দোয়ারাবাজারে মোবাইলে লুডু জুয়া, বিপথগামী যুবসমাজ

download-2-3.jpg

এম এ মোতালিব ভুইয়াঃ
সাপ লুডু খেলার কথা মনে আছে। বর্ষা মৌসুমে ঘরে ভাই বোন আত্বীয় স্বজনের সাথে সাপ লুডুর খেলা ভোলার নয়। কিংবা অলস সময়ে নিছক আনন্দের জন্য অনেকেই খেলতো এই লুডু খেলা। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় বিনোদনের নানা অনুষঙ্গ যুক্ত হওয়ায় লুডু খেলার তেমন আর প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বর্তমানে দোয়ারাবাজার উপজেলার কিশোর তরুন যুবক শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ মেতেছে ভয়ংকর এক জুয়া খেলায়। এই জুয়ার নাম মোবাইল লুডু। টাকার বিনিময়ে একের অধিক মিলে মোবাইলে আপস ব্যবহার করে খেলছে।
এতে করে বিপথগামী হচ্ছে ছাত্র ও যুবসমাজ। বিভিন্ন সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ছোট-বড় দোকানে, খেলার মাঠে, স্কুল মাঠে বা গোপন কোনো ঘরে চলছে এসব লুডু জুয়া। মোবাইল লুডু জুয়া দোয়ারাবাজারে ভয়াবহ রুপ ধারণ করতে যাচ্ছে। বিষয়টি এমন পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে যা নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হতে পারে। দুই তিন জন এক মোবাইল দেখলেই খেয়াল করে দেখা যাবে তারা টাকার বিনিময়ে মোবাইল লুডু খেলছে। গেম প্রতি ২০ টাকা জন প্রতি ধরা থেকে শুরু করে হাজার হাজার টাকা ধরছে এই জুয়ায়। এক সাথে সর্বোচ্চ চারজন খেলা যায় এই মোবাইল লুডু জুয়া।
স্কুল কলেজ পাড়া মহল্লা হাট বাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠা সর্বত্র চলছে এই লুডু জুয়া খেলা। এখনি সচেতনতা বোধ জাগ্রত করতে না পারলে উপজেলায় সামাজিক অবক্ষয় চরম আকার ধারণ করতে পারে।

সচেতন নাগরিকরা মনে করছে এর মাধ্যমে ছাত্র ও যুবসমাজ নষ্টের পথে যাচ্ছে। এসব জুয়াকে এখনই বন্ধ না করলে যুবসমাজ বিপথগামী হবে।

এ ব্যাপারে দোয়ারাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুশীল রঞ্জন দাস জানান, জুয়া খেলা অপরাধ। কিন্তু এখানে জুয়া খেললেও এদের শনাক্ত করা কঠিন। এটা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষে নির্মূল করা সম্ভব নয়। তবে সচেতনতা বাড়াতে হবে। এর কুফল নিয়ে প্রচার করতে হবে। তাহলে মানুষ নিজ থেকেই এসব থেকে সরে আসবে। এ ব্যাপারে কারো কোনো অভিযোগ থাকলে তাকে জানাতে অনুরোধ করেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

Top