অানোয়ারায় বঙ্গবন্ধু টানেলের ক্ষতিপূরণ পায়নি অনেকে

received_306090883374827.jpeg

ডি এইচ মনসুর ;
অানোয়ারা বঙ্গবন্ধু টানেল কোরিয়ান ইপিজেড কিংবা কাফকো-সিইউএফএল।
উন্নয়নে বদলে যাচ্ছে আনোয়ারার চিত্র ।

বিগত সময়ে অধিগ্রহণ হয়েছে ফসলি জমি কিংবা পরিত্যক্ত জায়গা। এবার কর্ণফুলীর তলদেশে বাস্তবায়নাধীন বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পে সংযোগ সড়কটি যাচ্ছে ঠিক বাপ-দাদার ভিটা বরাবর। বৃহস্পতিবার সকালে শুরু হয়েছে উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামে বসতবাড়ির উচ্ছেদ। আর তাতে অনেকে কেঁদেছেন অঝোরে। বাপ-দাদার শেষ ঠিকানা হারানোর সান্তনা খুঁজে পাচ্ছিল না কেউ। এ যেন নাড়ি ছেঁড়া ধন হারানোর কাব্য।

শুক্রবার সকালে দিনভর মোহাম্মদপুর এলাকায় ঘুরে দেখা গেছে হতাশা আর বিষাদের ছায়া। বসতবাড়ি উচ্ছেদ করা হলেও ক্ষতিপূরণ পায়নি অনেকে। ক্ষতিগ্রস্থদের পুনর্বাসনের কথা থাকলেও সে কার্যক্রম এখনো হয়নি। যদিওবা গত সপ্তাহে বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের উপ-পরিচালক ড. অনুপম সাহা আনোয়ারায় এক অনুষ্ঠানে এসে বলেছিলেন এ বছরেই শুরু হবে পুনর্বাসন কার্যক্রম।

বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের উচ্ছেদ কার্যক্রম নিয়ে দেখা গেছে চরম হতাশা। ভূমি অধিগ্রহণ শুরু হলেও এখনও ক্ষতিপূরণ পায়নি অনেকে। এ অবস্থায় ক্ষোভে প্রকাশ এলাকাবাসী।
যে কারণে উদ্বেগ উৎকন্টার মধ্য দিয়ে বিপুল সংখ্যক আইন শৃংখলা বাহিনীর উপস্থিতিতে বৃহষ্পতিবার সকাল ৯ টায় বৈরাগ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর এলাকায় বাড়িঘর উচ্ছেদ শুরু হয়। তবে শেষ পর্যন্ত প্রথম দিনে অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ছাড়াই কাজ শেষ হয়।

বৃহস্পতিবার মোহাম্মদপুর গ্রামে উচ্ছেদকালে উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধু টানেল কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক ড. অনুপম সাহা, বঙ্গবন্ধু টানেলের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাহমিলুর রহমান । এ সময় আনোয়ারা থানার পুলিশ, সশস্ত্র ব্যাটেলিয়ন আনসার সদস্য ও ফায়ার সার্ভিসের বিপুল সংখ্যক সদস্য উচ্ছেদ কার্যক্রমে সহায়তা করেন।

তিনটি বুলডেজার এর মাধ্যমে বিরামহীনভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনায় চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানীর বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ছাড়াও শতাধিক শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন। জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যার পর বৈরাগ, বন্দর, মোহাম্মদপুর এলাকায় উচ্ছেদ কার্যক্রমে বাঁধা দিতে একটি গ্রুপ মাইকিং করে। এতে প্রশাসনের কিছুটা হলেও উদ্বেগ-তৈরি হয়। তবে সকালে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হলে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থদের পক্ষ থেকে সেরকম অপ্রীতিকর কিছু ঘটেনি।

স্থানীয় বাসিনাদা অাজাদ বলেন, বিশ্বাস করতে পারছি না এত তাড়াতাড়ি বাড়িঘর হারাতে হবে।

Top