দেশের অব্যাহত অগ্রযাত্রার স্বার্থে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধ করা জরুরীঃ

1553233653965blob.png

মোহাম্মদ মনজুরুল আলম চৌধুরী। ;
দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি, খেলাধুলা, মেধা, জ্ঞান বিজ্ঞান, আইন ডাক্তার ও প্রকৌশল পেশা , বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীসমূহ, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সহ বিভিন্ন মননশীল ও সৃষ্টিশীল কর্মে পুরুষের পাশাপশি নারীদের অংশগ্রহণ, অবদান কোন অংশে কম নয়। দেশের স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরেও আমরা কী আমাদের দেশটাকে নারীর জন্য নিরাপদ, সুরক্ষিত আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তুলতে পেরেছি। তাঁদের ন্যায্য বা প্রাপ্য সুযোগসুবিধা, তাঁদের চলাচল নির্বিঘ্ন বা নিরাপদ, সামাজিক ও আইনি সুরক্ষা কতটুকু নিশ্চিত করা গেছে। তাঁদের স্বাধীন মতামত, পেশা পছন্দের স্বাধীনতা, যোগ্যতা মেধা জ্ঞান বিদ্যাবুদ্ধির সুষ্ঠু ও ন্যায়ানুগ প্রয়োগ কতটুকুই বা নিশ্চিত করা গেছে। সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয় কুসংস্কারসহ বিভিন্ন বাঁধা বিপত্তি সত্ত্বেও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মেয়েরা অনেকদূর এগিয়ে গেলেও তাঁদের ওপর সমাজের অসৎ বা কুদৃষ্টি, তাঁদের প্রতি অশুভ দৃষ্টিভঙ্গি খুব একটা বদলায়নি। প্রতিনিয়ত সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নানান ধরণের বৈষম্য এবং প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে দেশের নারীদের। সমাজের বিভিন্ন জায়গায় নারীদেরকে নানান রকম নির্যাতন, বৈষম্য, যৌন নিপীড়ন, হেন্সতার শিকার হতে হচ্ছে। শিশু, নারী শিশু, নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, হত্যা খুন এবং পথেঘাটে নারী হেনস্তা ও ইভটিজিং্যের ঘটনা ঘটেই চলেছে। সবচেয়ে বেশী নির্যাতন, ধর্ষণের শিকার হচ্ছে, শিশু ও নারী শিশু এবং নারীরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের দিন রাতে নোয়াখালীর সুবর্ণচরে স্বামী-সন্তানকে বেঁধে রেখে এক নারীকে মারধর এবং ধর্ষণের মামলায় ইন্ধনদাতা রুহুলকে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ গত ১৮ মার্চ’১৯ রুল দিয়ে ১ বছরের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। এতে দেশবাসী বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যায় ধর্ষণের ইন্ধনদাতার জামিন হওয়ায়। পরবর্তীতে জামিন আবেদনে তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলে রাষ্ট্রপক্ষ বিষয়টি ওই বেঞ্চের নজরে আনলে বিচারপতিরা ১৮ মার্চের জামিন আদেশ বাতিল করেন। এতে জনমনে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেমে আসে। কেননা শিশু, নারী শিশু এবং নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের যথাযথ বিচার হচ্ছে না বলে নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে বলে সমাজ বিজ্ঞানী, অপরাধ বিশেষজ্ঞ সহ সাধারণ মানুষের ধারণা।

বিগত কিছু দিনের কিছু দুঃখজনক, অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত ঘটনা পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, নারী শিশু, শিক্ষার্থী ও নারীরা বিভিন্নভাবে যৌন হয়রানী, নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হয়েছে। পাশাপাশি বেদনাদায়ক, নারকীয়, ভয়ংকর, ভয়াবহ, সামাজিক, মানবিক, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের অবক্ষয়, অধঃপতনের করুণ আর দুর্বিষহ চিত্র আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠেছে। পুলিশের ভয় দেখিয়ে গৃহবধূ ধর্ষণের চেষ্টায় ৪ জনের নামে মামলা হয়েছে। জানা যায়, ‘উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের বানিয়াছড়ার পাহাড়ি গ্রামে গভীর রাতে পুলিশ আসছে ভয় দেখিয়ে বাড়িতে ঢুকে গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আক্রান্ত গৃহবধূর মা বাদি হয়ে ২৭ মার্চ চকরিয়া উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আলোচিত দা বাহিনীর কিলার ইসমাইল সহ চারজনের বিরুদ্ধে একটি নালিশী মামলা করেছেন’। {সূত্রঃ সুপ্রভাত, ৩১ মার্চ’১৯}। ঢাকার সভারে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার সৎ মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়। ‘ধর্ষণের অভিযোগ আনা কিশোরীর (১৫) ভাষ্য অনুযায়ী, তার মা ও সৎ বাবা পেশায় নির্মাণশ্রমিক। গত শুক্রবার (২২/০৩/১৯) সকাল আটটার দিকে তাঁরা অন্যান্য দিনের মতো কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। কিছু সময় পর তার সৎবাবা বাসায় ফিরে আসেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর বেলা তিনটার দিকে সৎবাবা তাকে শোবার ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করেন। সন্ধ্যায় তার মা বাসায় ফেরার পর সে মায়ের কাছে সবকিছু খুলে বলে। পরে গত ২৩/০৩/১৯ তারিখ সে থানায় গিয়ে মামলা করে’।{ সূত্রঃ” প্র/ আলো, ২৪ মার্চ’১৯}। ‘ফেনীর সোনাগাজীতে আলিম ২য় বর্ষের এক ছাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় স্থানীয় একটি মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ’। {সূত্র; প্র/আলো, ২৮/০৩/১৯}।‘গত ২৫ তারিখ রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার ছলিমপুর এলাকায় ইয়ামিন ওরফে রবিন তার স্ত্রী মোছাম্মৎ আয়েশা আক্তার (২৬) কে নির্যাতন করার পাশাপাশি কাঁচি দিয়ে আঘাত করে তার বাম চোখ নষ্ট করে ফেলেছে’। {সূত্র; আজাদী, ২৮/০৩/১৯}। ‘কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে এক স্কুলছাত্রীকে (১০) অপহরণ করে পাঁচ দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ করেছে তার পরিবার। পরিবার মামলা করেছে। এছাড়া জামালপুর শহরে গত বৃস্পতিবার ( ২৮/০৩/১৯) এক শিশু (৭) ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিশুটিকে পুলিশ উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে’। {সূত্রঃ প্র/আলো, ২৯ মার্চ’১৯}। গত ২৯ মার্চ’১৯ সুইসাইড নোট লিখে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে কুষ্টিয়ায়। ‘জয়নাল আমাকে জোর করে নিয়ে গেছে। আর তোমার মানসম্মান ডোবাল রাজপাড়ার মিঠুন,আঙ্গুর। ….. আমি যদি মরে থাকি, তাহলে তুমি মনে করবা রাজপাড়ার ছেলেদের জন্য আমি মারা গিয়েছি’। {সূত্রঃ প্র/আলো, ৩০ মার্চ’১৯}। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার একটি গ্রামের অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রী গত বৃহস্পতিবার (২৮/০৩/১৯) বখাটের শ্লীলতাহানির গ্লানি সহ্য করতে না পেরে মেয়েটি ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। খুব দুঃখ এবং বেদনাদায়ক বিষয় হচ্ছে, মেয়েটি সুসাইড নোটে আরও লিখেছে, “আব্বু তুমি আমাকে ক্ষমা করে দিও। আমি জানিনা, কি করে কী হয়ে গেল। আমি তোমার মানসম্মান বাঁচাতে পারলাম না”। এই অষ্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া মেয়েটির দোষ কী। সে সমাজের অবহেলিত মেয়ে বলে আজ হায়েনার দল তার ইজ্জত আভ্রু মান সম্মান সতীত্ব কেড়ে নিয়ে তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে। আমাদের সমাজে নারীরা আজ কোথাও নিরাপদ নয়। ঘরে, রাস্তায়, শিক্ষালয় এমন কি ধর্মীয় শিক্ষা কেন্দ্র মাদ্রাসা পর্যন্ত। পাশাপাশি শ্বশুর বাড়িতে যৌতুকের জন্য পুরুষদের সাথে সাথে নারী জাতির কলঙ্ক ননদ, শাশুড়িরাও এসব হত্যা, নির্যাতনের সাথে জড়িয়ে পড়ছে।

কর্মজীবী মহিলা তিনি পোষাক কর্মী, নির্মাণ শ্রমিক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিভিন্ন সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেখানেই কর্মরত থাকুক না কেন সমাজের কিছু অমানুষরুপী আদিম বন্য দানব তাঁদেরকে বিভিন্নভাবে যৌন নির্যাতন, রাস্তাঘাটে কটূক্তি, যানবাহনে হেনস্থা, যৌন নিপীড়ন, গা ঘেষে দাঁড়ানো, নারীদের হাত, ঘাড়, বুক সহ অন্যান্য স্পর্শকাতর স্থানে স্পর্শ, আঘাত, হাত বা দেহ লাগিয়ে বিভিন্ন ভাবে নিপীড়ন করার অমানুষিক, বিকৃত যৌন তৃপ্তি, কামনা, বাসনার অনৈতিক, অমানবিক, কর্মকাণ্ড করে থাকে। বখাটে তরুণ, মাদকাসক্ত মানুষ, রিক্সা চালক, শ্রমিক, বাস ড্রাইভার, কন্ডাক্টর থেকে শিক্ষক, ডাক্তার, প্রকৌশলী, সমাজের উচ্চপদে আসীন কর্মকর্তা, সমাজপতি, মৌলানা কারো হাত থকেই আমাদের শিশু, নারী শিশু, শিক্ষার্থী, নারী কারোরই যেন পরিত্রাণ নেই। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় সমাজের বেশির ভাগ মানুষ বিকারগ্রস্ত, পথভ্রষ্ট, মাদকাসক্তি, বেকারত্ব, প্রেমে প্রত্যাঘাত হওয়া সহ ইত্যাদি অনেক কারণে নারী শিশু ধর্ষণ আর নির্যাতনের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। উন্মূক্ত বিজাতীয় অপ আকাশ সংস্কৃতি,নীল ছবির দংশন, মাদকের সহজলভ্যতার পাশাপশি যৌতুকের কারনেও অনেক মা বোন আজ নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। গরীব, অসহায়, নিঃস্ব, দরিদ্র গৃহকর্মীদের বেশীর ভাগ যৌন নির্যাতন ও নিপীড়ন, দৈহিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে অহরহ। ক্ষেত্র বিশেষে কিছু কিছু নারীর উগ্র চলাফেরা, পুরুষের সাথে ফ্রিমিক্সিং, তথাকথিত নারী স্বাধীনতা, নারীদের মাদকের প্রতি আসক্তি এসব অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন লালসার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, মানুষ অসহায় ধর্ষিতাদের পাশে তো দাঁড়ায় না বরং তাঁদেরকে নিয়ে বিশ্রী কটূক্তি, ব্যাঙ্গ, বিদ্রুপ করা সহ নানান ধরণের অপবাদ দিয়ে থাকে। আমাদের প্রিন্টিং এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ধর্ষকের ছবি না ছাপিয়ে বা না দেখিয়ে ধর্ষিতার ছবি প্রকাশ করে। ফলে সেই ধর্ষিতা মা বোনদের বেঁচে থাকা এবং বেঁচে থাকার সংগ্রাম খুব কঠিন ও দুরূহ হয়ে উঠে। বিভিন্ন যৌন হয়রানীতে নির্যাতিত গৃহকর্মী বা অসহায় নারীদের সমাজে মাথা নীচু করে চলতে হয়। কিন্তু অর্থ বিত্ত প্রভাব প্রতিপত্তি রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিতে বলীয়ানরা বখাটে, দুর্বৃত্তরা সবকিছু অর্থ আর বাহুবল দিয়ে চাপা দিয়ে থাকে। পুলিশের সঠিক তদন্তের দুর্বলতা, আদালতে ভিক্টিমদের প্রতি আইনজীবীদের যে অশালীন বক্তব্য দেয়া হয় বা আচরণ করা হয় তাতে ধর্ষিতরা আর আদালত মুখী হতে চায় না। এই সমাজ অনেক বড় বড় অন্যায় করেও তাঁরা বেঁচে যায় কেননা অর্থ-বিত্ত, প্রভাব, প্রতিপত্তি ও রাজনৈতিক আশ্রয় প্রশ্রয়ের কারণে। ন্যায় বিচার পাওয়া তাই অনেক দুষ্কর এবং কঠিন হয়ে যায়। ফলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে ভূক্তভোগীরা আগ্রহ আর ভরসা হারিয়ে ফেলে। অনেকে টাকার বিনিময়ে সমঝোতা করতে বাধ্য হয় বা বাধ্য করা হয়ে থাকে।

দেশের প্রচলিত আইনের পাশাপাশি প্রয়োজনে বিশেষ আইন প্রণয়নের মাধ্যমে নারীর প্রতি নির্যাতন, নিপীড়ন, জুলুম, হেনস্থা, ধর্ষণ, খুন, যৌন নিপীড়ন এবং সহিংসতা বন্ধে কার্যকরী উদ্যোগ এবং ভুমিকা রাষ্ট্রকেই নিতে হবে। নিরপেক্ষ এবং নির্মোহভাবে আইনের ন্যায় ও সুষ্ঠু প্রয়োগে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে আসতে হবে নির্লোভ, নৈতিকতা, মানবিকতা, রাজনৈতিক এবং সামাজিক অঙ্গীকার নিয়ে। কেননা দেশের অর্ধেক জনসংখ্যার নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি, সমৃদ্ধি, আর্থ সামাজিক অবস্থার পরিবর্তন, সর্বোপরি দেশের সার্বিক উন্নয়ন কোনভাবেই সম্ভবপর নয়। আমাদের সমাজে নারীর বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ, অবদানকে সম্মান আর মর্যাদার চোখে দেখার জন্য মানুষের কুৎসিত মন মানসিকতার পরিবর্তন খুব জরুরী। তাঁদেরকে তাঁদের প্রাপ্য অধিকার দিতে হবে, দেশের নারীদের তাঁদের জ্ঞান, মেধা, বিদ্যা বুদ্ধি, সুকুমার সৃষ্টিশীল নান্দনিক বৃত্তি ও মননশীলতার উন্মেষ ঘটানোর ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি তাঁদের সমাজের সর্বস্তরে প্রতিযোগীতামূলক অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে হবে। নারী হিসেবে নয় একজন মানুষ হিসেবে তাঁদের মেধা, বিদ্যা, বুদ্ধি, সক্ষমতা ও যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে সমাজ, দেশ, জাতি ও রাষ্ট্রকে। নারীদের ন্যায্য সুযোগ, পাওনা দিতে কোন ধরণের বাঁধা বা বৈষম্য থাকা একটি স্বাধীন দেশের জন্য খুবই দুঃখজনক এবং অমূলক। নারীর নিরাপদ জীবন যাপনে কেউ যেন ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য রাষ্ট্রকে আইনের সুরক্ষা দিতে হবে। আইনের সঠিক এবং যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নারী পুরুষভেদে সুখী সুন্দর সোনার বাংলা করার জন্য কাউকে অবহেলা করা উচিৎ হবে না দেশের উন্নয়নের বৃহত্তর স্বার্থে।

Top