টানা ৩ দিনের ছুটিতে পর্যটকে ভরপুর কক্সবাজার, হোটেল সংকটে রাস্তায় রাত যাপন

received_994513514086531.jpeg

পর্যটকদের জন্য মানবিক সেবায় তৎপর জেলা ছাত্রলীগ

জাহেদ,বিশেষ প্রতিবেদক :

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে সরকারি ছুটিকে কেন্দ্র করে লোকে লোকারণ্য ছিলো পর্যটন নগরী কক্সবাজার।

সুত্রে জানা যায়, যাত্রীযাপনে হোটেলে রুম না পেয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নেয় কয়েক শতাধিক পর্যটক৷

সন্ধ্যার পর থেকে বেশ কিছু হোটেলে অতিরিক্ত ট্যারিফে রুম পেলেও অনেক পর্যটকের রাত্রীযাপনের ব্যবস্থা হয়নি।

অন্যদিকে বিষয়টি জানার পর কুয়াশার রাত্রিতে পর্যটকদের কষ্টের কথা চিন্তা করে দ্রুত সময়ে পদক্ষেপ নিতে চিন্তা করে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ।

সুত্রে জানা যায়, রাত ১১টার পর থেকে পর্যটকদের অসুবিধার কথা চিন্তা করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের রাত্রীযাপনে ব্যবস্থা করতে তৎপর হয়ে ওঠে।

কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ নেতা মইন উদ্দীন ঢাকার কল্যাণপুর ও মিরপুর থেকে আসা ৫০ জনের একটি গ্রুপকে বিমান বন্দর সড়কস্থ একটি ফ্ল্যাট বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেন।

এছাড়াও কক্সবাজারের হোটেল রেনেসাঁর ব্যবস্থাপকের সাথে কথা বলে ওই হোটেলের অডিটোরিয়াম হলে ২০ জনের রাত্রীযাপনের ব্যবস্থা করেন উল্লেখিত ছাত্রলীগ নেতা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্রলীগ সভাপতি ও জেলা ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মইন উদ্দীন বলেন, কলাতলী থেকে আসার পথে দেখতে পাই অনেকেই হোটেলে রুম না পেয়ে ব্যাগ নিয়ে রাস্তার পাশে বসে আছে।

এদের মধ্যে কলাতলী মোড়ে অবস্থান করা পর্যটকদের একটি গ্রুপকে রুমের ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য অনেকগুলো হোটেলে কথা বলি কিন্তু কোথাও কোন বিহিত না হওয়ায় মানবিকতার কথা চিন্তা করে চাচার খালি বাসায় তাদের থাকার ব্যবস্থা করি।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ জয় বলেন, ‘ছাত্রলীগ মানবিক ছাত্র সংগঠন। হোটেলে রুম না পেয়ে অনেকেই অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলো। এদের মধ্যে কিছু সংখ্যক পর্যটকের রাত্রী যাপনের ব্যবস্থা করে আমাদের ছেলেরা।’

তিনি আরো বলেন, ‘এনজিও কর্মকর্তারা কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলোতে অফিস আর মাসিক ভিত্তিতে রুম নিয়ে নেয়ায় পর্যটকদের এ সংকট অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মসে করেন তিনি।

এ বিষয়ে হোটেল মালিক ও ম্যানেজমেন্ট এসোসিয়েশন সংগঠন গুলোকে এগিয়ে আসার কথা জানান ঢাকার পর্যটক রুবায়েত হোসেন।

Top