চকরিয়া উপজেলা নির্বাচনে আমি নির্বাচিত হয়েও আমার বিজয় ঠেকাতে চায় ষড়যন্ত্রকারীরা-জেসি চৌধুরী

jesi-chakaria.jpg

সাঈদী আকবর ফয়সাল,চকরিয়া
সারাদেশে এক যোগে ৫ম ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১৮মার্চ’১৯ইং। ওইদিন নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে অত্যন্ত সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে চকরিয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ষড়যন্ত্র মূলকভাবে বিজয়ী করা হয়নি বলে দাবী করেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জেসমিন হক জেসি চৌধুরী। এনিয়ে তিনি ২২মার্চ বিকেলে স্থানীয় সাংবাদিকদের নিয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জেসি চৌধুরী বলেন, ১৮মার্চ চকরিয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রতিদ্বন্ধীতাকারী সকল প্রার্থীদের ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কক্সবাজার জেলা নির্বাচন অফিসার মো: বশির আহমদ। ওই সময় উপজেলার ৯৯টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৯৮টি কেন্দ্রে তাকে (জেসমিন হক জেসি চৌধুরী) কলসি প্রতীকে ৩৪২৯৪ ভোট পেয়েছেন বলে ঘোষণা করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্ধী সাফিয়া বেগম শম্পা ফুটবল প্রতীক নিয়ে ২৯৯০৩ ভোট এবং জাহানারা পারভিন হাঁস প্রতীক নিয়ে ২১৮০৭ ভোট। নির্বাচন কমিশনের রিটানিং কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চকরিয়া পৌরসভার পালাকাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নির্বাচন চলাকালীন স্থগিত হয়ে যাওয়ায় এবং বিজয়ী প্রার্থীর সাথে স্থগিত কেন্দ্রে ভোটের সংখ্যা ৪,৭৬৮ থাকায় বেসরকারীভাবে বিজয়ী ঘোষণা যায়নি এবং পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনায় শুধুমাত্র ওই কেন্দ্রে পূর্ণনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে ঘোষণা কেন। জানাগেছে, কলসি প্রতীকে ৩৪২৯৪ ভোট পেলেও ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন ২৯৯০৩ ভোট। তাদের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৪৩৯১ ভোট। আর স্থগিত কেন্দ্রে রয়েছে ৪,৭৬৮জন ভোটার। ফলে স্থগিত কেন্দ্রের ভোটের মধ্যে মাত্র ৩৭৭ ভোট অপূর্ণ রয়েছে। ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী জেসি চৌধুরী অভিযোগ করেন, নির্বাচনে ৯৮টি কেন্দ্রের ভোট পূণ:গণনা করা হলে তিনি অবশ্যই ৩৭৭ ভোটের চেয়ে আরো বেশি এগিয়ে থাকবেন। বিশেষ করে লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের একটি কেন্দ্রের ভোট গননার তালিকা পরিবর্তন করা হয়েছে। ওই কেন্দ্রে কলসি প্রতীকে সাড়ে ৫শত মত ভোট পেলেও তা দেখানো হয়নি। এছাড়াও স্থগিত ভোট কেন্দ্রের ৪,৭৬৮ ভোটারের মধ্যে অনেকে মারাগেছেন এবং অনেকে বিদেশে রয়েছেন। মৃত ও বিদেশ প্রবাসী ভোট বাদ দিলেও তিনি অনেক ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তার (জেসি চৌধুরী) বিজয় নিয়ে একটি কুচক্রি মহল ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। তিনি এরপরও নির্বাচন কমিশনের কাছে চকরিয়া পৌরসভা ৭নং ওয়ার্ডের স্থগিত পালাকাটা ভোট কেন্দ্রে যত দ্রুত সম্ভব পূণ:নির্বাচন দেওয়ার আহবান জানানঅন্যথায় সকল কেন্দ্রের ভোট পূণ:গননা করে সৃষ্টি জটিলতার নিরসন করার জন্য জোর দাবী জানান। তিনি তার নির্বাচনী কর্মী-সমর্থক, শুভাকাংখিসহ সর্বস্তরের জনসাধারণের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। ##

Top