কিছু লেখা কখনোই শেষ হয়না।

হয়তো কখনো মায়ের স্নেহের শীতল-স্নিগ্ধ মমতা দিয়ে শাড়ির আঁচলে আর কখনো মুখমণ্ডল মুছে দিবেন না। জীবন চলার পথে সকল ক্লান্তি, সমস্যা আর চিন্তার সবকিছুই মায়ের স্নেহ ভরা স্পর্শে যে সুখ ও শান্তি ফিরে পাই হয়তো তা থেকে আমরা কোনদিন বঞ্চিত হবো। বা আমাদের যার বাবা-মা নেই তারা হয়তো আজ উপলব্ধি করি। মা’’ আমাদের জীবনের কতটাখানি জুরেছিল। মা হলেন পরিবারের একটি শক্ত স্তম্ব, একটি কেন্দ্র, একটি সমাধান, একটি সংসারের চাবিকাঠি। মাকে আমরা যতই দুঃখ দেই না কেন তবু তিনি কোলে টেনে নেন তার স্নেহময়ী মায়ার আবরণে। মার ভালবাসা পবিত্র, চিরন্তন, ও শাশ্বত।
আসুন আমরা সন্তানেরা আমাদের বাবা মায়ের ন্যয্য অধিকার ফিরিয়ে দেই, তাদেরকে ভালোবাসি যেমনি করে তারা আমাদের কে ভালোবাসেছেন।আমার জীবনের প্রথম বই আদর্শ লীপি সেটাও আমার বাবা-মায়ের থেকে পাওয়া শিক্ষ্যা জীবন শুরু।আমি আমার জীবনের যাহা কিছুই অর্জন করেছি।তা- শিক্ষ্যা জীবন বলেন আর কর্ম জীবন বলেন।আমি বলবো সমস্ত অর্জন আমার বাবা-মায়ের।কারণ তারা আমাকে লালন পালন করেছেন এবং যতটুকু সম্ভব সুশিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন।ধন্যবাদ সবাইকে

—————-
লেখক-মোঃ হাসানাত খান)
বর্তমান প্রজন্মের একজন সমালোচক

Top